Skip to main content

Posts

বহু পুরাতন কালো যাদুর দুর্গকে ধ্বংস করুন।

Ancient Black Magic.  যারা দীর্ঘদিন ধরে একাধিক কালো জাদুতে আক্রান্ত হয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন,হাল ছেড়ে দিয়েছেন, তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলছি যে সূরা আল হিজর অর্থ সহকারে বুঝে পড়ুন‌ ও সে অনুযায়ী আমল করুন,ইনশাআল্লাহ। আমাদের মনে রাখতে হবে যে মুমিনের সবথেকে বড় অস্ত্র হচ্ছে দোয়া আর কাফির দের দুর্বলতা হচ্ছে তাদের মূর্খতা। প্রতিটি কালোজাদু সম্পন্ন হয় শয়তান জ্বিনের অংশগ্রহণে আর এই শয়তান জ্বিনের একটাই লক্ষ্য আপনাকে জাহান্নামে তার সঙ্গী বানানো।তাই আল্লাহর কাছে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা পেতে দোয়া করতে থাকুন।বিনে হিসেবে জান্নাত লাভ ই  যেন আপনার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হয়।কোন রাক্বি ই আপনাকে সাহায্য করতে পারবে না যতক্ষণ না আপনি নিজে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন রোগ মুক্তির জন্য। নামাযের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে থাকুন।ভুল পথে না হেঁটে আল কুরআনের আয়াত নিয়ে নিজে গবেষণা করুন।সেই অনুযায়ী আমল করুন।দান সদকা করুন। সর্বশক্তিমান আল্লাহ ব্যতীত কারোর কোন ক্ষমতা নেই আপনার ক্ষতি করার বা আপনার উপকার করার।  সূরা আল হিজরের তিনটি আয়াতের ব্যাখ্যা করছি। وَ لَقَدْ آتَيْنَكَ سَبْعًا م...

সুলাইমানী রাজবংশ এবং গোপন কালোজাদু।

  Suleimani Dynasty and the Secret Black Magic. আল জুহারি আল সুলাইমানী সম্পর্কে অনেক গল্প রয়েছে। মরক্কোর প্রসিদ্ধ কিছু রাক্বি যেভাবে এর ব্যাখ্যা করছেন তাতে তা শিরকের পর্যায়ে চলে যায়। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।আসলে,এটা শিশুদের এক বিরল রোগ।কালো যাদুর নামে ভয়ংকর গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে একদল তান্ত্রিক নির্বাচিত কিছু শিশুদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু লোভী মানুষ যখন জাদুকর তান্ত্রিক বা কবিরাজের কাছে যায় তারা তাদেরকে বিশেষ চিহ্ন বিশিষ্ট এক শিশুকে হত্যা করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু শিশুটি যদি আল্লাহ র ইচ্ছায় বেঁচে যায় তখন জ্বিনেরা অজ্ঞানতার কারনে ভাবে যে ঐ শিশুটির জ্বিনদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।যেমন মহান আল্লাহ নবী সুলেমান আলাইহিস সালাম কে দিয়েছিলেন। অনেকের মতে,সিফিলিস বংশগত, কোনো রোগ নয়,এবং ৭টি চিহ্ন আছে যা সিফিলিসের ধরন প্রকাশ করে।সিফিলিটিক ব্যক্তির শরীরে স্পষ্ট দৃশ্যমান চিহ্ন থাকে, যেমন হাতের আড়াআড়িভাবে কাটা রেখা, বা জিহ্বাকে লম্বালম্বিভাবে বিভক্ত করে, বা চোখ দৃশ্যমান চকচকে, ইত্যাদি। অনেকে বিশ্বাস করেন যে এরা আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী হন। জ্বীনদের সাথে ভেনুসিয়ান মান...

সমাহিত জাদুর প্রভাব ভয়ংকর।

burying magic in graves. যাদু একটি বড় অপরাধ এবং এক প্রকার কুফরি।অজ্ঞতা ও জ্ঞানের অভাবের কারণে,বিশ্বাস ও কর্তৃত্বের অভাবের প্রবণতা অনুসারে,অর্থের লোভ ও প্রতারণাসহ অন্যান্য কারণে যাদু বিদ্যাচর্চাকারীর সংখ্যা সারা বিশ্বে বৃদ্ধি পাচ্ছে।এর মারাত্মক প্রভাব দিন দিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে। ইসলাম সম্পর্কে প্রকৃত জ্ঞান না থাকলে আপনি কখনও উপলব্ধি করতে পারবেন না যে এই কালো যাদু র প্রভাব কত মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।যখন জ্ঞান আবির্ভূত হয়, ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং ইসলামী কর্তৃত্ব শক্তিশালী হয়, তখন এই জাদুকরের সংখ্যা হ্রাস পায় এবং তারা আত্মগোপনে চলে যায়। অপরপক্ষে ইসলাম এর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত না হলে শয়তান সমাজে বেপর্দা,যেনা ব্যাভিচার এবং মিউজিককে বৈধ করে তোলে।ফলে সেই সমাজে কালো যাদুর প্রভাব ভয়ংকর ভাবে বিস্তার লাভ করে। একজন মুসলিম যখন নামাজ পড়ে না, বছরের পর বছর কুরআন পাঠ করে না তখন ধরে নিতে হবে তার ক্বলবকে শয়তান মোহগ্রস্ত করে ফেলেছে। আজ আমরা দাফন করা যাদু সম্পর্কে জানবো ইনশাআল্লাহ।যাদুকর কবরস্থানে যাদুর জিনিস সমাহিত করে যাতে সে যে শয়তানকে ব্যবহার করছে সে তার প্রতি আরও বাধ্য হয়। যাদুকর যত বেশি বড় পাপ কর...

রমাদান মাস এবং ব্লাক ম্যাজিক।

 Ramadan kareem and Black Magic. আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলতেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমাদান আসলে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানগুলোকে শিকলবন্দী করে দেয়া হয়। সূত্র: সহীহ আল-বুখারি 1899 এর ফলে অনেকেই মনে করেন যে এই মাসে ব্লাক ম্যাজিক চর্চা বন্ধ থাকে। কিন্তু এর বিপরীত ঘটে। মানুষ যখন জন্মগ্রহণ করে,তখন মানুষের নিজস্ব যমজ (কারিন) থাকে। আমরা যদি আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পালনে সচেষ্ট হই তবে ক্বারিন সর্বদা আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু মানুষ যদি গুনাহ করতেই থাকে, তার নফস তাকেই নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করে দেবে।তাই রমজানেও ব্লাক ম্যাজিকসহ অন্য অনেক খারাপ কাজ হয়ে থাকে। কালো জাদু ইসলামে মহাপাপ। এটাকে পবিত্র রমাদান মাসের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না।ব্লাক ম্যাজিকের রিচুয়াল সারা বছর ধরে চলে। যদিও বলা হয় যে রমাদান মাসে শয়তানকে ধরা হয়, শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। কিন্তু যেহেতু প্রত্যেক জ্বীনই শয়তান নয় সেজন্য সে ধরা পড়ে না। এদের ভেতরের অনেক জ্বিন আছে যারা ধর্মীয় মূল্যবোধ বা নৈতিকতা গ্রহণ করে ...

Traps of Muslim Jinn & Deception of The Munafiq Raqi.

 জাদু, জাদুবিদ্যা, ভবিষ্যদ্বাণী এবং অন্যায় ও আক্রমণাত্মকভাবে মানুষের ক্ষতি সাধনের মতো নিষিদ্ধ বিষয়ে জিনদের সাহায্য নেওয়া জায়েজ নয়। এছাড়াও তাদের সাহায্য চাওয়া মোটেও জায়েয হবে না যদি এর বিনিময়ে কেউ শরীয়তের হুকুম পরিত্যাগ করে বা এর নিষেধাজ্ঞার কিছু কাজ করে, যেমন তাদের ইবাদত করা,বা তাদের খুশী করার উদ্দেশ্যে আল্লাহর সাথে শিরক করা। একদল কাফের জ্বিনদের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকতে অন্য জ্বিনদের সাহায্য চাওয়ার ক্ষেত্রে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাদের কেউ কেউ এটাকে নিষিদ্ধ করেছেন এই কারণে যে,তাদের ক্ষতি ও প্রভাব থেকে নিরাপদ থাকা অসম্ভব।জ্বিনরা কেবলমাত্র মানুষকে প্রতারিত করতেই মানুষের কাছে আসে। পণ্ডিত মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিমকে জিনদের কাছ থেকে সাহায্য চাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেছিলেন: এটি জিনদের কাছ থেকে একটি অনুরোধ, এবং এটি অনুপস্থিতদের জিজ্ঞাসা করার শ্রেণীতে পড়ে, যা মৃতকে জিজ্ঞাসা করার অনুরূপ এবং এতে দুর্গন্ধ রয়েছে। শাইখ ইবনে বায বলেছেন: জিনদের আশ্রয় নেওয়ার ক্ষেত্রে না করেছেন কারণ এটি তাদের উপাসনা করার এবং তাদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের একটি মাধ্যম। আবার কোন আলে...

বংশ পর্যবেক্ষণের জাদুর সেবক থেকে বাঁচুন।

 উম্ম আল-সিবিয়ান কাদেরকে বা কাকে বলা হয় তা সম্পর্কে আল কুরআনে বা সহিহ হাদিসে কোন সহিহ দলিল নেই।এর দ্বারা সৃষ্ট রোগের কোন নির্দিষ্ট চিকিৎসার কথা আমরা জানি না, তবে এটি একটি রোগ,এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:  "হে আল্লাহর বান্দাহগণ! তোমরা চিকিৎসা কর। আল্লাহ তা’আলা এমন কোন রোগ সৃষ্টি করেননি যার ঔষধ বা নিরাময়ের ব্যবস্থা রাখেননি (রোগও দিয়েছেন রোগ সারাবার ব্যবস্থাও করেছেন)। কিন্তু একটি রোগের কোন নিরাময় নেই। সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল সে রোগটি কি? তিনি বললেনঃ বার্ধক্য।" এই উম্মুল সিবিয়ান একটি হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে, এবং এটি সহীহ নয়, যা হল: যার একটি সন্তান আছে এবং তার ডান কানে আযান এবং বাম কানে ইকামা পাঠ করবে, উম্মুল সিবিয়ান তার ক্ষতি করবে না। আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আল-মুসনাদে এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন এবং এটি একটি বানোয়াট হাদিস যা আল-আলবানী কর্তৃক আল-সিলসিলাহ আল-দাইফাতে বর্ণিত হয়েছে। ইবনুল জাওযী গারিব আল-হাদিসে, ইবনুল আথির আল-নিহায়া ফি গারিব আল-হাদিস ওয়া আল-আথার, লিসান আল-আরবে ইবনে মানজুর এবং কিছু প্রাচীন যারা ওষুধ সম্পর্কে বলেছিলেন যেমন ইবনুল বায়ত...

সূরা ইউসুফ এবং নাফস।

আল কুরআনে বর্ণিত সূরা ইউসুফ এর গল্পে দেখানো হয়েছে যে কিভাবে এক বালক তার আপন রক্তের ভাইদের দ্বারা প্রতারিত হয়ে অবশেষে আল্লাহর অনুগ্রহে মিশর জাতির শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই সুন্দর গল্পটির ৪টা প্লট রয়েছে।যথা- ১.ঈর্ষা,  ২.ধৈর্য্য,  ৩.ক্ষমা, ৪.মুক্তি। #হিংসা এক মারাত্মক মানুষিক ব্যাধি যা সবকিছু ধ্বংস করে দেয়। পৃথিবীর সমস্ত ক্রাইম এর মূলে রয়েছে হিংসা।আর এই হিংসা নামক ব্যাধি র উৎপত্তিস্থল আপনার আপন গৃহ বা ক্বলব ই। নফস (نَفْس) একটি আরবি শব্দ যা আল কুরআনে এসেছে। যার আক্ষরিক অর্থ হল "সত্ত্বা" এবং একে "মন", "অহংবোধ" বা "নিঃশ্বাস" হিসেবে অনুবাদ করা হয়। নবী জোসেফ বা ইউসুফ আলাইহিস সালাম এর জীবনের পাঠগুলি এই ধারণাটিকে চিত্রিত করে যে জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতি গুলোতেও মহান আল্লাহ র ইচ্ছায় ভাল কিছু লুকিয়ে থাকে। প্রকৃত পক্ষে মুমিন ব্যক্তি কখনও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তাঁর অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কষ্টগুলোও আল্লাহর অনুগ্রহে নিয়ামত দ্বারা পূর্ণ হয়ে ওঠে । অতএব,আল্লাহর উপর এবং শুধুমাত্র আল্লাহর উপর ই আস্থা রাখুন - নিরবচ্ছিন্ন শান্তি ও প্রশান্তি ময় জীবন এই পৃথিবীতে...

জ্বিন শয়তানের প্রবেশ পথ বন্ধ করুন: মুমিন একই গর্তে দুইবার দংশিত হয় না।

 #Block #theentrance  জ্বিন-শয়তান মানুষকে ওয়াসওয়াসা, গুনাহ, জাদু (Sihr), অহংকার (Kibr), রাগ এবং বিভ্রান্তি (Fitna) এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে। (আল্লাহ, সকলকে হেফাজত করুন।) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ  "শয়তান মানুষের রক্ত শিরায় চলাচল করে। আমি আশংকা করলাম যে, সে তোমাদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করতে পারে।" (সহিহ আল বুখারী) জাদুকর যখন কোন ব্যক্তিকে ব্লাক ম্যাজিক এর জন্য টার্গেট করে সে ঐ ব্যক্তির কাছে চালান জ্বিন প্রেরণ করে।এই চালান জ্বিন ব্যক্তিটির দূর্বলতা খুঁজে বের করতে তার পেছনে পড়ে যায়।এতে কয়েক বছর বা কয়েক মাস কিংবা কিছুদিন লেগে যেতে পারে।খাওয়া/ছিটানো বা অন্য কোন রিচুয়ালের মাধ্যমে জ্বিন যখন ব্যক্তি র ভিতরে প্রবেশ করে তখন বাহির থেকে এক বা একাধিক জ্বিন জাদুকরের সাথে ঐ জ্বিনের তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করতে থাকে।এটা একটা মোবাইল নেটওয়ার্ক এর মতন কাজ করে থাকে। যেখানে আমরা মোবাইল কমিউনিকেশন বলতে বুঝি যে দুটি চলনশীল ডিভাইস এবং অন্য একটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা। আবার রোগী যখন প্রায় সুস্থ হতে শুরু করে তখন জাদু রিনিউ করতে একের পর এক ...

Riverse Psychology & Jinn Possession.

  "Riverse Psychology" এবং "Jinn Possession" যাদু সম্পর্কে আল্লাহ বলেন,  অথচ তারা তার(যাদু) মাধ্যমে কারো কোন ক্ষতি করতে পারত না আল্লাহর অনুমতি ছাড়া। আর তারা শিখত যা তাদের ক্ষতি করত, তাদের উপকার করত না এবং তারা অবশ্যই জানত যে, যে ব্যক্তি তা ক্রয় করবে, আখিরাতে তার কোন অংশ থাকবে না। আর তা নিশ্চিতরূপে কতই-না মন্দ, যার বিনিময়ে তারা নিজদেরকে বিক্রয় করেছে। যদি তারা জানত।  (Al Quran 2:102) ২০% ক্ষেত্রবিশেষে যাদুর প্রভাব ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় আল কুরআনে এর সমাধান রয়েছে।কালো যাদুকে শক্তিশালী করতে অপেক্ষাকৃত সামর্থ্যবান জ্বীন এবং দূর্বল চিত্তের ব্যক্তি দরকার। ইবলিশ শয়তানকে আদম আলাইহিস সালাম কে সিজদা করতে বলা হয়েছিল।কারন আল্লাহ মানুষকে জ্বিনদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। আল্লাহ কুরআন মাজিদে উল্লেখ করেছেনঃ যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়।  (Al Quran 2:275) এ বাক্য থেকে জানা গেল যে, জিন ও শয়তানের আসরের ফলে মানুষ অজ্ঞান কিংবা উন্মাদ হতে পারে। অভিজ্ঞ লোকদের উপর্যুপরি অভিজ্ঞতাও এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়। ইবনু...

থানাটোফোবিয়া ও মৃত্যু জাদু।

 #DeathMagic #illness_Magic বিভিন্ন ধরনের কালো জাদু আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল মৃতের কাফন থেকে তৈরি "মৃত্যু জাদু" এবং "অসুখের জাদু"।এটা মেসোনিক বা ফারাও দের জাদু হিসেবেও পরিচিত। 'থানাটোফোবিয়া' এর মানে আপনার মৃত্যু বা মৃত্যুর ভয় আছে। থানাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজের মৃত্যুকে নিয়ে কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের মৃত্যু বা মৃত্যু প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভয় পেতে পারেন।এটা অনেক সময় 'মৃত্যু র জাদু র লক্ষণ প্রকাশ করে। কিছু তথাকথিত অনভিজ্ঞ রাক্বি ক্যান্সারকে কালোজাদু র সাথে মিশিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করে অহেতুক ভীতি প্রদর্শন করে। মূলত, ক্যান্সার একটি জৈব প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়ে থাকে।এটার সাথে জ্বিন বা জাদুর কোন সম্পর্ক নেই। লক্ষণ: ধড়ফড়, বুকের মধ্যে বিষাদ এবং আঁটসাঁটতা, পিঠের নিচের দিকে এবং কাঁধে ব্যথা, রাতে অনিদ্রা, ভয়ের তীব্র আবেগ এবং অস্বাভাবিক ক্রোধ। ঘন ঘন ঝাঁকুনি ও দীর্ঘশ্বাস, বিচ্ছিন্নতার প্রতি ভালোবাসা, অলসতা, ঘুমের ইচ্ছা এবং কোনো চিকিৎসা কারণ ছাড়াই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা। আইন হাসাদের কারনেও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।জাবের (রাযিয়া...

বিগ ক্র্যাঞ্চ থিওরি এবং কিয়ামতের আলামত।

  #big_crunch #sunrise_from_the_west #কিয়ামতের_বড়_আলামত #পশ্চিম_দিক_হতে_সূর্যোদয়   নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ لَا تَقُوْمُ السَّاعَةُ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا فَإِذَا طَلَعَتْ وَرَاهَا النَّاسُ يَعْنِي آمَنُوا أَجْمَعُونَ فَذَلِكَ حِينَ لَا يَنْفَعُ نَفْسًا إِيمَانُهَا لَمْ تَكُنْ آمَنَتْ مِنْ قَبْلُ أَوْ كَسَبَتْ فِي إِيمَانِهَا خَيْرًا "যতদিন পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হবেনা ততদিন কিয়ামত হবেনা। যখন পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হবে এবং মানুষ তা দেখতে পাবে তখন সকলেই ঈমান আনবে। তখন এমন ব্যক্তির ঈমান কোন উপকারে আসবেনা যে আগে থেকে বিশ্বাস স্থাপন করেনি কিংবা স্বীয় বিশ্বাস অনুযায়ী কোন সৎকাজ করেনি”। নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেনঃ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَبْسُطُ يَدَهُ بِاللَّيْلِ لِيَتُوبَ مُسِيءُ النَّهَارِ وَيَبْسُطُ يَدَهُ بِالنَّهَارِ لِيَتُوبَ مُسِيءُ اللَّيْلِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা দিনের বেলায় অপরাধকারীদের তাওবা কবুল করার জন্য সারা রাত স্বীয় হাত প্রসারিত করে ...

তাবিজ কালোজাদুর এক বিশেষ রুপ।

 #amuletum #blackmagic  "তাবিজ" শব্দটি ল্যাটিন শব্দ amuletum থেকে এসেছে,এটা এমন কিছুকে বোঝায় যা একজন ব্যক্তিকে সমস্যা থেকে রক্ষা করতে সক্ষম।যার মন্দ প্রভাব বা দুর্ভাগ্য এড়ানোর ক্ষমতা রয়েছে(আস্তাগফিরুল্লাহ)।এটা প্যাগান কালচার। প্যাগান ধর্মানুসারী গণ তাবিজের প্রচলন শুরু করেন যা রক্ষাকবচ নামে পরিচিত (আস্তাগফিরুল্লাহ)।তাবিজ একটি বস্তু যা সাধারণত সুরক্ষার জন্য পরিধান করা হয় এবং একটি টেকসই উপাদান (ধাতু বা শক্ত পাথর) থেকে তৈরি করা হয়। মধ্যযুগে খ্রিস্টান গণ তাদের তাবিজগুলিতে সাধুদের ঐতিহ্যবাহী ধ্বংসাবশেষ এবং ধর্মীয় গ্রন্থের বিভিন্ন আয়াতকে অন্তর্ভুক্ত করতেন। ইহুদিদের মধ্যে তাবিজ তৈরি করা একটি রাব্বিনিক ফাংশনে পরিণত হয়েছিল। আর বর্তমানে পথভ্রষ্ট মুসলমানরা অন্য ধর্মের অনুসারীদের মতন প্রায়ই কোরানের আয়াত, আল্লাহর নাম, বা ছোট ছোট থলির মধ্যে সংযুক্ত পবিত্র সংখ্যা বহন করে। খ্রিস্টানরা ক্রুশ বা ক্রুশবিন্যাস ব্যবহার করে এবং কিছু রোমান ক্যাথলিক পরিবারে ম্যাডোনার মূর্তি পাওয়া যায়। একটি জনপ্রিয় ধরনের তাবিজ হল "সৌভাগ্যের আকর্ষণ" যেমন জন্মের পাথর বা খরগোশের পা (আস্তাগফিরুল্লাহ)। আবদুল্ল...