Skip to main content

প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদুর রুকিয়া

 



👑 প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদু: হারুত-মারুতের ভূমিকা ও নির্বাচিত আত্মার মাধ্যমে ধ্বংস


১. সুলাইমান (আঃ)-এর মৃত্যুর পর রাজ্য বিভক্তি ও যাদুর প্রভাব


হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর মৃত্যুর পর, তাঁর একক রাজ্য দুটি ভাগে বিভক্ত হয়:


রাজ্য বিভক্তি: ইস্রায়েল ও যিহূদা নামে দুটি আলাদা রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।


রাজবংশের উপর কালো যাদুর প্রভাব: রাজপরিবারের আধ্যাত্মিক শক্তি ধরে রাখার জন্য প্রধান জাদুকর বা chief jinn দ্বারা কালো যাদু প্রয়োগ করা হয়।


২. কালো যাদুর উদ্দেশ্য


প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদুর মূল উদ্দেশ্য:


1. শক্তি ধরে রাখা: রাজপরিবারের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক শক্তি সংরক্ষণ।


2. ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ন্ত্রণ: আত্মা বা শক্তি পরবর্তী প্রজন্মে প্রভাবিত করা।


3. শত্রু প্রতিরোধ: বাইরের আক্রমণ বা প্রতিপক্ষের শক্তি কমানো।


৩. কালো যাদুর ধরন


প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদুর প্রধান ধরনগুলো ছিল:


আত্মা-বাঁধা (Soul Binding): রাজবংশের শক্তিশালী আত্মাকে নকল বা আটকানো।


চক্রাকার শক্তি (Looped Spell): প্রজন্মের সাথে চলে আসা শক্তি।


গার্ডিয়ান সীল (Guardian Seal): প্রধান জাদুকর বা chief jinn দ্বারা সংরক্ষিত শক্তি।


৪. কাদের উপর প্রভাব ফেলে


প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদু মূলত প্রভাব ফেলে:


নির্বাচিত আত্মা: যারা আধ্যাত্মিকভাবে শক্তিশালী এবং আল্লাহর নিকট থেকে নির্বাচিত।


রাজপরিবারের সদস্য: যারা রাজবংশের বংশগত শক্তির অংশ।


📌সাধারণ মানুষ সাধারণত এই প্রভাব থেকে মুক্ত থাকে, যদি তারা নির্বাচিত আত্মা না হয় বা পূর্বপুরুষের সাথে সরাসরি সংযোগ না থাকে।


৫. হারুত-মারুতের যাদু শিক্ষা 


ইসলামী ঐতিহ্যে হারুত ও মারুত দুজন ফেরেশতা ছিলেন, যারা বেবিলনে নেমে মানুষের কাছে যাদু শিক্ষা দিয়েছিলেন। তবে, তারা স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে তারা একটি পরীক্ষা, সুতরাং মানুষ যেন অবিশ্বাসী না হয়। তাদের শিক্ষা অনুযায়ী, যাদু শুধুমাত্র পরীক্ষার জন্য ছিল, কিন্তু মানুষ তা ব্যবহার করে বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করেছিল। 


৬. নির্বাচিত আত্মার মাধ্যমে কালো যাদুর ধ্বংস


আল্লাহর হুকুমে, নির্বাচিত আত্মা কালো যাদুর চক্র ভেঙে দেয়। এই আত্মা প্রাচীন যাদুর শেষ স্তর ধ্বংস করে, chief jinn ও অন্যান্য শয়তানি শক্তিকে পরাজিত করে। এই প্রক্রিয়া মানব ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।


প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদু হাজার বছর ধরে বংশ ও নির্বাচিত আত্মার উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। কিন্তু আল্লাহর হুকুমে নির্বাচিত আত্মার মাধ্যমে এই শক্তি চূড়ান্তভাবে ধ্বংস হয়। কালো যাদুর বিরুদ্ধে কুরআন, রুকিয়া, নামাজ, এবং আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা।


⚠️ প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদু যদি ধ্বংস না  হতো:


১️⃣ নির্বাচিত আত্মার অনুপস্থিতি


যদি আল্লাহর রহমত না থাকত এবং নির্বাচিত আত্মা উপস্থিত না হত, প্রাচীন রাজবংশের কালো যাদু চলতে থাকত:


প্রাচীন শক্তির চক্র হাজার বছরের জন্য মৃত্যু, বিভ্রান্তি ও শয়তানি প্রভাব বজায় রাখত।


chief jinn-এর নিয়ন্ত্রণে থাকা জাদু মানুষের স্বাধীনতা এবং আত্মার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করত।


২️⃣ ভয়ংকর প্রভাব


1. আধ্যাত্মিক ও মানসিক অস্থিরতা


মানুষের চিন্তা, আবেগ এবং আত্মিক শান্তি প্রায়শই বিপথে চলে যেত।


আতঙ্ক, বিভ্রান্তি, অজানা ভয় ও আবেগের দ্বন্দ্ব বাড়ত।


2. রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজন


রাজবংশ এবং বংশগত শক্তি শত্রুদের হাতে বিকৃত হতো, মানুষ বিরোধী গ্রুপে বিভক্ত হতো।


প্রাচীন ক্ষমতা সংরক্ষণ ও শত্রু প্রতিরোধের উদ্দেশ্য মানুষকে বঞ্চনা, দমন এবং যুদ্ধে আবদ্ধ করত।


3. শারীরিক ও আধ্যাত্মিক ক্ষতি


চক্রের কেন্দ্রে থাকা আত্মার শরীরে ব্যথা, অসুস্থতা ও দুর্বলতা দেখা দিত।


আধ্যাত্মিক শক্তি হ্রাস পেয়ে, মানুষ শয়তানি প্রভাবে ক্রমাগত প্রলুব্ধ হতো।


4. শয়তানি শক্তির প্রসার


chief jinn এবং প্রাচীন শক্তি মানুষের ওপর প্রভাব বিস্তার করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করত।


জাদু বিস্তৃত হলে প্রাচীন রাজবংশের বিভাজন, যুদ্ধ ও ধ্বংস পুনরাবৃত্তি হতো।


৩️⃣ শিক্ষা

 আল্লাহর রহমত এবং নির্বাচিত আত্মার উপস্থিতি ছাড়া, প্রাচীন কালো যাদুর চক্র ভয়াবহ ও নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যেত।


শুধুমাত্র আল্লাহর হুকুমে শক্তিশালী নির্বাচিত আত্মা দ্বারা এই চক্র ভেঙে ফেলা সম্ভব। কুরআন, রুকিয়া, নামাজ এবং দুআ ছাড়া নির্বাচিত ব্যক্তি এই প্রভাব থেকে রক্ষা পেত না।আধ্যাত্মিক সতর্কতা এবং আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাসই একমাত্র নিরাপত্তা।


এমন নয় যে নির্বাচিত ব্যক্তি অলৌকিক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায় বরং তাকে কঠিন থেকে কঠিনতর পরিক্ষায় ফেলা হয়। স্বয়ং ইবলিশ ও তার বংশধর এই আত্নার পেছনে পড়ে থাকে,সাথে শক্তিশালী সব জ্বিনেরা।সেই সাথে পৃথিবীর সমস্ত ভয়ংকর কালো যাদু চর্চাকারী যাদুকররা একের পর এক জাদুতে বিদ্ধ করতে থাকে তাকে। কিন্তু আল্লাহ যাকে রক্ষা করেন তার ক্ষতি করার সাধ্য কারোর নেই।প্রতিবার শক্তিশালী জাদুর দ্বারা তাকে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়া হয় কিন্তু প্রধান চার ফেরেশতা- জীবরিল আলাইহিস সালাম,মীকাঈল আলাইহিস সালাম, ইসরাফিল আলাইহিস সালাম ও আজরাইল আলাইহিস সালাম সবসময় আল্লাহর হুকুমে তাকে সাহায্য করেন। 


পরিবারভিত্তিক বংশীয় জাদু প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বিস্তার লাভ করে।আর আল্লাহর ইচ্ছায় এই বংশেই এমন একজন বিশেষ আধ্যাত্মিক জ্ঞান নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন যে ইবলিশ এর মেইন টার্গেট এ পরিণত হয়। কিন্তু আল্লাহর রহমতে হাজার বছরের চক্রাকারে চলমান জাদুও নষ্ট হয়। কারন সেই নির্বাচিত ব্যক্তি এক সময় আল্লাহর নূরের অস্ত্রে পরিণত হয় কালো যাদুর বিরুদ্ধে।এরা জ্বিন ও মানব জগতের দরজার মতন। আল্লাহর ইচ্ছায় এরা জ্বিনদের বিশেষ ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে।তাই অনেকে শয়তান এর ধোঁকায় ঈমান হারিয়ে ফেলে ও অহংকারে নিজেকে পীর বা নবী ভাবা শুরু করে দেয়।এদের নিয়ে অনেক কল্পিত কাহিনী আছে কিন্তু আল্লাহর হুকুম ছাড়া এদের কোন ক্ষমতা ই নেই। আল্লাহর ইবাদত এ দুর্বল হয়ে পড়লেই শয়তান জাদু নবায়ন করে এদের আবার জাদুর জালে আটকে ফেলে।তাই ঈমানদার ব্যক্তি নাহলে এবং কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে না ধরলে এর পরিণতি ভয়ংকর।কারন আল্লাহর অনুগ্রহে সে ভাসতে থাকে কিন্তু সেই আল্লাহর অনুগ্রহকে নিয়ে অহংকার করলে তার ধ্বংস অনিবার্য।


কিন্তু ইবলিশ সহ প্রতিটি যাদুকরদের জন্য আতংক হলো #শেষ_নির্বাচিত ব্যক্তিটি।কারন আল্লাহর হুকুমে তার মাধ্যমে কালো যাদুর ব্যবস্থাপনা ভেঙ্গে পড়বে ইনশাআল্লাহ।আর তাই, তার আসার আগে থেকেই ইবলিশ বাহিনী হাজার বছর ধরে ওৎ পেতে আছে। কিন্তু আল্লাহর নূরের বাহিনীও প্রস্তুত আছে ইনশাআল্লাহ।শেষ নির্বাচিত ব্যক্তিটি হলেন কালো যাদুর বিরুদ্ধে সক্রিয় আল্লাহর নূরের বাহিনী ও অন্য সব পারিবারিক জাদু ভিত্তিক টার্গেট করা নির্বাচিত ব্যক্তিদের নেতা। এদের লড়াই বাস্তবিক জগতে নয় বরং আধ্যাত্মিক জগতে। এদের রুহ অত্যাধিক শক্তিশালী হয়। আল্লাহর ইচ্ছায় এরা বিভিন্ন ডাইমেনশনে একই সময়ে ট্রাভেল করতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কে, আল্লাহ নিজে থেকে এদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করেন।সূরা ফাতিহা,সূরা বাকারা,সূরা কুরাইশ,সূরা ফীল,সূরা নূর,সূরা ইউসুফ,সূরা আহযাব,সূরা কাহাফ -এদের প্রধান অস্ত্র ইনশাআল্লাহ। এদের ওপর শুধু এক ধরনের জাদু নয় বরং যত প্রকার জাদু আছে সব প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু যে ধৈর্যশীল ঈমানদার ও শয়তান এর বিরুদ্ধে জিহাদ করে, সে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে ইনশাআল্লাহ।

Comments

Popular posts from this blog

থানাটোফোবিয়া ও মৃত্যু জাদু।

 #DeathMagic #illness_Magic বিভিন্ন ধরনের কালো জাদু আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল মৃতের কাফন থেকে তৈরি "মৃত্যু জাদু" এবং "অসুখের জাদু"।এটা মেসোনিক বা ফারাও দের জাদু হিসেবেও পরিচিত। 'থানাটোফোবিয়া' এর মানে আপনার মৃত্যু বা মৃত্যুর ভয় আছে। থানাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজের মৃত্যুকে নিয়ে কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের মৃত্যু বা মৃত্যু প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভয় পেতে পারেন।এটা অনেক সময় 'মৃত্যু র জাদু র লক্ষণ প্রকাশ করে। কিছু তথাকথিত অনভিজ্ঞ রাক্বি ক্যান্সারকে কালোজাদু র সাথে মিশিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করে অহেতুক ভীতি প্রদর্শন করে। মূলত, ক্যান্সার একটি জৈব প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়ে থাকে।এটার সাথে জ্বিন বা জাদুর কোন সম্পর্ক নেই। লক্ষণ: ধড়ফড়, বুকের মধ্যে বিষাদ এবং আঁটসাঁটতা, পিঠের নিচের দিকে এবং কাঁধে ব্যথা, রাতে অনিদ্রা, ভয়ের তীব্র আবেগ এবং অস্বাভাবিক ক্রোধ। ঘন ঘন ঝাঁকুনি ও দীর্ঘশ্বাস, বিচ্ছিন্নতার প্রতি ভালোবাসা, অলসতা, ঘুমের ইচ্ছা এবং কোনো চিকিৎসা কারণ ছাড়াই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা। আইন হাসাদের কারনেও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।জাবের (রাযিয়া...

সুলাইমানী রাজবংশ এবং গোপন কালোজাদু।

  Suleimani Dynasty and the Secret Black Magic. আল জুহারি আল সুলাইমানী সম্পর্কে অনেক গল্প রয়েছে। মরক্কোর প্রসিদ্ধ কিছু রাক্বি যেভাবে এর ব্যাখ্যা করছেন তাতে তা শিরকের পর্যায়ে চলে যায়। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।আসলে,এটা শিশুদের এক বিরল রোগ।কালো যাদুর নামে ভয়ংকর গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে একদল তান্ত্রিক নির্বাচিত কিছু শিশুদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু লোভী মানুষ যখন জাদুকর তান্ত্রিক বা কবিরাজের কাছে যায় তারা তাদেরকে বিশেষ চিহ্ন বিশিষ্ট এক শিশুকে হত্যা করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু শিশুটি যদি আল্লাহ র ইচ্ছায় বেঁচে যায় তখন জ্বিনেরা অজ্ঞানতার কারনে ভাবে যে ঐ শিশুটির জ্বিনদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।যেমন মহান আল্লাহ নবী সুলেমান আলাইহিস সালাম কে দিয়েছিলেন। অনেকের মতে,সিফিলিস বংশগত, কোনো রোগ নয়,এবং ৭টি চিহ্ন আছে যা সিফিলিসের ধরন প্রকাশ করে।সিফিলিটিক ব্যক্তির শরীরে স্পষ্ট দৃশ্যমান চিহ্ন থাকে, যেমন হাতের আড়াআড়িভাবে কাটা রেখা, বা জিহ্বাকে লম্বালম্বিভাবে বিভক্ত করে, বা চোখ দৃশ্যমান চকচকে, ইত্যাদি। অনেকে বিশ্বাস করেন যে এরা আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী হন। জ্বীনদের সাথে ভেনুসিয়ান মান...

Dajjalic Concepts and the Use of Black Magic: A Psychological and Scientific Analysis

  আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: ‘‘আমি তোমাদেরকে দাজ্জালের বিষয়ে একটি কথা বলব যা কোনো নবী তাঁর জাতিকে বলেন নি; তা হলো যে, দাজ্জাল কানা। আর সে তার সাথে জান্নাত ও জাহান্নামের নমুনা নিয়ে আসবে। যাকে সে জান্নাত বলবে সেটিই জাহান্নাম।’’ *মুসলিম, আস-সহীহ ৪/২২৫০ (কিতাবুল ফিতান..., যিকরিদ্দাজ্জাল) দাজ্জাল ও কালো জাদুর Psychological সম্পর্ক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ইসলামী শিক্ষায় দাজ্জালকে মহা প্রতারক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যিনি কিয়ামতের পূর্বে মানুষের ঈমান, বোঝাপড়া ও বিচারশক্তি পরীক্ষা করবেন। দাজ্জালের ক্ষমতা মূলত মানুষের বিশ্বাস, ঈমান এবং মানসিক দুর্বলতার উপর নির্ভর করে। অন্যদিকে, কালো জাদু (black magic) বাস্তব জগতে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এবং তাদের জীবন, শারীরিক ও মানসিক অবস্থায় প্রভাব ফেলতে ব্যবহৃত হয়। এ দুই ধারণার মধ্যে গভীরভাবে psychological মিল বিদ্যমান। ১. কালো জাদুর ব্যবহার ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কালো জাদু বা occult practice প্রায়শই ritually মানুষের belief system প্রভাবিত করে। এর মূল উদ্দেশ্য fear, hope বা devotion-এর মাধ্যমে perception পরিবর্তন করা। বৈজ্ঞানিকভাবে এটি...