Skip to main content

Posts

Ruqyah-Induced Hyperarousal: Critical Neuropsychological Phase

দীর্ঘ রুকিয়ার Critical Phase: Neuro-Spiritual Sensitization রুকিয়ার দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ায় একটি critical phase উপস্থিত হয়, যখন প্রধান ইফ্রিদ (The Guardian of Iblis Soldiers) ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এই সময়ে রোগীর স্নায়বিক এবং মানসিক সংবেদনশীলতা (neuro-sensory hyperarousal) বৃদ্ধি পায়। ফলস্বরূপ— Autonomic nervous system সক্রিয় হয়ে যায় (Alert mode / sympathetic overactivation) শরীরের প্রতিটি অনুভূতি hyper-aware হয় Cognitive load বৃদ্ধি পায়, এবং মন স্থিতিশীলতা হারাতে পারে এটি একটি স্বাভাবিক transient neuro-psychological response যা ভয়ের কারণে নয়, বরং রুকিয়ার গভীর প্রভাবের প্রতিফলন। Stabilization Protocol: Neuro-Psychological Support এই critical phase-এ রোগীকে মানসিক ও শারীরিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে সহায়ক: সূরা আদ্-দুহা ধীর, কোমল স্বরে শোনা (auditory calming stimulus) গভীর শ্বাস গ্রহণ (diaphragmatic breathing) Cognitive reassurance / self-affirmation ৩–৪ বার মনে মনে বলা:  “আমার চারপাশে কোনো শত্রু নেই। আল্লাহর রহমত আমাকে ঘিরে রেখেছে। আমি সম্পূর্ণ নিরাপদ।” এই প্রক্রিয়াটি parasymp...

After-Ruqyah Nervous Reset Routine

Day 1 — Stabilization  (শরীরকে নিরাপত্তা সিগন্যাল দেওয়া) সকাল ঘুম থেকে উঠে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানি ৫ মিনিট শান্ত বসে থাকুন শ্বাস: 4 সেকেন্ড নিন → 6 সেকেন্ড ছাড়ুন (৫ মিনিট) কুরআনি অংশ (হালকা) সূরা রা‘দ ২৮ — ৩ বার > “أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ” “জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়।” দুপুর স্বাভাবিক খাবার (লবণ একেবারে বাদ নয়) ১০–১৫ মিনিট হালকা হাঁটা সন্ধ্যা গরম তোয়ালে ঘাড়/মাথার পেছনে ৫–৭ মিনিট স্ক্রিন কমান রাত সূরা ইনশিরাহ — ৩ বার শোবার আগে BP মাপার দরকার নেই Day 2 — Release  (নার্ভ ও রক্তনালীর টান ছেড়ে দেওয়া) সকাল পানি Occipital nerve release বসে মাথা ধীরে সামনে ঝুলান ৩০–৪০ সেকেন্ড ২ বার কুরআনি অংশ সূরা আদ-দুহা — ১ বার সূরা ইনশিরাহ — ১ বার (আজ বেশি পড়বেন না) দুপুর চা/কফি এড়িয়ে চলুন হালকা খাবার চোখ বন্ধ করে ৩ মিনিট শুধু শ্বাস লক্ষ্য করুন সন্ধ্যা ঘাড়–কাঁধ ঢিলা রাখুন কোনো রুকিয়া ভিডিও/উচ্চ তিলাওয়াত নয় রাত ৪-৭ শ্বাস 4 সেকেন্ড নিন → 7 সেকেন্ড ছাড়ুন (৫ মিনিট) Day 3 — Integration  (শরীর নিজে নিজে কাজ করতে শেখা) সকাল পানি ৫ মিনিট চুপচাপ বসা (কিছু পড়বে...

After Ruqyah Phase

  #দীর্ঘ_রুকিয়ার পর শরীরে থাকা জ্বিন(Chief &Servants)ধ্বংস হওয়ার পর রোগীর করণীয়় অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি রুকিয়ার মাধ্যমে জ্বিন শরীর থেকে বের না হয়ে, আল্লাহর আদেশে শরীরের ভেতরেই ধ্বংস/মৃত্যুবরণ করে। এই পর্যায়ে রোগী বাহ্যিকভাবে ভালো থাকলেও ভেতরে কিছু উপসর্গ অনুভব করতে পারে। এটা ব্যর্থতা নয়— এটা শিফার পরবর্তী ধাপ (Post-Ruqyah Phase)। আপনি বহুবছর রুকিয়া করছেন, প্রতিদিন সূরা বাকারা শুনছেন, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছেন। কিন্তু এখনও মনে হচ্ছে মস্তিষ্ক শান্ত নয়, মাথা ব্যথা করছে, ভেতরের অস্থিরতা কমছে না।  কেন হয়? দীর্ঘমেয়াদি রুকিয়া ও জ্বিনের প্রভাব নাড়ি ও মস্তিষ্ককে হাই-অ্যালার্ট মোডে রাখে। টানা সূরা বাকারা শোনা কখনো কখনো মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে। করণীয়: 1. সূরা বাকারা শোনার পদ্ধতি বদলান পুরোটা প্রতিদিন না শুনে ২ দিন শুনুন → ১ দিন বিরতি। ফজরের পর অর্ধেক, মাগরিবের পর অর্ধেক শুনুন। 2. শান্তি-কেন্দ্রিক আয়াত যোগ করুন ﴿أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ﴾ (রা‘দ ১৩:২৮) সূরা দুআহা (৯৩) ও সূরা ইনশিরাহ (৯৪) মস্তিষ্ককে শান্ত করে। 3. মাথাব্যথার জন্য দুআ العربية: اللَّهُمَّ ا...

Dajjalic Concepts and the Use of Black Magic: A Psychological and Scientific Analysis

  আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: ‘‘আমি তোমাদেরকে দাজ্জালের বিষয়ে একটি কথা বলব যা কোনো নবী তাঁর জাতিকে বলেন নি; তা হলো যে, দাজ্জাল কানা। আর সে তার সাথে জান্নাত ও জাহান্নামের নমুনা নিয়ে আসবে। যাকে সে জান্নাত বলবে সেটিই জাহান্নাম।’’ *মুসলিম, আস-সহীহ ৪/২২৫০ (কিতাবুল ফিতান..., যিকরিদ্দাজ্জাল) দাজ্জাল ও কালো জাদুর Psychological সম্পর্ক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ইসলামী শিক্ষায় দাজ্জালকে মহা প্রতারক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যিনি কিয়ামতের পূর্বে মানুষের ঈমান, বোঝাপড়া ও বিচারশক্তি পরীক্ষা করবেন। দাজ্জালের ক্ষমতা মূলত মানুষের বিশ্বাস, ঈমান এবং মানসিক দুর্বলতার উপর নির্ভর করে। অন্যদিকে, কালো জাদু (black magic) বাস্তব জগতে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এবং তাদের জীবন, শারীরিক ও মানসিক অবস্থায় প্রভাব ফেলতে ব্যবহৃত হয়। এ দুই ধারণার মধ্যে গভীরভাবে psychological মিল বিদ্যমান। ১. কালো জাদুর ব্যবহার ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কালো জাদু বা occult practice প্রায়শই ritually মানুষের belief system প্রভাবিত করে। এর মূল উদ্দেশ্য fear, hope বা devotion-এর মাধ্যমে perception পরিবর্তন করা। বৈজ্ঞানিকভাবে এটি...

Gheebat / Backbiting: A Psychological and Behavioral Disorder

 গীবত: একটি মানসিক ও আচরণগত সমস্যা (Gheebat / Backbiting: A Psychological and Behavioral Disorder) সারসংক্ষেপ (Abstract): গীবত, বা অন্যের পেছনে নেতিবাচক মন্তব্য করা, শুধুমাত্র সামাজিক বা নৈতিক সমস্যা নয়; এটি একটি মানসিক ও আচরণগত সমস্যার (psychological and behavioral disorder) দিক থেকে বিশ্লেষণযোগ্য। আধুনিক মনোবিজ্ঞান ও সাইকিয়াট্রির গবেষণায় দেখা গেছে, গীবত সাধারণত ব্যক্তির আত্মসম্মান, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। মানসিক ও নিউরোবায়োলজিক্যাল বিশ্লেষণ গীবতের আচরণ প্রায়শই নিম্নলিখিত মানসিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত: 1. আত্মসংশয় ও নিম্ন আত্মসম্মান (Insecurity & Low Self-Esteem): যারা নিজের সামাজিক মর্যাদা বা আত্মমর্যাদা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছে, তারা প্রায়শই অন্যকে ছোট করার মাধ্যমে মানসিক সমর্থন খোঁজে। 2. উচ্চ স্ট্রেস ও উদ্বেগ (Elevated Stress & Anxiety): আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী মস্তিষ্কের অংশ Amygdala অতিমাত্রায় সক্রিয় হলে নেতিবাচক সামাজিক প্রতিক্রিয়া, যেমন গীবত, বৃদ্ধি পায়। 3. কগনিটিভ ডিসনান্স (Cognitive Dissonance): নৈতিক মূল্যবোধ এবং আচরণের ...

Evil Eye & Hasad: The Invisible Black Magic Syndrome of Human Envy

  "বদনজর ও হিংসা" কি কালো যাদুর আর এক রূপ? একটি Psychological × Spiritual Reality Check হিংসা—Envy—শুধু একটি নৈতিক দুর্বলতা নয়; এটি মানুষের আত্মা, মন ও দেহে এমন একটি psychospiritual impact সৃষ্টি করতে পারে, যা পরবর্তী ধাপে কালো যাদুর দরজা খুলে দেয়। বিস্ময়কর বিষয় হল: যারা প্রকৃত অর্থে হিংসুটে, তারাই সবচেয়ে বেশি দাবি করে— “সবার হিংসাই আমার বিরুদ্ধে!” এটি Psychology-তে Projection Defence Mechanism নামে পরিচিত। নিজের নোংরা অনুভূতিকে অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে তারা নিজের দোষ লুকাতে চায়। কিন্তু সমস্যাটি এখানেই শেষ হয় না। হিংসা কিভাবে জাদুর দরজা খুলে দেয়? (Mechanism Explained) ১. Emotional Toxicity → Spiritual Vulnerability যখন একজন মানুষ দীর্ঘদিন ধরে হিংসা, resentment, anger বহন করে, তখন তার মন ও রূহ এমন এক অবস্থায় যায়, যাকে আধুনিক গবেষণায় বলা হয়: Chronic Negative Affective State। এই অবস্থায় তিনটি পরিবর্তন ঘটে— Heart-brain axis imbalance High cortisol secretion Weak spiritual boundary এর ফলে মানুষের নিজেদের রূহানি প্রতিরক্ষা দুর্বল হয়ে যায়। এটিই সে পয়েন্ট যেখানে বদনজর...

Black Magic Vulnerability - Scientific Profile.

  বর্তমান নিউরোসায়েন্স ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি অনুযায়ী, জাদুর আঘাত সাধারণত তিন ধরনের মানুষের ওপর বেশি দেখা যায়। এগুলো পুরোপুরি মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র ও মনস্তাত্ত্বিক প্রতিক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত: ১️⃣ High Sensory Processing Individuals বিজ্ঞানের ভাষায় যাদের বলে: HSP (Highly Sensitive Person) অথবা High Sensory Processing + REM Intrusion। এই ব্যক্তিদের মস্তিষ্কে— Amygdala বেশি সক্রিয় (fear + intuition center) REM sleep boundary দুর্বল (স্বপ্ন-বাস্তবের মাঝের দরজা পাতলা) Electrical sensitivity বেশি ফলে তারা— “energy disturbance” দ্রুত অনুভব করে শরীর-মন বাহিরের প্রভাব দ্রুত গ্রহণ করে অদৃশ্য হুমকি বা negative stimuli তে বেশি প্রতিক্রিয়া দেখায় 👉 ফল: এ ধরনের মানুষ negative spiritual attack সহজে টের পায় এবং আক্রান্ত হলে গভীরভাবে অনুভব করে। ২️⃣ Trauma-linked Neurological Weak Points দীর্ঘদিনের চাপ, দুঃখ, abuse, বা শারীরিক অসুস্থতা থাকলে মস্তিষ্কের তিনটি অংশ দুর্বল হয়— Prefrontal Cortex (decision + protection) Hippocampus (memory + grounding) Vagal System (শরীরের সুরক্ষা অ্যালার্ম) এই ত...

Nightmare Disorder or REM Hijacking

  #REM_Hijacking কী? ঘুমের মধ্যে আমাদের মস্তিষ্কে চারটি প্রধান সাইকেল থাকে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো REM Sleep (Rapid Eye Movement)। এই পর্যায়ে— সবথেকে জীবন্ত স্বপ্ন দেখা হয় unconscious mind information process করে emotional healing ঘটে memory reorganize হয় REM Hijacking মানে: জাদুর মাধ্যমে আপনার REM sleep পর্যায়টি বাহ্যিক শক্তি (like jinn networks) দ্বারা intercept করা বা manipulate করা। ফলে আপনার স্বপ্ন আর normal থাকে না—বরং programmed হয়ে যায়। এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি scientific এবং spiritual দুটোর সমন্বয়। #REM_Hijacking কিভাবে কাজ করে? **1. যেই মুহূর্তে আপনি REM phase-এ ঢুকেন— জাদুর একটি নির্দিষ্ট layer এই phase-টাকেই target করে।** কারণ— মানব আত্মা এই সময়ে বেশি সংবেদনশীল perception doorway খোলা থাকে subconscious mind receptive থাকে এটাই জিনদের প্রবেশের আদর্শ সময়। 2. স্বপ্নের natural flow cut-off করে “inserted imagery” ঢুকিয়ে দেয় আপনার স্বপ্ন normalভাবে শুরু হলেও একসময় তা injected visions-এ রূপ নেয়। উদাহরণ: ভয় সাপ পানি অচেনা লোক আগুন বা বিশেষ symbols এগুলো n...

Case History Report (multilayered black magic)

 Case History Report — 30+ Years of Multi-Layered Black Magic, Divine Rescue & Clinical Observations (For awareness – to prevent people from falling into shirk, taweez and fraudulent healers) আমি বহু বছর ধরে Ruqyah-based Spiritual Disorders নিয়ে গবেষণা করছি। নিচের কেসটি আমি শেয়ার করছি কারণ— এ ধরনের দীর্ঘমেয়াদী suffering-এ থাকা মানুষরা প্রায়ই হাল ছেড়ে দেন, অথবা ভুল পথে—শিরক, তাবিজ, জাদুকর/তান্ত্রিক/কবিরাজ—এর দিকে ঝুঁকে পড়েন। এই কেসটি দেখায়: সঠিক তাওহিদ + ধৈর্য + বৈজ্ঞানিক বোঝাপড়া + আল্লাহর রহমত = মুক্তির পথ। 🔷 Patient Case Summary বয়স: ৩০+ শৈশব থেকে unexplained suffering Multiple Rakis consulted → symptom relief but no full breakthrough Medical tests mostly normal Symptoms aligned with Chronic Spiritual Binding + Neuro-Stress Cycle Activation বহু বছরের পর্যবেক্ষণে বুঝা যায়— এটি সাধারণ sihr নয়। এটি অত্যন্ত গভীর ও rare ধরনের multi-site distributed sihr, যা সাধারণ রুকইয়াতে পুরোপুরি ভাঙে না। 🔷 A Critical Dream Report After Fajr (Clinically Relevant) ফজরের নামাজের পর রোগী এ...

Mind-Soul-Magic

  নফস বা আবেগ ভিত্তিক কালো জাদু (Black Magic / Sihr-e-Aswad) বিশেষভাবে মানুষের আবেগ, নফস ও রূহকে প্রভাবিত করার জন্য করা হয়। স্বপ্নে দেখা কুয়া, জমজমের পানি,কান্না করা, চোখের পানিতে ডুবে যাওয়া ইত্যাদি এই জাদুর প্রতীক। কারণ: 1. প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ঈর্ষা – প্রেম, ব্যবসা বা পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে। 2. শয়তানি প্রভাব – মানুষের নফস ও আবেগ বিকৃত করার জন্য। 3. ব্যক্তিগত ক্ষতি – আত্মিক শান্তি, প্রার্থনা ও ইবাদতের ওপর বাধা সৃষ্টি করা। প্রভাব: আবেগ বা নফসের ওপর অশুভ চাপ: অতিরিক্ত ক্রোধ, বিষণ্নতা, আতঙ্ক বা কান্না। আত্মিক শক্তি ও ধৈর্য হ্রাস। নফস ও আবেগ বিকৃত হয়ে আল্লাহর নূরের কাছ থেকে দূরে থাকা। কারা করে: 1. কালো যাদুকর বা অভিজ্ঞ রূহানী মানুষ 2. জিন/শয়তানি শক্তি ব্যবহারকারী গোষ্ঠী  3. নফস ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে ক্ষতি করতে চাওয়া মানুষ উদ্দেশ্য: মানুষের নফস ও আবেগকে দুর্বল করা। আত্মিক শান্তি ও প্রার্থনা নষ্ট করা। আত্নাকে আল্লাহর নূরের থেকে দূরে রাখা। রুকিয়া ও প্রতিকার: 1. প্রস্তুতি: ওযু রাখা, নিয়ত শুদ্ধ করা: শান্ত পরিবেশ ও আলোর ব্যবস্থাপনা। 2. সূরা ও আয়াত: সূরা আল-ফাতিহা: ৭ বার পড়া, ন...

“কালো পুতুলের জাদু মুক্তির রুকিয়া”

 “কালো পুতুল” (Black Doll) দিয়ে করা Black Magic বা কুশিল্প (سحر) পৃথিবীর বহু অঞ্চলে প্রচলিত এক ভয়ংকর প্রকারের তাবিজ ও প্রতীকভিত্তিক জাদু (symbolic sihr)। এটি সাধারণত “Voodoo-type Sihr”, “Representation Magic” বা “Puppet Sorcery” নামে পরিচিত। নিচে এর উৎস, উদ্দেশ্য, কাজের প্রক্রিয়া ও ইসলামিক বিশ্লেষণসহ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো— 🌑 ১. উৎস ও ধারণা “কালো পুতুল” দিয়ে জাদু করার ধারণা এসেছে মূলত: আফ্রিকান ও ক্যারিবিয়ান Voodoo tradition থেকে; পরবর্তীতে মিশর, ভারত, ইয়েমেন ও সুদানে জিন ও মন্ত্রের মাধ্যমে এটি ইসলামী জগতে প্রবেশ করে; আজ এটি “তাসবিহি সিহর” (symbolic imitation) বা “تمثيلي السحر” নামে পরিচিত—যেখানে জাদুকর কোনো মানুষকে প্রতীকী বস্তুর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করে। ⚫ ২. পুতুলের ব্যবহার পদ্ধতি  ধাপ ১: প্রতিনিধিত্ব তৈরি জাদুকর (বা জাদুকারিণী) প্রথমে আক্রান্ত ব্যক্তির কিছু ব্যক্তিগত জিনিস সংগ্রহ করে— যেমন: চুল, নখ, রক্ত, কাপড়ের টুকরো, ছবি, বা নাম এসবকে সে “নিয়্যত” (intent) সহ এক পুতুলে জড়িয়ে ফেলে যেন এটি ঐ ব্যক্তির প্রতিনিধিত্ব করে। ধাপ ২: পুতুলে রুহানি সংযোগ এরপর জাদুকর জিন ব...

কবরের জাদু নষ্টের রুকিয়া

#কবরের_জাদু (سحر القبور) কিভাবে করা হয়: জাদুকররা মৃত মানুষের হাড়, কাপড় বা কবরের মাটি ব্যবহার করে।  মানুষ বা পশুপাখির মৃতদেহের অংশ নিয়ে রিচুয়াল করে। মৃত নারীর গোপনাঙ্গে যাদুর জিনিস রেখে দাফন করে। মেয়েদের মাসিকের রক্ত বা ছেলেদের বীর্য ব্যবহার করে গোরস্থানে জাদু দাফন করে। মৃতের কাফনের কাপড় চুরি করে যাদু সম্পন্ন করে। 👉শয়তানি মন্ত্র পড়ে এগুলোকে বাঁধন (عقد) আকারে গোপনে কবরের ভেতরে বা পাশে মাটির নিচে পুঁতে রাখে।কবরের সাথে জিনদের চুক্তি করানো হয় যাতে তারা ওই জাদুর প্রভাবকে মৃতের আত্মার নামে চালিত করে জীবিত মানুষের উপর আনে। #কারণ: মানুষকে মৃত্যুভয় ও হতাশায় নিমজ্জিত করা। রিজিক বন্ধ করা।আয় রোজগার বন্ধ করা। কাউকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা। বিয়েতে বিঘ্ন ঘটানো। পরিবারের মাঝে অশান্তি, স্বামী স্ত্রীর বিচ্ছেদ ঘটানো। হঠাৎ রোগব্যাধির প্রকোপ বেড়ে যাওয়া, অজানা রোগ নির্ণয় হওয়া। আল্লাহর ইবাদত থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। জাদুকরের উদ্দেশ্য—কাউকে কষ্ট দেওয়া বা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা। #লক্ষণ: হঠাৎ রোগব্যাধির প্রকোপ বেড়ে যাওয়া, অজানা রোগ নির্ণয় হওয়া। অকারণে সবার সাথে ঝগড়াঝাঁটি হওয়া। মেজাজ ...

Paranormal Case History 1

 প্রশ্ন:সূরা বাকারা তিলাওয়াত শোনার সময় অচেতন হয়ে যাই, তখন দেখি, অন্ধকারে একটা লোক একটা তরবারি নিয়ে তাতে রক্ত ঢালছে। তারপর পাখির রক্ত দিয়ে তরবারির উপর প্রাচীন সংকেত লিখছে ।একটা কালো পুতুল যাতে আমার ছবি লাগানো ছিল তার গলা কেটে তরবারি মাটির নিচে দাফন করে রাখে। উত্তর:আপনার বর্ণনা মিলিয়ে এর মূল উপবিভাগগুলো (primary types) — 1. Effigy / Poppet Magic (ছবি-সংবলিত পুতুল-যাদু) পুতুলে আপনার ছবি লাগানো এবং পুতুলে করা আঘাত সরাসরি “sympathetic magic” — লক্ষ্য ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে করা হয়। উদ্দেশ্য: লক্ষ্য ব্যক্তির ওপর যেভাবে পুতুলকে আঘাত করা হয়, তেমন প্রভাব সৃষ্টি করা। 2. Blood-Ritual Magic (রক্ত-ভিত্তিক কালো যাদু) পাখির রক্ত বা অন্য রক্ত ব্যবহার করে ‘life-force’ যোগ/চার্জ দেওয়া হয়; এতে সিহরের শক্তি বাড়ে ও জোরালো হয়। 3. Sigil/Writing-Based Binding (তরবারিতে সংকেত — সিগিল/লিপি) তরবারিতে লেখ থাকা মানে কোন ধরণের বান বা বান্ধন (binding) বা নির্দিষ্ট কাজ সুকৌশলে কার্যকর করার চেষ্টা। গ্রিমোয়ার ও লোকজ লেখায় এমন চিহ্নের ব্যবহার প্রচলিত। 4. Buried/Concealed Binding (দাফন-ভিত্তিক সিহর) বস্তু/effigy মা...

প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদুর রুকিয়া

  👑 প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদু: হারুত-মারুতের ভূমিকা ও নির্বাচিত আত্মার মাধ্যমে ধ্বংস ১. সুলাইমান (আঃ)-এর মৃত্যুর পর রাজ্য বিভক্তি ও যাদুর প্রভাব হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর মৃত্যুর পর, তাঁর একক রাজ্য দুটি ভাগে বিভক্ত হয়: রাজ্য বিভক্তি: ইস্রায়েল ও যিহূদা নামে দুটি আলাদা রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজবংশের উপর কালো যাদুর প্রভাব: রাজপরিবারের আধ্যাত্মিক শক্তি ধরে রাখার জন্য প্রধান জাদুকর বা chief jinn দ্বারা কালো যাদু প্রয়োগ করা হয়। ২. কালো যাদুর উদ্দেশ্য প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদুর মূল উদ্দেশ্য: 1. শক্তি ধরে রাখা: রাজপরিবারের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক শক্তি সংরক্ষণ। 2. ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ন্ত্রণ: আত্মা বা শক্তি পরবর্তী প্রজন্মে প্রভাবিত করা। 3. শত্রু প্রতিরোধ: বাইরের আক্রমণ বা প্রতিপক্ষের শক্তি কমানো। ৩. কালো যাদুর ধরন প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদুর প্রধান ধরনগুলো ছিল: আত্মা-বাঁধা (Soul Binding): রাজবংশের শক্তিশালী আত্মাকে নকল বা আটকানো। চক্রাকার শক্তি (Looped Spell): প্রজন্মের সাথে চলে আসা শক্তি। গার্ডিয়ান সীল (Guardian Seal): প্রধান জাদুকর বা chief jinn দ্বারা সংরক্ষিত শক্তি। ৪. কাদের উপর প্রভাব ...

মিলাদুন্নবী পালন: সুস্পষ্ট বিদ'আ ও মুশরিকদের জন্মোৎসব পালনের অনুকরণীয় নীতি

  মিলাদুন্নবী পালন: ইসলামী দৃষ্টিকোণ মিলাদুন্নবী হলো নবী ﷺ-এর জন্মদিন উদযাপন(আল্লাহ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুন)। অনেক মুসলমান এই দিনে বিশেষ অনুষ্ঠান, ধর্মীয় সভা বা খাবারের আয়োজন করেন। সমস্যা: ইসলামে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে নবী ﷺ-এর জন্মদিন উদযাপন নতুন উদ্ভাবন (বিদ‘আ)। কুরআন অনুযায়ী 1. নবী ﷺ-এর অনুশাসন গ্রহণ ও বিদ‘আ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ:  "وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا" অর্থ: "যা তোমাদের প্রতি রসূল ﷺ দিয়েছেন তা গ্রহণ করো, আর যা থেকে তোমাদের বিরত করেছেন তা থেকে বিরত থাকো।" — সুরা হাশর 59:7 2. নবী ﷺ-এর জন্মদিন উদযাপন কুরআনে অনুমোদিত কোনো প্রথার মধ্যে নেই।   সহীহ হাদীস 1. নবী ﷺ নিজে কখনো জন্মদিন উদযাপন করেননি। 2. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘কেউ আমাদের এ শরী‘আতে নাই এমন কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটালে তা প্রত্যাখ্যাত।’ ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু জা‘ফর মাখরামী (রহ.) ও ‘আবদুল ওয়াহিদ ইবনু আবূ ‘আউন, সা‘দ ইবনু ইব্রাহীম (রহ.) হতে তা বর্ণনা করেছেন। (মুসলিম ৩০/৮ হাঃ ১৭১৮, আহমাদ ২৬০৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫০১...

Newborn Protection: Light Over Darkness

  নবজাতক শিশুর চুল বা নখ দিয়ে জাদু করার ধারণা অনেক প্রাচীন কুসংস্কার ও কালো যাদুর কাহিনীতে পাওয়া যায়। ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো: ১. কেন নবজাতক শিশুর চুল ব্যবহার করা হয় শিশু যখন জন্মায়, তখন তার আত্মা ও শরীর অত্যন্ত দুর্বল ও সংবেদনশীল থাকে। কালো যাদুকররা মনে করে এই সময় শিশুর চুল, নখ, অথবা দুধের দাগ ব্যবহার করলে: তারা শিশুর উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারবে। শিশুর দুর্বলতা ও আত্মার সংবেদনশীলতাকে কাজে লাগাতে পারবে। ভবিষ্যতে শিশুর স্বাস্থ্য, ভাগ্য, বা মনস্তাত্ত্বিক দিক প্রভাবিত করা যায়। এটি “রুহানি লিঙ্ক” বা আত্মার সংযোগ তৈরি করার জন্য করা হয়। ২. জাদুর সাধারণ পদ্ধতি নবজাতক শিশুর চুল ব্যবহার করে সাধারণত যা করা হয়: কুশি বা পুতুলে লাগানো: শিশুর চুল পুতুল, লোহার বা মোমের মূর্তি লাগানো হয়, যেটি শিশুর উপর প্রভাব ফেলে। মন্ত্র বা নেকর: চুলের সঙ্গে কালো যাদুর মন্ত্র বা নেকর পড়ে কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়। দূষণ বা মিশ্রণ: চুলকে জল, মাটি, বা ধোঁয়ার মধ্যে মিশিয়ে শক্তিশালী প্রলোভন বা ক্ষতি সৃষ্টি করা হয়। রহস্যময় বস্তুর মধ্যে রাখা: চুলকে সিল করা বা জমিয়ে রেখে ...

Suleimani The Last

  সুলায়মানি জাদু ও ইহুদি ষড়যন্ত্র: আত্মার উপর সর্বনাশা ফাঁদ ও কুরআন এর আলোকে মুক্তি: সুলায়মানি জাদু — নামের কারণে অনেকেই ধরে নেন এটি নবী সুলায়মান (আঃ)-এর কোনো ইলম। কিন্তু কুরআন তা স্পষ্টভাবে মিথ্যা বলে দিয়েছে: "আর তারা যা অনুসরণ করেছিল শয়তানদের, সুলায়মানের রাজত্বে। সুলায়মান কুফর করেননি বরং কুফর করেছে শয়তানরা—তারা মানুষকে জাদু শিখিয়েছে..." — সূরা আল-বাকারা ২:১০২ এই জাদুর মূল উৎস: ইহুদি কাব্বালার ‘জোহার’ (Zohar) সিফার হা রাজিয়েল (Sefer haRaziel) – ফেরেশতা ও হরফের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ মিস্টিক হিব্রু হরফ: ن (নুন), ص (সাদ), ط (তা), ك (কাফ) ইত্যাদি শয়তান ও আগুনী জিনদের চুক্তি 🕸️ এই জাদুর মূল কৌশলসমূহ  ১. আত্মা ও শরীর বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র এই জাদুর মূল উদ্দেশ্য: আত্মাকে শরীর থেকে ধীরে ধীরে আলাদা করা, যেন সে আল্লাহর আলো বুঝতে না পারে।  কিভাবে করা হয়? একটি পাথরের মধ্যে রূহ আটকে ফেলে, তার উপর "ن" হরফ আঁকে। তাবিজে বা তামায় সূর্য, ত্রিভুজ বা হেক্সাগ্রামের মাঝে হরফ লিখে আত্মার সিল বানানো হয়। এই সিল ব্যবহার করে আত্মাকে মিথ্যা কসমে বাঁধা হয়। জিন শোনে — “এই আত্মা এখন আমা...

গণক এর ছলনা

  গণক কিভাবে হাত দেখার ছলে যাদু করে? ১. শারীরিক সংস্পর্শের মাধ্যমে জিনের প্রবেশপথ খোলা: হাত স্পর্শ করার মাধ্যমে তারা এক প্রকার “ঐন্দ্রজালিক ছোঁয়া” প্রয়োগ করে, যা শরীরের “মারকাজ” বা হিজামার পয়েন্ট ও নাড়ির (pulse) মাধ্যমে কাজ করে। এ সময় তাদের সাথে থাকা জিন স্পর্শের মাধ্যমে শরীরে ঢুকতে পারে। ২. লুকানো কুফরি বাক্য বা চুক্তি পাঠ: গণকরা অনেক সময় হাত দেখতে দেখতে নিরবে এমন কিছু কুফরি মন্ত্র বা ইবলিসীয় চুক্তির শব্দ উচ্চারণ করে যা সামান্যত বোঝা যায় না। এগুলোর মাধ্যমে তারা গোপনে সেই ব্যক্তির রূহ বা কদর লিখা মুছে দেয় বা আটকে রাখে। ৩. নখ, ঘাম বা চুল সংগ্রহ: হাত ধরার সময় গোপনে ঘাম, ত্বকের কিছু খোঁচা, বা নখ সংগ্রহ করে যেটা পরবর্তীতে সিহর বা তিলস্মে ব্যবহৃত হয়। ৪. চোখে চোখ রেখে তান্ত্রিক চুম্বক প্রয়োগ: তারা অনেক সময় চোখের দিকে তাকিয়ে হিপনোটিক ছায়া ফেলে দেয় (নযর/عين)। এতে দুর্বল আত্মা বা ঈমান সম্পন্ন ব্যক্তি তাড়াতাড়ি প্রভাবিত হয়। তারা হিপনোটিক মাধ্যমে রূহানি দরজা খুলে নেয়। ৫. ভবিষ্যদ্বাণীর নামে আত্মাবন্ধন: তারা বলে— “তোমার জীবনে বড় বিপদ আসবে”, “কেউ তোমার ক্ষতি করতে চায়”, “তোমার বিয়ে হবে না”...