সমাহিত সম্পদ/ধন দুটি ভাগে বিভক্ত:
1) একটি মূল্যবান সম্পদ/ধন।
2) অনাবিষ্কৃত সম্পদ/ধন।
মূল্যবান ধন:
এটি এমন একটি ধন যার মালিক জাদু এবং জ্বীনের ভৃত্যদের দ্বারা স্থাপন ও নজরদারি করে যাতে এটিকে হেফাজত করা যায় এবং দুষ্ট লোকদের হস্তক্ষেপ করার ঝুঁকি না থাকে। এই প্রকারটি অতীতে ফেরাউনদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছিল এবং তারপরে এটি জনপ্রিয় এবং ব্যাপক হয়ে ওঠে।
অনাবিষ্কৃত ধন:
কিছু মূর্খ মানুষ গুপ্তধন বের করে আনার জন্য কবিরাজ তান্ত্রিক জাদুকরদের সাহায্য নেয়।আর এই প্রতারক চক্র ঐ মূর্খ মানুষদের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের দিয়ে জঘন্যতম অপরাধ করায়। এইসব কালো যাদুর ক্ষেত্রে ছোট বাচ্চাদের ব্যবহার করা হয়। চুক্তির মাধ্যমে হয় তাদের শয়তান এর নামে বলি দেয়া হয় নয়তো দত্তক/আমানত হিসেবে রাখা হয়।
যদি শিশুটি আল্লাহ র ইচ্ছায় বেঁচে থাকে এবং সে আল জুহুরি আল সুলেমানি বংশের হয় তখন এখানে ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয় । অনেক শক্তিশালী শয়তান জ্বিনরা তাতে অংশ নেয়। তাদের লক্ষ্য থাকে -শিশুটির মৃত্যু।তাই তারা শিশুটির উপর ক্রমাগত অসুস্থতার জাদু করতে থাকে। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত কেউ কারোর ক্ষতি করতে সক্ষম নয়।
📌 সাধারণ রুকইয়ার পাশাপাশি সূরা আল বালাদ তিলাওয়াত করুন, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আল্লাহ র রাস্তায় দান করতে থাকুন। আল্লাহর জিকির দ্বারা ক্বলবকে পরিষ্কার করুন।কালো জাদু যত ভয়ংকর ই হোক না কেন আল্লাহ র ইচ্ছা ব্যতীত কেউ কারোর ক্ষতি করতে সক্ষম নয়। অতএব সেই মহান শক্তিশালী আল্লাহ র কাছে দোয়া করতে থাকুন ইনশাআল্লাহ@shornaabedin
Shorna Abedin

Comments
Post a Comment