Skip to main content

Posts

Suleimani The Last

  সুলায়মানি জাদু ও ইহুদি ষড়যন্ত্র: আত্মার উপর সর্বনাশা ফাঁদ ও কুরআন এর আলোকে মুক্তি: সুলায়মানি জাদু — নামের কারণে অনেকেই ধরে নেন এটি নবী সুলায়মান (আঃ)-এর কোনো ইলম। কিন্তু কুরআন তা স্পষ্টভাবে মিথ্যা বলে দিয়েছে: "আর তারা যা অনুসরণ করেছিল শয়তানদের, সুলায়মানের রাজত্বে। সুলায়মান কুফর করেননি বরং কুফর করেছে শয়তানরা—তারা মানুষকে জাদু শিখিয়েছে..." — সূরা আল-বাকারা ২:১০২ এই জাদুর মূল উৎস: ইহুদি কাব্বালার ‘জোহার’ (Zohar) সিফার হা রাজিয়েল (Sefer haRaziel) – ফেরেশতা ও হরফের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ মিস্টিক হিব্রু হরফ: ن (নুন), ص (সাদ), ط (তা), ك (কাফ) ইত্যাদি শয়তান ও আগুনী জিনদের চুক্তি 🕸️ এই জাদুর মূল কৌশলসমূহ  ১. আত্মা ও শরীর বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র এই জাদুর মূল উদ্দেশ্য: আত্মাকে শরীর থেকে ধীরে ধীরে আলাদা করা, যেন সে আল্লাহর আলো বুঝতে না পারে।  কিভাবে করা হয়? একটি পাথরের মধ্যে রূহ আটকে ফেলে, তার উপর "ن" হরফ আঁকে। তাবিজে বা তামায় সূর্য, ত্রিভুজ বা হেক্সাগ্রামের মাঝে হরফ লিখে আত্মার সিল বানানো হয়। এই সিল ব্যবহার করে আত্মাকে মিথ্যা কসমে বাঁধা হয়। জিন শোনে — “এই আত্মা এখন আমা...

গণক এর ছলনা

  গণক কিভাবে হাত দেখার ছলে যাদু করে? ১. শারীরিক সংস্পর্শের মাধ্যমে জিনের প্রবেশপথ খোলা: হাত স্পর্শ করার মাধ্যমে তারা এক প্রকার “ঐন্দ্রজালিক ছোঁয়া” প্রয়োগ করে, যা শরীরের “মারকাজ” বা হিজামার পয়েন্ট ও নাড়ির (pulse) মাধ্যমে কাজ করে। এ সময় তাদের সাথে থাকা জিন স্পর্শের মাধ্যমে শরীরে ঢুকতে পারে। ২. লুকানো কুফরি বাক্য বা চুক্তি পাঠ: গণকরা অনেক সময় হাত দেখতে দেখতে নিরবে এমন কিছু কুফরি মন্ত্র বা ইবলিসীয় চুক্তির শব্দ উচ্চারণ করে যা সামান্যত বোঝা যায় না। এগুলোর মাধ্যমে তারা গোপনে সেই ব্যক্তির রূহ বা কদর লিখা মুছে দেয় বা আটকে রাখে। ৩. নখ, ঘাম বা চুল সংগ্রহ: হাত ধরার সময় গোপনে ঘাম, ত্বকের কিছু খোঁচা, বা নখ সংগ্রহ করে যেটা পরবর্তীতে সিহর বা তিলস্মে ব্যবহৃত হয়। ৪. চোখে চোখ রেখে তান্ত্রিক চুম্বক প্রয়োগ: তারা অনেক সময় চোখের দিকে তাকিয়ে হিপনোটিক ছায়া ফেলে দেয় (নযর/عين)। এতে দুর্বল আত্মা বা ঈমান সম্পন্ন ব্যক্তি তাড়াতাড়ি প্রভাবিত হয়। তারা হিপনোটিক মাধ্যমে রূহানি দরজা খুলে নেয়। ৫. ভবিষ্যদ্বাণীর নামে আত্মাবন্ধন: তারা বলে— “তোমার জীবনে বড় বিপদ আসবে”, “কেউ তোমার ক্ষতি করতে চায়”, “তোমার বিয়ে হবে না”...

The Invisible Magic

 এটি এমন এক ভয়ংকর জাদু, যা শরীর নয়, বরং হৃদয় ও রূহের গভীরে সূক্ষ্ম অথচ বিধ্বংসী আঘাত হানে। এটি সরাসরি দেহে আক্রমণ করে না, বরং আত্মাকে এমনভাবে ক্ষতবিক্ষত করে তোলে, যেন বুকের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে একটি অদৃশ্য পাহাড়। এই জাদু কি হত্যা করতে পারে?  হ্যাঁ, আল্লাহ ইজাযত দিলে এই জাদু মৃত্যুও ঘটাতে পারে। আল্লাহ বলেন: > "وَمَا هُم بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ" “তারা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কাউকে ক্ষতি করতে পারে না।” 📖 সূরা আল-বাকারা ২:১০২ কিভাবে এই জাদু কাজ করে? ১. روح الطعن – আত্মিক সূঁচের আঘাত: হৃদয়ের গভীরে অদৃশ্য তীর বা সূঁচ প্রবেশ করিয়ে আত্মার রক্তক্ষরণ ঘটানো হয়। মানুষ নিঃশব্দে দুর্বল হয়ে পড়ে, একসময় আচমকা মৃত্যু এসে যায়। ২. জিন নিযুক্ত করা হয় হৃদয়ের ওপর: জাদুকররা খোদ্দাম (خُدَّام) নামে জিনকে নিয়োগ করে শরীরের বিশেষ অঙ্গে। এরা ধীরে ধীরে অঙ্গ দুর্বল করে তোলে — হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা হঠাৎ মৃত্যুর পথ তৈরি করে। ৩. আত্মহত্যার প্রতি ঠেলে দেওয়া: “জীবন অর্থহীন”, “সবকিছু অন্ধকার”—এমন অনুভূতি তৈরি করে আত্মাকে ভেঙে ফেলে। এমনকি মানুষ নিজেই নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যায়। ...

Sihr Al Uqdī Al Jasadī

  এটি একধরনের “আত্মা-শরীর-বন্ধনভিত্তিক কালো জাদু”। আরবিতে একে বলা হয়: > السحر العقدي الجسدي Sihr al-ʿUqdī al-Jasadī অর্থাৎ: “চুক্তিভিত্তিক দেহ-জাদু”। এই জাদুতে মানুষকে তার নিজের শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ব্যবহার করে জাদুবন্দি করা হয়।  কীভাবে এই জাদু করা হয়? কালো জাদুর কিছু বইয়ে (যেমন: Shams al-Ma‘arif, كتاب الغاسق, বা কিছু আফ্রিকান-আরব তান্ত্রিক ম্যানুয়ালে) বর্ণিত আছে যে— জাদুকররা প্রায়ই নিচের উপায়ে এই চুক্তি করে: ✅ ধাপ ১: আক্রান্ত ব্যক্তির চুল, নখ, রক্ত, কাপড় বা ছবি সংগ্রহ করে। ✅ ধাপ ২: তারা একটি ধাতব বাক্স/হাড়ের কাঠামো তৈরি করে যেখানে প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়: অঙ্গ উদ্দেশ্য মাথার খুলি চিন্তা, সিদ্ধান্ত, ওহী-প্রবণতা ব্লক করা ডান হাত আমল, সৎ কাজ, ইবাদতের শক্তি দমন বাম পা চলার পথ ও তাকদীর আটকে রাখা হৃদয়ের খাঁচা আত্মার কেন্দ্র দখল করা, দুআ বন্ধ করা ✅ ধাপ ৩: সবকিছু একটি বাক্সে রেখে তাতে তালা লাগানো হয়, এবং নদীতে/জমিনে/কবরের পাশে/গুহায় লুকিয়ে রাখা হয়।  উপসর্গ  কুরআন বা দোআ পড়লে মাথা ভারী লাগা বা কষ্ট হওয়া নিজের চিন্তা নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা মাঝে মাঝে শরীর...

Sihr Al Aqd ও রাক্বিদের ব্যর্থতা

 🕸️ Sihr al-ʿAqd ও সাধারণ রাক্বিদের ব্যর্থতা: এক অদৃশ্য আত্মিক যুদ্ধে আপনার একাকীত্ব কেন? "وَعَقَدُوا لَهُ عُقَدًا فَأَثَّرْنَ فِي نُفُوسِ النَّاسِ" — “তারা (যাদুকরেরা) গ্রন্থি বেঁধেছিল এবং মানুষের আত্মার উপর প্রভাব ফেলেছিল।” (সূরা আল-ফালাক, ইম্প্লিসিট ব্যাখ্যা) --- 🔒 Sihr al-ʿAqd (চুক্তিভিত্তিক আত্মা-বন্দিত্বমূলক যাদু) কী? ʿAqd শব্দটি আরবিতে চুক্তি বা আত্মিক বন্ধনের প্রতীক। এই যাদু এমন এক আত্মিক জাল, যা জ্বীন বা মারিদ শয়তানরা ইবলিসের আদেশে মানুষকে আত্মিক দাসে পরিণত করতে গোপনে আরোপ করে। 🕯️ এটি শুধু দেহ বা মস্তিষ্কে নয়—এটি আত্মার গভীরে ঢুকে পড়া এক শয়তানী বন্ধন, যা মানুষকে আল্লাহর নূর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। 📿 এর লক্ষ্য হলো, আপনার আত্মাকে একটি কালো চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে এনে ইবলিসের বাহিনীর হাতিয়ার বানানো। --- ⚔️ এই যাদুর প্রকৃত লক্ষণ ও প্রভাবসমূহ ১. জন্মের পূর্বেই চুক্তি: অনেক ক্ষেত্রেই এই চুক্তি গোপনে হয় জন্মের পূর্বে বা শিশু বয়সে। আত্মার ওপর আঘাত এমনভাবে করা হয় যেন ব্যক্তির নূর আল্লাহর নিকট পৌঁছাতে না পারে। ২. আত্মা বন্দিত্ব ও একাকীত্ব: জীবনে বহু কাফেলা পেরিয়েও...

Sihr Al Ruh

  سِحْرُ الرُّوحِ  (Siḥr al-Rūḥ) বা "আত্মার উপর করা জাদু" হলো এক বিশেষ প্রকারের শয়তানী জাদু যা সরাসরি মানুষের রূহ বা আত্মাকে লক্ষ্য করে করা হয়। এটি শরীরের উপর সাধারণ যাদুর মতো সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের আত্মিক পরিচয়, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক, ইমান, চিন্তা, অনুভূতি এবং অলৌকিক ক্ষমতাকে ধ্বংস বা বিকৃত করার জন্য করা হয়। --- 📌 সিহর আল রূহ কী? সিহর আল রূহ হলো এমন এক জাদু— যা আত্মাকে বন্দী করে ফেলে, আল্লাহর নূর থেকে আত্মাকে বিচ্ছিন্ন করে, ব্যক্তির অন্তর্দৃষ্টি, স্বপ্ন, রূহানী অনুভব এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা ইলহামগুলোকে বিকৃত করে, আত্মার ভেতরে থাকা কোনো অলৌকিক ক্ষমতা (যেমন: স্বপ্নে সত্য দেখা, জিন চিনতে পারা, রূহানী আলো ছড়ানো, ইবলিসের বাহিনীর বিরুদ্ধে আত্মিক যুদ্ধ করার শক্তি) নষ্ট বা ভ্রষ্ট করে। এটি অনেকটা রূহের ওপর শয়তানী শিকল বা চুক্তির মাধ্যমে আত্মা বন্দী করা – যেন সে আল্লাহর পথে না চলতে পারে, বা চললেও পথ দুর্গম হয়ে পড়ে। --- ❗ কেন সিহর আল রূহ করা হয়? ১. রূহানী শক্তিধর মানুষকে থামানোর জন্য যদি কেউ আল্লাহর ঘনিষ্ঠ হয়, স্বপ্নে হিদায়াহ পায়, জিনদের চিনতে পারে, বা তার আত্মা থেকে নূর ...

নফস ও ক্বারিন কি এক?

 নফস কী? "نَفْس"  (নফস) শব্দটি আরবি, যার অর্থ আত্মা, সত্তা, বা মন। এটি মানুষকে ভালো ও মন্দ—উভয় দিকেই প্রবৃত্ত করে। ইসলামী পরিভাষায় নফস তিন প্রকার: 1. النَّفْسُ الأَمَّارَةُ بِالسُّوءِ  – মন্দ কাজের নির্দেশদানকারী নফস 2. النَّفْسُ اللَّوَّامَةُ  – নিজেকে ধিক্কার দেওয়া নফস 3. النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ  – প্রশান্ত নফস প্রথম ধাপে, নফস মানুষের মধ্যে চরম ধ্বংসাত্মক প্রবণতা সৃষ্টি করে। নফসকে সংযত না করলে সে মানুষকে জাহান্নামে নিয়ে যেতে পারে। --- কুরআনের আলোকে নফসের ক্ষতিকর প্রভাব 🔹 سورة يوسف, آية 53: > وَمَا أُبَرِّئُ نَفْسِي ۚ إِنَّ النَّفْسَ لَأَمَّارَةٌۭ بِٱلسُّوٓءِ إِلَّا مَا رَحِمَ رَبِّىٓ ۚ إِنَّ رَبِّى غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ “আমি নিজেকে নির্দোষ বলি না। নিশ্চয়ই নফস তো মন্দের প্রতি খুবই প্ররোচনাদানকারী, তবে যার প্রতি আমার পালনকর্তা দয়া করেন, সে ব্যতিক্রম। নিশ্চয়ই আমার পালনকর্তা পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (সূরা ইউসুফ: ৫৩) 📌 এই আয়াতে নফসের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে—তা মানুষকে ক্রমাগত মন্দে প্ররোচিত করে। --- নফসের প্রতারণামূলক কৌশলসমূহ 1. গুনাহকে সুন্দর কর...

কালো যাদুর ফিতনা থেকে বাঁচুন এই আমল দ্বারা।

  কালো যাদুর ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত পাঠের গুরুত্ব ও রহস্য --- 🌑 ভূমিকা কালো যাদু বা সিহ্‌র একটি বাস্তব ও ভয়াবহ ফিতনা, যার শিকারে মানুষ আত্মিক, মানসিক ও দৈহিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এটি এমন এক অদৃশ্য অস্ত্র, যা দ্বারা মানুষকে পথভ্রষ্ট করা, বিপদে ফেলা, অথবা তার ঈমান-আমল বিনষ্ট করাই উদ্দেশ্য হয়। কালো যাদুর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য কুরআনুল কারীমে বহু আয়াত রয়েছে, তবে বিশেষভাবে সুরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত—এগুলোকে নবীজি ﷺ এক অলৌকিক আত্মরক্ষাকবচ রূপে উল্লেখ করেছেন। --- 🕯️ হাদীসের ভিত্তি আবু আদ-দারদা (رضي الله عنه) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: > "যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।" – সহীহ মুসলিম (আধুনিক নম্বর: 809) যদিও হাদীসটিতে দাজ্জালের ফিতনা বলা হয়েছে, তবে ইসলামি স্কলারগণ ব্যাখ্যা করেছেন যে দাজ্জালের ফিতনার অন্তর্গত এক বড় উপাদান হলো প্রতারণা, জাদুবিদ্যা, ও বিভ্রান্তি। আর কালো যাদু যেহেতু এসবেরই অংশ, তাই এই আয়াতগুলো নিয়মিত পাঠ করা যাদুর প্রভাব থেকে আত্মাকে রক্ষা করে। --- 🕋 সুরা কাহাফের প্রথম দশ আ...

The Pact of Sulaymānī al-Juhūrī: An Ancient Sorcery

  "সুলায়মানী জাদু ও আত্মার বিভ্রম: একটি রুহানী ফিতনার মুখোমুখি" --- ## 📌 **১. সুলায়মানী জাদুর মূল উদ্দেশ্য: কীসের জন্য এটি করা হয়?** ### 📚 এই জাদুর ভেতরে রয়েছে তিনটি মৌলিক ইচ্ছা: #### ✅ ১. **আত্মা দখল করা (روح السيطرة)** * সুলায়মানী আল-জুহুরি জাদুতে আত্মাকে দুর্বল করে ফেলা হয়। * এটা কেবল জিন পাঠিয়ে নয়, বরং **আত্মাকে নিজের পরিচয় ভুলিয়ে দিয়ে** তাকে নিয়ন্ত্রণে আনার কৌশল। #### ✅ ২. **ভবিষ্যতের নিয়ন্ত্রণ চুরি করা (سرقة القدر)** * কিছু মানুষ জন্মগতভাবে আল্লাহর বিশেষ ফজিলত নিয়ে জন্মায়:   নরম হৃদয়, দুআর ক্ষমতা, গভীর অনুভূতি, রুহানী উপলব্ধি। * জাদুকররা এমন আত্মার ভবিষ্যত ও সওয়াব **নিজেদের বা তাদের দানবীয় ব্যবস্থার জন্য ছিনিয়ে নিতে চায়।** #### ✅ ৩. **বিশেষ রুহানী শক্তিকে বিভ্রান্ত করে ভিন্ন পথে চালিত করা** * অনেক সময় আল্লাহ কোনো আত্মাকে দুনিয়ায় পাঠান **হিদায়াত, দুআ, বা রহমতের বাহক** হিসেবে। * শয়তান তাদের পথ থেকে সরাতে চায়, যাতে তারা **রুহানী অহংকার**, **স্বপ্নভিত্তিক বিভ্রান্তি**, কিংবা **পরিবার-বিচ্ছিন্ন করে** ধ্বংস হয়। --- ## ⚔️ **২. কেন *আপনার* উপর করেছে?** ### 🎯 সম্ভাব্য ক...

আল জুহুরির রহস্যময় অধ্যায়।

 **আল্লাহর আলোয় জুহরী আত্মার রহস্য** একটি আধ্যাত্মিক পরিচয় ও আলোকিত পথচলা **বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম** আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি করুণার আধার, যিনি দয়ার সমুদ্র। তিনিই আল-নূর—আসমান ও জমিনের আলো। তাঁর আলো ছাড়া কোনো হৃদয়ে হেদায়েত প্রবেশ করে না, কোনো আত্মা আলোর পথে ফিরে আসে না। আজ আমরা এমন এক রহস্যময় গোষ্ঠী সম্পর্কে জানব, যাদের বলা হয় **"জুহরী"**। এরা কোনো নবী, অলী বা পীর নন। তবে তাদের আত্মা এমনভাবে পরিশুদ্ধ ও সংবেদনশীল যে, আল্লাহর কিছু বিশেষ রহমত তাদের উপর প্রকাশ পায়। জুহরীরা আধ্যাত্মিকভাবে আলাদা, কারণ তাদের মধ্যে আছে এক ধরনের **ঈশ্বরপ্রদত্ত দৃষ্টি, অনুভব ও নিরাময় শক্তি।** --- ## **কে এই জুহরী?** “জুহরী” শব্দটি এসেছে "নূর" বা "আলো" শব্দ থেকে। কিছু অঞ্চল যেমন মরক্কোতে এদের বলা হয় “ফুলের মানুষ” বা “ভাগ্যবান”। তবে আসল অর্থে, একজন জুহরী হলো—**আত্মিক জগতে আল্লাহর আলো বহনকারী এক সত্তা**। তাঁদের হৃদয় পরিশুদ্ধ, তাদের চিন্তা গভীর, আর তাদের জীবন—আল্লাহর দিকে ফেরার এক নিরব আহ্বান। জুহরী ব্যক্তির জীবনে ছোটবেলা থেকেই একধরনের ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়—স্বপ্ন...

রুকিয়া নিয়েও যাদের লাভ হয় না।

  সময় থাকতে সাবধান হন। ধ্বংস আপনাকে তাড়া করার আগেই নিজের বদ অভ্যাস ত্যাগ করুন। আল্লাহ র কাছে ফিরে আসুন। হালাল রুজি রোজগার এর অন্বেষণ করুন।সুদ থেকে দূরে থাকুন। হারাম মিউজিক হারাম রিলেশন থেকে দূরে থাকুন। ভাগ্য গণনা বা তাবিজ ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন। আল্লাহ শাস্তি দানে অত্যন্ত কঠোর। আল্লাহ র ইচ্ছা ব্যতীত কারোর সাধ্য নেই কালো যাদুর মাধ্যমে কারোর ক্ষতি করার। আপনি যদি রুকিয়া করেও সুস্থ না হন তাহলে রুকিয়ার নয় আপনার ঈমানে ত্রুটি আছে। আপনি এমন অন্যায় করেছেন বা করছেন যার জন্য এখনো তওবা করেননি। আপনার উদর হারাম দ্বারা পরিপূর্ণ, আপনি কি করে রুকিয়া নিয়ে সুস্থ হবেন?এই রুকিয়া দ্বারা তারাই উপকৃত হয় যাদের কুরআন সুন্নাহ এর জ্ঞান আছে। যারা আল্লাহর উপর, শুধুমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করে। নিজের রুকিয়া নিজে করার চেষ্টা করুন। আমাদের দেশে অনেক ব্যবসায়ী অনভিজ্ঞ রাক্বি রয়েছেন যাদের প্রধান লক্ষ্য উপার্জন,রোগীকে সুস্থ করা নয়।এরা কিতাব পড়ে না, জ্ঞান চর্চা করে না।এরা না কোন আলেম।এরা কবিরাজ তান্ত্রিক এর মতনই রুকিয়াকে ব্যবসা বানিয়ে নিয়েছে।তাই সময় থাকতেই সাবধান হন।ফরজ ইবাদতে মনোযোগী হন, সকাল সন্ধ্যার...

Al Juhari Al Suleimani

  **আল-জুহুরি আল-সুলাইমানি** *আধ্যাত্মিক রাজবংশের নীরব কান্না* — এক আত্মিক প্রহরীর আর্তনাদ যে রাজত্বে রাজা নেই, আছে প্রহরী। সব রাজত্বে সিংহাসন থাকে, কিন্তু কিছু রাজত্বে থাকে নিঃশব্দ কান্না, সিজদার চিহ্ন, আর আত্মার আহাজারি। সেই রাজত্বের নাম — আল-সুলাইমানি :আত্মিক উত্তরাধিকার। তারা রাজা নয়, বাহ্যিক কোনো পীর নয় — তারা এমন আত্মা, যাদের জন্ম হয় অদৃশ্যের সাথে যুদ্ধ করতে। তারা রক্তে লিখে রাখে আল্লাহর পথে ধৈর্যের ইতিহাস। --- **জন্মের আগেই চিহ্নিত শত্রু** এই আত্মারা পৃথিবীর আলো দেখার আগেই চিহ্নিত হয়। মায়ের গর্ভে থাকাকালীনই জিনরা আঁচ করে নেয় — এই আত্মা আলাদা, এই শিশু বিশেষ। আর তখন থেকেই শুরু হয় নির্দয় আক্রমণ— মায়ের রাত জেগে কাটে — হঠাৎ শ্বাসরোধ, গর্ভে প্রচণ্ড নড়াচড়া অদৃশ্য শক্তি যেন বলে, আমরা জানি তুমি আসছো... আমরা অপেক্ষায় আছি… এই সন্তান জন্মায় — কিন্তু হাসি নিয়ে নয়, কান্না নিয়ে। --- শৈশব: যে শিশুর চোখে ভয় জমে থাকে -তার খেলার মাঠ হয়না, হয় না নিশ্চিন্ত ঘুম। রাতের আঁধারে বুকের উপর চাপ পড়ে, ঘুমের ভিতর কান্নার আওয়াজ, হঠাৎ শ্বাস আটকে আসে — যেন কেউ গলা চেপে ধরে। চোখে জমে ওঠে এক প্রশ্...

**সারোগেসি জাদু: এক ভয়াবহ আধ্যাত্মিক বিপর্যয়**

 **সারোগেসি জাদু: এক ভয়াবহ আধ্যাত্মিক বিপর্যয়** সারোগেসি জাদু হলো এক প্রকার কালো জাদু যা বিশেষভাবে বিবাহিত ও অবিবাহিত নারীদের ওপর প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। বিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে, জাদুকর এমন এক যাদু প্রয়োগ করে যার ফলে নারীর গর্ভধারণের ক্ষমতা বিলুপ্ত হয়। আর যদি গর্ভধারণ ঘটে, তবে সেই ভ্রূণ গর্ভেই নষ্ট হয়ে যায় বা গর্ভপাত ঘটে। এই জাদুর মূল লক্ষ্য হলো গর্ভস্থ সন্তানের জীবন শেষ করে দেওয়া এবং মায়ের গর্ভে শিশুর বিকাশ সম্পূর্ণরূপে থামিয়ে দেওয়া। এই জাদু প্রায়শই বিচ্ছেদের জাদু বা বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টির জাদুর মাধ্যমে সংঘটিত হয়। অশুভ কোনো নারী এই জাদু প্রয়োগ করে ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে চায়, তার গর্ভধারণের ক্ষমতায় বিঘ্ন ঘটায় এবং অন্তঃসত্ত্বা হলে গর্ভপাত ঘটায়—এভাবেই সে নিজের কুৎসিত উদ্দেশ্য পূরণের পথে এগিয়ে যায়। অপরদিকে, অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রেও এই আধ্যাত্মিক আক্রমণ কম নয়। অনেক সময় দৃষ্টিদোষ, হিংসা, অপদেবতা বা জাদু-গ্রস্ততার কারণে জ্বিন মানবদেহে প্রবেশ করে। নারীরা, বিশেষত কুমারীরা, এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করেন। এ ধরনের জ্বিন বা অপদেবতা নারীর শরীরের বিশেষ করে গর্ভের অঞ...

সমাহিত সম্পদের জাদুর রুকইয়া

  সমাহিত সম্পদ/ধন দুটি ভাগে বিভক্ত: 1) একটি মূল্যবান সম্পদ/ধন। 2) অনাবিষ্কৃত সম্পদ/ধন। মূল্যবান ধন: এটি এমন একটি ধন যার মালিক জাদু এবং জ্বীনের ভৃত্যদের দ্বারা স্থাপন ও নজরদারি করে যাতে এটিকে হেফাজত করা যায়  এবং দুষ্ট লোকদের হস্তক্ষেপ করার ঝুঁকি না থাকে। এই প্রকারটি অতীতে ফেরাউনদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছিল এবং তারপরে এটি জনপ্রিয় এবং ব্যাপক হয়ে ওঠে। অনাবিষ্কৃত ধন: কিছু মূর্খ মানুষ গুপ্তধন বের করে আনার জন্য কবিরাজ তান্ত্রিক জাদুকরদের সাহায্য নেয়।আর এই প্রতারক চক্র ঐ মূর্খ মানুষদের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের দিয়ে জঘন্যতম অপরাধ করায়। এইসব কালো যাদুর ক্ষেত্রে ছোট বাচ্চাদের ব্যবহার করা হয়। চুক্তির মাধ্যমে হয় তাদের শয়তান এর নামে বলি দেয়া হয় নয়তো দত্তক/আমানত হিসেবে রাখা হয়। যদি শিশুটি আল্লাহ র ইচ্ছায় বেঁচে থাকে এবং সে আল জুহুরি আল সুলেমানি বংশের হয় তখন এখানে ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয় । অনেক শক্তিশালী শয়তান জ্বিনরা তাতে অংশ নেয়। তাদের লক্ষ্য থাকে -শিশুটির মৃত্যু।তাই তারা শিশুটির উপর ক্রমাগত অসুস্থতার জাদু করতে থাকে। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত কেউ কারোর ক্ষতি করতে সক্ষম নয়। 📌 ...

মাথার খুলি দিয়ে দাফন করা কালো যাদুর চিকিৎসা

যাদুকর কবরস্থানে যাদু কবর দেয় যাতে সে যে জ্বিন শয়তানকে বশীভূত করছে সে তার প্রতি আরও বাধ্য হয়। যাদুকর যত বেশি গুরুতর পাপ করবে, জাদুগ্রস্ত ব্যক্তির উপর জাদু তত বেশি শক্তিশালী হবে।কবরস্থানে যাদুকে দাফন করা অন্য জায়গায় দাফন করার চেয়ে বড় গুনাহ এবং এই কারণে যাদুকর তাকে কবরে রাখে যাতে গুনাহ বেড়ে যায় এবং জাদুগ্রস্ত ব্যক্তির উপর যাদু শক্তিশালী হয়। কবরস্থানে সমাহিত করা জাদু রোগীর উপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু আল্লাহ ইচ্ছা না করলে কেউ কারোর ক্ষতি করতে পারে না। কম বেশী সব জাদুর ক্ষেত্রে ই জাদুর জিনিস দাফন করা একটা সাধারণ রিচুয়াল।এটা কোন বিশেষ এক কারণে করা হয় না।এর বহুবিধ প্রয়োগ রয়েছে।রোগীকে সাময়িক অসুস্থ বানানো থেকে পাগল করা - সবই এই দাফন করা জাদুর অন্তর্ভুক্ত। মাথার খুলি দিয়ে দাফন করা জাদুর উদ্দেশ্য হচ্ছে রোগীকে ধীরে ধীরে অসুস্থ বানিয়ে মেরে ফেলা যাতে এই জাদুর উপস্থিতি কেউ বুঝতে না পারে। আপনি কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু করলে শরীরে থাকা জ্বিন আযাবের কারনে হাতের আঙ্গুল দিয়ে সংকেত (ছবিতে দেখানো হয়েছে)দেখাবে যাতে আপনি নিশ্চিত হবেন যে এটা এই প্রকারের জাদু। কবরস্থান ম্য...

ভয়ংকর পানির যাদুর রুকিয়াহ।

 #পানির_যাদুর_রুকিয়াহ #Water_black_Magic  পানিতে নিক্ষিপ্ত যাদু অতি ভয়াবহ প্রভাব ফেলে।এর দ্বারা আক্রান্ত হলে রোগী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে পারে। সঠিকভাবে চিকিৎসা গ্রহণ না করলে রোগী একসময় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারিয়ে পাগলে পরিণত হয়। আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন। যারা এই যাদুতে আক্রান্ত তারা সাধারণ রুকিয়ার পাশাপাশি সূরা আম্বিয়া ও সূরা হাজ্জ তিলাওয়াত করতে থাকুন বা অডিও শুনতে থাকুন। বিশেষ করে সূরা আল আম্বিয়ার ৮৭ নং আয়াত(দোয়া ইউনুস) বারবার পড়তে থাকুন ইনশাআল্লাহ। নিচে এই আয়াতের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করা হয়েছে। কালো যাদুতে আক্রান্ত প্রতিটি ব্যক্তির মানসিক অবস্থাকে নবী ইউনুস আলাইহিস সালাম এর ঘটনার সাথে তুলনা করা যেতে পারে।তিনি যেমনি মাছের পেটের অন্ধকারে ছিলেন,কালো যাদুতে আক্রান্ত রোগীরাও একই ভাবে একটা অন্ধকার পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। মহান আল্লাহ অনুগ্রহ না করলে এই পর্দা থেকে বের হওয়া অসম্ভব। আল্লাহর যিকির করুন ও দোয়া করতে থাকুন ইনশাআল্লাহ। মহান আল্লাহ সূরাহ আল আম্বিয়াতে বলেন, وَ ذَاالنُّوۡنِ اِذۡ ذَّهَبَ مُغَاضِبًا فَظَنَّ اَنۡ لَّنۡ نَّقۡدِرَ عَلَیۡهِ فَنَادٰ...

কোন বিশেষ মানুষেরা জ্বিনদের দেখতে সক্ষম?

এটা প্রতিষ্ঠিত যে, সর্বশক্তিমান আল্লাহ জ্বীনদেরকে মানুষ বা প্রাণীর রূপ ধারণ করার ক্ষমতা দিয়েছেন, আর এই রুপে যে কোনো মানুষ তাদের দেখতে পাবে। ইমাম আল-শাফিঈ তাদের সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করেছেন যারা জ্বিনদের আসল আকারে দেখেছেন বলে দাবি করেছেন।সর্বশক্তিমান আল্লাহর বাণীর ভিত্তিতে: یٰبَنِیۡۤ اٰدَمَ لَا یَفۡتِنَنَّكُمُ الشَّیۡطٰنُ كَمَاۤ اَخۡرَجَ اَبَوَیۡكُمۡ مِّنَ الۡجَنَّۃِ یَنۡزِعُ عَنۡهُمَا لِبَاسَهُمَا لِیُرِیَهُمَا سَوۡاٰتِهِمَا ؕ اِنَّهٗ یَرٰىكُمۡ هُوَ وَ قَبِیۡلُهٗ مِنۡ حَیۡثُ لَا تَرَوۡنَهُمۡ ؕ اِنَّا جَعَلۡنَا الشَّیٰطِیۡنَ اَوۡلِیَآءَ لِلَّذِیۡنَ لَا یُؤۡمِنُوۡنَ  হে আদম সন্তান! শাইতান যেন তোমাদেরকে সেরূপ প্রলুব্ধ করতে না পারে যেরূপ তোমাদের মাতা-পিতাকে (প্রলুব্ধ করে) জান্নাত হতে বহিস্কার করেছিল এবং তাদেরকে তাদের লজ্জাস্থান দেখানোর জন্য বিবস্ত্র করেছিল। সে (শাইতান) নিজে এবং তার দল তোমাদেরকে দেখতে পায়, অথচ তোমরা তাদেরকে দেখতে পাওনা। নিঃসন্দেহে আমি অবিশ্বাসীদের জন্য শাইতানকে বন্ধু ও অভিভাবক বানিয়ে দিয়েছি।  [আল-আরাফ: ২৭]। ডক্টর আব্দুল করিম ওবেদাত তার থিসিসে এই বিষয়ে বিস্তারিত আ...

বদরের যুদ্ধ : জাহিলিয়া’ যুগের বাতিল ঘোষণা।

 মৃদু কান্নার শব্দও যার শ্রবণ থেকে গোপন থাকে না, যার মহত্বের কাছে ক্ষমতাধর নরপতিরা হীন হয়ে গেছে।আমি সেই সর্বশক্তিমান আল্লাহর নামে শুরু করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, তিনি পূর্বের ও পরের সবার ইলাহ। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাঁকে তিনি সকল সৃষ্টিকুল থেকে বেঁছে নিয়েছেন, বদর প্রান্তরে ফেরেশতা দিয়ে সাহায্য করেছেন। আল্লাহ তাঁর উপর সালাত পেশ করুন, অনুরূপ তার পরিবার-পরিজন, সকল সাহাবী এবং কিয়ামত পর্যন্ত সুন্দরভাবে তাদের অনুসারীদের সবার উপর। আর তিনি তাদের উপর যথাযথ সালামও প্রদান করুন।8 ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বদরের দিন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, হে আল্লাহ্! আমি আপনার প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার পূরণ করার জন্য প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্! আপনি যদি চান (কাফিররা জয়লাভ করুক) তাহলে আপনার ‘ইবাদাত আর হবে না। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর হাত ধরে বললেন, যথেষ্ট হয়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত পড়তে পড়তে বের হলেনঃ ‘‘শীঘ্রই দুশমনরা পরাজিত হবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে’’...