Ramadan kareem and Black Magic.
আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলতেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমাদান আসলে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানগুলোকে শিকলবন্দী করে দেয়া হয়।
সূত্র: সহীহ আল-বুখারি 1899
এর ফলে অনেকেই মনে করেন যে এই মাসে ব্লাক ম্যাজিক চর্চা বন্ধ থাকে। কিন্তু এর বিপরীত ঘটে।
মানুষ যখন জন্মগ্রহণ করে,তখন মানুষের নিজস্ব যমজ (কারিন) থাকে। আমরা যদি আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পালনে সচেষ্ট হই তবে ক্বারিন সর্বদা আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু মানুষ যদি গুনাহ করতেই থাকে, তার নফস তাকেই নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করে দেবে।তাই রমজানেও ব্লাক ম্যাজিকসহ অন্য অনেক খারাপ কাজ হয়ে থাকে।
কালো জাদু ইসলামে মহাপাপ। এটাকে পবিত্র রমাদান মাসের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না।ব্লাক ম্যাজিকের রিচুয়াল সারা বছর ধরে চলে। যদিও বলা হয় যে রমাদান মাসে শয়তানকে ধরা হয়, শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। কিন্তু যেহেতু প্রত্যেক জ্বীনই শয়তান নয় সেজন্য সে ধরা পড়ে না। এদের ভেতরের অনেক জ্বিন আছে যারা ধর্মীয় মূল্যবোধ বা নৈতিকতা গ্রহণ করে না। তারা ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির ক্ষতি করার জন্য খারাপ অনুশীলন চালিয়ে যায়। এমনকি রমাদান মাসেও তারা আরো প্রবল হয়ে তা চালিয়ে যায়।তাই আমাদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত ইনশাআল্লাহ।ফরয আমলের পাশাপাশি সকাল সন্ধ্যার দোয়া জিকিরের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা উচিত ইনশাআল্লাহ।সূরাহ বাকারা,সূরাহ আলে ইমরান এবং ৪কুল এর প্রতি বিশেষ মনোযোগী হতে হবে ইনশাআল্লাহ@shornaabedin
Shorna Abedin

Comments
Post a Comment