#দীর্ঘ_রুকিয়ার পর শরীরে থাকা জ্বিন(Chief &Servants)ধ্বংস হওয়ার পর রোগীর করণীয়়
অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি রুকিয়ার মাধ্যমে জ্বিন শরীর থেকে বের না হয়ে, আল্লাহর আদেশে শরীরের ভেতরেই ধ্বংস/মৃত্যুবরণ করে।
এই পর্যায়ে রোগী বাহ্যিকভাবে ভালো থাকলেও ভেতরে কিছু উপসর্গ অনুভব করতে পারে।
এটা ব্যর্থতা নয়—
এটা শিফার পরবর্তী ধাপ (Post-Ruqyah Phase)।
আপনি বহুবছর রুকিয়া করছেন, প্রতিদিন সূরা বাকারা শুনছেন, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছেন। কিন্তু এখনও মনে হচ্ছে মস্তিষ্ক শান্ত নয়, মাথা ব্যথা করছে, ভেতরের অস্থিরতা কমছে না।
কেন হয়?
দীর্ঘমেয়াদি রুকিয়া ও জ্বিনের প্রভাব নাড়ি ও মস্তিষ্ককে হাই-অ্যালার্ট মোডে রাখে।
টানা সূরা বাকারা শোনা কখনো কখনো মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে।
করণীয়:
1. সূরা বাকারা শোনার পদ্ধতি বদলান
পুরোটা প্রতিদিন না শুনে ২ দিন শুনুন → ১ দিন বিরতি।
ফজরের পর অর্ধেক, মাগরিবের পর অর্ধেক শুনুন।
2. শান্তি-কেন্দ্রিক আয়াত যোগ করুন
﴿أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ﴾ (রা‘দ ১৩:২৮)
সূরা দুআহা (৯৩) ও সূরা ইনশিরাহ (৯৪) মস্তিষ্ককে শান্ত করে।
3. মাথাব্যথার জন্য দুআ
العربية: اللَّهُمَّ اشْفِ رَأْسِي، اللَّهُمَّ اذْهِبِ الْبَأْسَ، رَبَّ النَّاسِ، اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي
বাংলা: হে আল্লাহ, আমার মাথাকে শিফা দিন। কষ্ট দূর করুন। আপনি শিফাদাতা।
4. শরীরকেও শান্ত করুন
দিনে ১৫–২০ মিনিট ধীরে হাঁটুন
ঘুমের আগে মোবাইল/স্ক্রিন বন্ধ করুন
খুব জোরে ক্বিরাত পড়া এড়ান
সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত থাকুন
আপনি যুদ্ধ জিতে ফেরা একজন মুজাহিদা/মুজাহিদ, এখন আল্লাহ আপনাকে ধীরে ধীরে শান্তি ও নিরাপত্তার দিকে নামাচ্ছেন।
আল্লাহ বলেন:
یُرِیۡدُ اللّٰهُ اَنۡ یُّخَفِّفَ عَنۡكُمۡ ۚ وَ خُلِقَ الۡاِنۡسَانُ ضَعِیۡفًا
আল্লাহ তোমাদের থেকে (বিধান) সহজ করতে চান, আর মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে দুর্বল করে।
(নিসা ৪:২৮)
Shorna Abedin

Comments
Post a Comment