Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Black Magic and The Al Quran

সিহর আল মোহাব্বত

 #SIHR_AL_MAHABBAH_AT_TIWALA  #Forced_Love #hindu_jinn #heart #WhiteMagic  ইবনে আই-আথিরের মতে, আত-তিওয়ালা হল এক প্রকার সিহর যা একজন পুরুষকে তার স্ত্রীকে ভালবাসতে বাধ্য করে। এই ধরণের কাজকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিরকের কাজ হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করেছেন। কিন্তু যারা এটি করে তারা বিশ্বাস করে যে এটি বৈধ সাদা যাদু আর না জেনে বা জেনে আল্লাহ র সাথে শিরক করে। অনেক কবিরাজ, এমনকি মসজিদের ইমাম সাধারণ মানুষকে রুকিয়ার কথা বলে #তাবিজ দেয়, অথচ এটি করতে তারা জ্বীন ও শয়তানের সাহায্য নেয়।সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে,রুকিয়াকে চিকিৎসার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করায় কোনো ক্ষতি নেই, যদি এতে বহুঈশ্বরবাদী কিছু না থাকে। অর্থাৎ আল্লাহর সাথে যদি শিরক করা না হয়ে থাকে। উপসর্গ 1. অত্যধিক ভালবাসা এবং আবেগ 2. যৌন মিলনের চরম ইচ্ছা 3. সহবাস করার জন্য তীব্র আকাঙ্ক্ষা 4. স্ত্রীর দৃষ্টিতে চরম লালসা 5. স্ত্রীর প্রতি অন্ধ আনুগত্য 6.কখনও কখনও এই সিহরের ফলে একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে, ক্বলবের ক্ষতি হয়। 7. কখনও কখনও সিহর বিপরীতমুখী হয় এবং পুরুষট...

ওয়াসওয়াসা

 মহানবী (স) বলেছেন, ظُنوا بِالْمُؤْمِنِينَ خَيْراً 'তোমরা কারো প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করো না। কেননা, খারাপ ধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।' (সহীহ বুখারী ৫১৪৩) মহানবী (স) আরো বলেন, الحَمْدُ لله الذي رَدَّ كَيْدَ الشيطان إلى الوَسْوَسَةِ 'সমস্ত প্রশংসা ওই আল্লাহর জন্য যিনি শয়তানের যাবতীয় চক্রান্ত ওয়াসওয়াসার ভিতরে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছেন।' (আবু দাউদ ৫১১২) অর্থাৎ, সন্দেহ সৃষ্টি করে, দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি করে শয়তান মানুষের অন্তরে কেবল গুনাহর কুমন্ত্রণা দিতে পারে, কিন্তু সে গুনাহ করাতে পারে না। ইবলিসের সরবরাহকৃত গুনাহগুলো রিসিভ করার জন্য আমাদের চারটি অঙ্গকে নফস কাউন্টার হিসেবে ব্যবহার করে। এরকম অঙ্গ- ১.চোখ  ২.জবান  ৩.কান  ৪.মস্তিষ্ক সুতরাং যদি আমরা এই চারটি অঙ্গের হেফাজত করতে পারি তাহলে ব্যভিচার ও গীবত কিংবা হারাম খাদ্য গ্রহণ করা থেকে শুরু করে কুফরি পর্যন্ত কোন গুনাহই আমাদের দ্বারা ইবলিস কিংবা নফস করাতে পারবে না, ইন শা আল্লাহ। একারণেই আল্লাহ তাআলা বলেন, وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُوْلَئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا যে বিষয়ে তো...

সূরা কাফিরুন

 #Surah_Al_Kafirun_Chapter_109 কিছু আধুনিকতাবাদী এই সূরার ভুল ব্যাখ্যা দেন এবং বিশ্বাস করেন যে এটি বহুবর্ষবাদকে উৎসাহিত করে,যে সমস্ত ধর্মই সত্য। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এর কোন ভিত্তি নেই। আসলে,এই সূরার মূল বক্তব্য সম্পূর্ণ বিপরীত। আমরা জানি কেন এই আয়াতগুলি নাযিল হয়েছে এবং বহুবর্ষজীবী দর্শনের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। বরং এই সূরার উদ্দেশ্য,ইসলামের সবচেয়ে মৌলিক নীতির সাথে কখনও আপস না করা: কোনো অংশীদার ছাড়াই একমাত্র আল্লাহ র ইবাদত করা এবং আল্লাহ র সব আদেশ মান্য করা। রাসূল (সাঃ) যখন মক্কায় তাওহীদের দাওয়াত শুরু করলেন, তখন মক্কার কুরাইশগণ নানা কৌশলে তাঁকে এই দাওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করল। আবু তালেবের কাছেও তারা একাধিকবার প্রতিনিধি পাঠিয়ে মুহাম্মাদ (সাঃ)কে সত্য দ্বীনের দাওয়াত থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। অমানষিক নির্যাতন করেও কোন কাজ হয় নি। এমন কি তারা মুহাম্মদ (স) কে আরবের বাদশাহ বানিয়ে দেয়ার প্রস্তাবও করেছিল। সকল প্রকার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এক নতুন কৌশল অবলম্বন করল। তারা তাওহীদের দাওয়াত ও কুফরীর মধ্যে একট আপোস ও মীমাংসার প্রস্তাব দিল। কুরাইশদের কাফের সম্প্রদা...

আল্লাহর আমানত

 #Surah_Al_Ahzab_Chapter_33 يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُوْلُوْا قَوْلًا سَدِيدًا O you who have believed, fear Allah and speak words of appropriate justice. হে ঈমানদারগণ,  তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল। অর্থাৎ, যেমন তীরকে সোজা করা হয় যাতে সঠিক নিশানার উপর লাগে, অনুরূপ তোমাদের মুখ থেকে বের হওয়া কথা ও তোমাদের কাজ- কারবারও সোজা ও সরল হবে।সত্যতা থেকে এক চুল বরাবর তা যেন বিচ্যুত না হয়। يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا He will bless your deeds for you, and forgive your sins. And whoever obeys Allah and His Messenger, has truly achieved a great triumph. আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের আমলগুলোকে ত্রুটিমুক্ত করবেন আর তোমাদের পাপগুলোকে ক্ষমা করে দিবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে সে সাফল্য লাভ করে- মহাসাফল্য। إِنَّا عَرَضْنَا الْأَمَانَةَ عَلَى السَّمَاتِ وَالْأَرْضِ وَ الْجِبَالِ فَأَبَيْنَ أَنْ يَحْمِلْنَهَا وَ اشْفَقْنَ مِنْهَا وَحَمَلَهَا الْإِنْسَانُ إ...

সূরা কাওসার

 #Surah_Kawthar_Chapter_108 إِنَّا أَعْطَيْنَكَ الْكَوْثَرَ ১. নিশ্চয় আপনাকে কাউছার (১) দান করেছি। (১) বিভিন্ন হাদীসে কাউসার ঝর্ণাধারার কথা বর্ণিত হয়েছে। আনাস রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদে আমাদের সামনে উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ তার মধ্যে তন্দ্রা অথবা এক প্রকার অচেতনতার ভাব দেখা দিল। অতঃপর তিনি হাসিমুখে মাথা উঠালেন। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ আপনার হাসির কারণ কি? তিনি বললেন, এই মুহূর্তে আমার নিকট একটি সূরা নাযিল হয়েছে। অতঃপর তিনি বিসমিল্লাহ সহ সূরা আল-কাউসার পাঠ করলেন এবং বললেন, তোমরা জান, কাউসার কি? আমরা বললাম, আল্লাহ্ তা'আলা ও তার রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, এটা জান্নাতের একটি নহর। আমার রব আমাকে এটা দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন। এতে অজস্র কল্যাণ আছে এবং এই হাউযে কেয়ামতের দিন আমার উম্মত পানি পান করতে যাবে। এর পানি পান করার পাত্র সংখ্যা আকাশের তারকাসম হবে। তখন কতক লোককে ফেরেশতাগণ হাউয থেকে হটিয়ে দিবে। আমি বলব, হে রব! সে তো আমার উম্মত। আল্লাহ তা'আলা বলবেন, আপনি জানেন না, আপনার পরে তারা নতুন মত ও পথ অবলম্বন করেছিল।”  [মুসলিম:...

সূরা আলে ইমরান

 #Surah_Al_Imran_Chapter_3 قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ (3:31) (O Messenger!) Tell people: 'If you indeed love Allah, follow me, and Allah will love you and will forgive you your sins.Allah is All-Forgiving, All-Compassionate.' সুরা আলে ইমরানের ১ থেকে ৬ আয়াতে রয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে কিতাব নাজিলের ঘোষণা।  ৭-৯ আয়াতে বলা হয়েছে কোরআন থেকে কারা উপদেশ লাভ করবে এবং কারা করবে না।  رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা।হে আমাদের রব! নিশ্চয় আপনি সমস্ত মানুষকে একদিন একত্রে সমবেত করবেন এতে কোন সন্দেহ নেই (১); নিশ্চয় আল্লাহ ওয়াদা খেলাফ করেন না।(আল কুরআন ৩:৮-৯) (১) শাফাআতের বিখ্যাত হাদীসে এসেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "আল্লাহ্ তা'আলা পূর্বাপর সকল...

ইসা(আ) এর আগমন

 #Surah_Maryam_Chapter_19_ঈসা_ইবনে_মারইয়াম_আঃ_এর_আগমণ_কিয়ামতের_বড়_আলামত  قَالَ إِنِّي عَبْدُ اللَّهِ اثْنِيَ الْكِتٰبَ وَ جَعَلَنِي نَبِيًّا وَ جَعَلَنِي مُبْرَكًا أَيْنَ مَا كُنْتُ وَ أَوْصَنِي بِالصَّلُوةِ وَ الزَّكُوةِ مَا دُمْتُ حَيًّا وَ بَرًّا بِوَالِدَتِي وَ لَمْ يَجْعَلْنِي جَبَّارًا شَقِيًّا وَ السَّلْمُ عَلَى يَوْمَ ولِدْتُ وَ يَوْمَ أَمُوْتُ وَ يَوْمَ ابْعَثُ حَيًّا শিশুটি(ঈসা) বলল, 'আমি তো আল্লাহর বান্দা; তিনি আমাকে কিতাব দিয়েছেন এবং আমাকে নবী বানিয়েছেন'। 'আর যেখানেই আমি থাকি না কেন তিনি আমাকে বরকতময় করেছেন এবং যতদিন আমি জীবিত থাকি তিনি আমাকে সালাত ও যাকাত আদায় করতে আদেশ করেছেন'। 'আর আমাকে মায়ের প্রতি অনুগত করেছেন এবং তিনি আমাকে অহঙ্কারী, অবাধ্য করেননি'। 'আর আমার উপর শান্তি, যেদিন আমি জন্মেছি এবং যেদিন আমি মারা যাব আর যেদিন আমাকে জীবিত অবস্থায় উঠানো হবে'। (আল-কোরআন:সূরাহ মরিয়ম) আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের বিশ্বাস এই যে, ঈসা (আঃ)কে আল্লাহ তা'আলা জীবিত অবস্থায় আকাশে উঠিয়ে নিয়েছেন। ইহুদীরা তাকে হত্যা করতে পারেনি। কিয়ামতের পূর্ব মুহূর্তে তি...

মুমিনের আচরণ

 #Surah_Al_Baqarah_Chapter_2_ayat_156_মুমিনের_উপর_বিপদ_আপতিত_হলে الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُمْ مُّصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَجِعُوْنَ Who, when disaster strikes them, say, "Indeed we belong to Allah, and indeed to Him we will return." যাদের উপর কোন বিপদ নিপতিত হলে তারা বলে, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। 🌳সবরকারীগণের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তারা বিপদের সম্মুখীন হলে 'ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন' পাঠ করে। এর দ্বারা প্রকৃতপক্ষে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে যে, কেউ বিপদে পড়লে যেন এ দোআটি পাঠ করে। কেননা, এরূপ বলাতে একাধারে যেমন অসীম সওয়াব পাওয়া যায়, ঠিক তেমনি যদি এ বাক্যের অর্থের প্রতি যথার্থ লক্ষ্য রেখে তা পাঠ করা হয়, তবে বিপদে আন্তরিক শান্তি লাভ এবং তা থেকে উত্তরণও সহজতর হয়ে যায়। দোআটির অর্থ হচ্ছে, "নিশ্চয় আমরা তো আল্লাহরই। আর আমরা তার দিকেই প্রত্যাবর্তন করব।”  সুতরাং আল্লাহ্ তা'আলা যদি আমাদের কোন কষ্ট দেন তবে তাতে কোন না কোন মহৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। তার উদ্দেশ্যকে সম্মান করতে পারা একটি মহৎ ক...

কখনও হতাশ হবেন না

 #surah_yusuf_chapter_12_ayat_86_লা_তাহযান_হতাশ_হবেন_না قَالَ إِنَّمَا أَشْكُوا بَنِي وَ حُزْنِي إِلَى اللَّهِ وَ أَعْلَمُ مِنَ اللَّهِ مَا لَا تَعْلَمُوْنَ (12:86) He said: "I will address my sorrow and grief only to Allah, and I know from Allah what you do not know. ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেছেন, "ঈমান ও পরিতৃপ্তি থেকেই শান্তি ও সাহায্য আসে। সন্দেহ ও ক্রোধ থেকে দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা ও দুঃখ-কষ্ট আসে।" তিনি আরো বলতেন- "ধৈর্যশীল সর্বোত্তম লক্ষ্য অর্জন করে।" আব্বান ইবনে তাগলাব বলেছেন- "আমি এক মরুবাসী আরবকে বলতে শুনলাম যে সে বলছে, যখন কেউ অগ্নিপরীক্ষার সম্মুখীন হয়ে সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য ধৈর্য ধরে তখন সর্বাপেক্ষা মহত্তম একটি গুণ প্রকাশিত হয়; তার ধৈর্য ও আশা তার উপর আশাপ্রদ প্রভাব ফেলে; এ যেন সে সদা নিজেকে সমস্যা থেকে রক্ষিত হতে দেখে;  আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও তার সম্বন্ধে তার সুধারণার কারণে তার মানসিক অবস্থা এতটাই উচ্চমাত্রায় আশাপ্রদ (ও বাঞ্ছিত)। যখন কারো এসব গুণ থাকে তখন আল্লাহ তার হাজত(প্রয়োজন) পূর্ণ করে দিবেন ও তার জীবন থেকে সংকট(দুঃখ-কষ্ট-অভাব-অনটন ও স...

উমর ইবনুল খাত্তাব

 #উমর_ইবনুল_খাত্তাব_গ্রিক_বীর_আলেকজান্ডার_এর_থেকেও_বেশি_সাম্রাজ্যের_অধিকারী_ছিলেন_মহান_আল্লাহর_ইচ্ছায় #উমর_ইবনুল_খাত্তাব_রাদিআল্লাহু_আনহু_যাকে_ইবলিশও_ভয়_পায় দু'টি সারি বেঁধে মুসলমানরা কা'বায় প্রবেশ করল, একটির নেতৃত্বে ছিলেন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু, অপরটির নেতৃত্বে হামযা রাদিয়াল্লাহু আনহু, কুরাইশরা যখন তাঁদের দেখল, তাদের চোখে-মুখে চরম বিষন্নতা ও হতাশার ছাপ ফুটে উঠল যা আগে কখনো দেখা যায় নি।সেদিন আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে 'আল ফারুক' উপাধি দিলেন; কারণ সেদিন ইসলাম প্রকাশ্যে আত্মপ্রকাশ করেছিলো এবং সত্য ও মিথ্যার মাঝে পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছিল। 📌বিজয়ের 15 বছরে আলেকজান্ডার 32,000-47,000 পদাতিক এবং 5,100 অশ্বারোহী বাহিনী নিয়ে 1.7 মিলিয়ন বর্গমাইল ভূমি জয় করেছিলেন। অন্যদিকে, আল্লাহর ইচ্ছায় হযরত ওমর ফারুক রাদিআল্লাহু আনহু 10 বছরে একটি অসংগঠিত সেনাবাহিনী নিয়ে তৎকালীন পরাশক্তি রোম ও পারস্য সহ 2.2 মিলিয়ন বর্গমাইল ভূমি জয় করেন। প্রাচীন কালের কোন শাসকের কাছে হজরত ওমর رضى الله عنه-এর মতো বিশাল ক্ষেত্র ছিল না যা তিনি শুধু ঘোড়ার পিঠে বসেই জয় করেননি ব...

মুহাম্মদ(স) এর বক্ষ বিদারণ

 #মুহাম্মদ_সাল্লাল্লাহু_আলাইহি_ওয়াসাল্লাম_এর_বক্ষ_বিদারণ: দ্বিতীয় দফায় হালীমার নিকটে আসার পর জন্মের চতুর্থ কিংবা পঞ্চম বছরে শিশু মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সীনা চাক বা বক্ষ বিদারণের বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। ব্যাপারটি ছিল এই যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথীদের সাথে খেলছিলেন। এমন সময় ফেরেশতা জিবরাঈল আলাইহিস সালাম এসে তাকে কিছু দূরে নিয়ে বুক চিরে ফেলেন। অতঃপর কলীজা বের করে যমযমের পানি দিয়ে ধুয়ে কিছু জমাট রক্ত ফেলে দেন এবং বলেন,هَذَا حَظُّ الشَّيْطَانِ مِنْكَ ‘এটি তোমার মধ্যেকার শয়তানের অংশ’। অতঃপর বুক পূর্বের ন্যায় জোড়া লাগিয়ে দিয়ে তিনি অদৃশ্য হয়ে যান। পুরা ব্যাপারটি খুব দ্রুত সম্পন্ন হয়। সাথী বাচ্চারা ছুটে গিয়ে হালীমাকে খবর দিল যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিহত হয়েছে। তিনি ছুটে এসে দেখেন যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মলিন মুখে দাঁড়িয়ে আছে’।[1] হালীমা তাকে বুকে তুলে বাড়ীতে এনে সেবা-যত্ন করতে থাকেন। এই অলৌকিক ঘটনায় হালীমা ভীত হয়ে পড়েন এবং একদিন তাঁকে তার মায়ের কাছে ফেরত দিয়ে যান। তখন তার বয়স ছিল ছয় বছর। তাঁর দ্বিতীয়বার...

চিরস্থায়ী আট জান্নাতের সুসংবাদ

 #চিরস্থায়ী_আট_জান্নাতের_সুসংবাদ_ও_ফিতনা__কিয়ামতের_আলামত আল কুরআনে আট ধরনের #জান্নাতের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ফিরদাউসঃ এ জান্নাত সম্বন্ধে মহান আল্লাহ বলেছেন, নিশ্চয় যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তাদের অভ্যর্থনার জন্য আছে ফিরদাউসের উদ্যান। সেথায় তারা স্থায়ী হবে; এর পরিবর্তে তারা অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হওয়া কামনা করবে না। (কাহ্‌ফঃ ১০৭-১০৮)। অবশ্যই বিশ্বাসিগণ সফলকাম হয়েছে। যারা ... তারাই হবে উত্তরাধিকারী। উত্তরাধিকারী হবে ফিরদাউসের; যাতে তারা চিরস্থায়ী হবে। (মু'মিনূনঃ ১-১১)। আনাস (রাঃ) বলেন, উম্মে রুবাইয়ে’ বিন্তে বারা’ যিনি হারেষাহ ইবনে সূরাকাহর মা, তিনি নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে হারেষাহ সম্পর্কে কিছু বলবেন না? সে বদরের দিনে খুন হয়েছিল। যদি সে জান্নাতী হয়, তাহলে ধৈর্য ধারণ করব, অন্যথা তার জন্য মন ভরে অত্যাধিক কান্না করব।' তিনি বললেন, “হে হারেষার মা! জান্নাতের মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের জান্নাত আছে। আর তোমার ছেলে সর্বোচ্চ ফিরদাউস (জান্নাতে) পৌছে গেছে।” (বুখারী) মহানবী (ﷺ) বলেন, “অবশ্যই জান্নাতে একশ’টি দরজা (মর্যাদা) রয়েছে, যা আল্লাহ তার পথে জিহাদকার...

Allahu Akbar

 #আল্লাহু_আকবর_যিকিরের_দর্শন  #আল্লাহু_আকবর হল সবচেয়ে মহৎ বাক্যগুলির মধ্যে একটি। কিন্তু আপনি যখন গুগলে "আল্লাহু আকবরের অর্থ" লিখবেন, প্রথম অনুসন্ধান ফলাফল আপনাকে জিহাদ ওয়াচ, ব্রিটবার্ট এবং আরবান অভিধানে নিয়ে যাবে। জিহাদ ওয়াচ আপনাকে বলে যে আল্লাহু আকবর হল "ইসলামী জিহাদিদের সর্বব্যাপী যুদ্ধ ঘোষণা কারণ তারা গণহত্যা করে।" আল্লাহু আকবার সম্পর্কে আরবান ডিকশনারির একটি সংজ্ঞা, যা ইন্টারনেটের সবচেয়ে প্যাসিভ আগ্রাসী ব্যবহারকারীদের আবাসস্থল, "মানুষের দ্বারা যা বলা হয় ঈশ্বরের নামে অভিযুক্তদের শিরশ্ছেদ করা হয়।" এবং ব্রেটবার্ট, গড় রক্ষণশীলদের জন্য সর্বনাশ ও গ্লামের অশুভ নবী, জোর দিয়ে বলেছেন যে আল্লাহু আকবর মানে "আল্লাহ আপনার ঈশ্বর বা সরকারের চেয়ে মহান।" তাকবীর-অর্থাৎ আল্লাহু আকবার- আরবি বাক্যের অর্থ "আল্লাহ মহান।" কিন্তু পশ্চিমা ইসলাম বিদ্বেষীদের কাছে তাকবির একটি ভয়ঙ্কর জিনিস। আল্লাহ বলেন, وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ (সূরা আনকাবূত ৪৫ আয়াত) আল্লাহু আকবর হল আল্লাহর মহিমার ঘোষণা, এবং তাঁর মহিমার কাছে আমাদের আত্মসমর্পণের প্রতিজ্ঞা। আমরা আল্লাহ...

সূরা কাহাফ_জ্ঞানীদের জ্ঞানরাজ্য

 #Surah_Kahf_A_Masterpiece_Of_Philosophy  #সূরা_কাহাফ_জ্ঞানীদের_জ্ঞান_রাজ্য #সূরা_কাহাফ_প্রথম_পর্ব  আয়াত ৩৯-৪৬ وَ لَوۡ لَاۤ اِذۡ دَخَلۡتَ جَنَّتَكَ قُلۡتَ مَا شَآءَ اللّٰهُ ۙ لَا قُوَّۃَ اِلَّا بِاللّٰهِ ۚ اِنۡ تَرَنِ اَنَا اَقَلَّ مِنۡكَ مَالًا وَّ وَلَدًا (আয়াত -৩৯) আর যখন তুমি তোমার বাগানে প্রবেশ করলে, তখন কেন তুমি বললে না, ‘মাশাআল্লাহ’! আল্লাহর তৌফিক ছাড়া কোন শক্তি নেই। তুমি যদি দেখ যে, আমি সম্পদে ও সন্তানে তোমার চেয়ে কম, এ আয়াত থেকে সালফে সালেহীনের কেউ কেউ বলেনঃ কোন পছন্দনীয় বস্তু দেখার পর যদি (مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ) বলে দেয়া হয়, তবে কোন বস্তু তার ক্ষতি করে না। [ইবন কাসীর] অর্থাৎ পছন্দনীয় বস্তুটি নিরাপদ থাকে বা তাতে চোখ লাগার মত ক্ষতি হয় না। সহীহ হাদীসেও এ আয়াতের মত একটি হাদীস এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে বললেনঃ “আমি কি তোমাকে জান্নাতের একটি মূল্যবান সম্পদের সন্ধান দেব না? সেটা হলো: “লা হাওলা ওলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।” [বুখারী: ৬৩৮৪, মুসলিম: ২৭০৪] আবার কোন কোন বর্ণনায় বলা হ...