Skip to main content

Posts

মুহাম্মদ(স) এর বক্ষ বিদারণ

 #মুহাম্মদ_সাল্লাল্লাহু_আলাইহি_ওয়াসাল্লাম_এর_বক্ষ_বিদারণ: দ্বিতীয় দফায় হালীমার নিকটে আসার পর জন্মের চতুর্থ কিংবা পঞ্চম বছরে শিশু মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সীনা চাক বা বক্ষ বিদারণের বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। ব্যাপারটি ছিল এই যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথীদের সাথে খেলছিলেন। এমন সময় ফেরেশতা জিবরাঈল আলাইহিস সালাম এসে তাকে কিছু দূরে নিয়ে বুক চিরে ফেলেন। অতঃপর কলীজা বের করে যমযমের পানি দিয়ে ধুয়ে কিছু জমাট রক্ত ফেলে দেন এবং বলেন,هَذَا حَظُّ الشَّيْطَانِ مِنْكَ ‘এটি তোমার মধ্যেকার শয়তানের অংশ’। অতঃপর বুক পূর্বের ন্যায় জোড়া লাগিয়ে দিয়ে তিনি অদৃশ্য হয়ে যান। পুরা ব্যাপারটি খুব দ্রুত সম্পন্ন হয়। সাথী বাচ্চারা ছুটে গিয়ে হালীমাকে খবর দিল যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিহত হয়েছে। তিনি ছুটে এসে দেখেন যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মলিন মুখে দাঁড়িয়ে আছে’।[1] হালীমা তাকে বুকে তুলে বাড়ীতে এনে সেবা-যত্ন করতে থাকেন। এই অলৌকিক ঘটনায় হালীমা ভীত হয়ে পড়েন এবং একদিন তাঁকে তার মায়ের কাছে ফেরত দিয়ে যান। তখন তার বয়স ছিল ছয় বছর। তাঁর দ্বিতীয়বার...

চিরস্থায়ী আট জান্নাতের সুসংবাদ

 #চিরস্থায়ী_আট_জান্নাতের_সুসংবাদ_ও_ফিতনা__কিয়ামতের_আলামত আল কুরআনে আট ধরনের #জান্নাতের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ফিরদাউসঃ এ জান্নাত সম্বন্ধে মহান আল্লাহ বলেছেন, নিশ্চয় যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তাদের অভ্যর্থনার জন্য আছে ফিরদাউসের উদ্যান। সেথায় তারা স্থায়ী হবে; এর পরিবর্তে তারা অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হওয়া কামনা করবে না। (কাহ্‌ফঃ ১০৭-১০৮)। অবশ্যই বিশ্বাসিগণ সফলকাম হয়েছে। যারা ... তারাই হবে উত্তরাধিকারী। উত্তরাধিকারী হবে ফিরদাউসের; যাতে তারা চিরস্থায়ী হবে। (মু'মিনূনঃ ১-১১)। আনাস (রাঃ) বলেন, উম্মে রুবাইয়ে’ বিন্তে বারা’ যিনি হারেষাহ ইবনে সূরাকাহর মা, তিনি নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে হারেষাহ সম্পর্কে কিছু বলবেন না? সে বদরের দিনে খুন হয়েছিল। যদি সে জান্নাতী হয়, তাহলে ধৈর্য ধারণ করব, অন্যথা তার জন্য মন ভরে অত্যাধিক কান্না করব।' তিনি বললেন, “হে হারেষার মা! জান্নাতের মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের জান্নাত আছে। আর তোমার ছেলে সর্বোচ্চ ফিরদাউস (জান্নাতে) পৌছে গেছে।” (বুখারী) মহানবী (ﷺ) বলেন, “অবশ্যই জান্নাতে একশ’টি দরজা (মর্যাদা) রয়েছে, যা আল্লাহ তার পথে জিহাদকার...

Allahu Akbar

 #আল্লাহু_আকবর_যিকিরের_দর্শন  #আল্লাহু_আকবর হল সবচেয়ে মহৎ বাক্যগুলির মধ্যে একটি। কিন্তু আপনি যখন গুগলে "আল্লাহু আকবরের অর্থ" লিখবেন, প্রথম অনুসন্ধান ফলাফল আপনাকে জিহাদ ওয়াচ, ব্রিটবার্ট এবং আরবান অভিধানে নিয়ে যাবে। জিহাদ ওয়াচ আপনাকে বলে যে আল্লাহু আকবর হল "ইসলামী জিহাদিদের সর্বব্যাপী যুদ্ধ ঘোষণা কারণ তারা গণহত্যা করে।" আল্লাহু আকবার সম্পর্কে আরবান ডিকশনারির একটি সংজ্ঞা, যা ইন্টারনেটের সবচেয়ে প্যাসিভ আগ্রাসী ব্যবহারকারীদের আবাসস্থল, "মানুষের দ্বারা যা বলা হয় ঈশ্বরের নামে অভিযুক্তদের শিরশ্ছেদ করা হয়।" এবং ব্রেটবার্ট, গড় রক্ষণশীলদের জন্য সর্বনাশ ও গ্লামের অশুভ নবী, জোর দিয়ে বলেছেন যে আল্লাহু আকবর মানে "আল্লাহ আপনার ঈশ্বর বা সরকারের চেয়ে মহান।" তাকবীর-অর্থাৎ আল্লাহু আকবার- আরবি বাক্যের অর্থ "আল্লাহ মহান।" কিন্তু পশ্চিমা ইসলাম বিদ্বেষীদের কাছে তাকবির একটি ভয়ঙ্কর জিনিস। আল্লাহ বলেন, وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ (সূরা আনকাবূত ৪৫ আয়াত) আল্লাহু আকবর হল আল্লাহর মহিমার ঘোষণা, এবং তাঁর মহিমার কাছে আমাদের আত্মসমর্পণের প্রতিজ্ঞা। আমরা আল্লাহ...

সূরা কাহাফ_জ্ঞানীদের জ্ঞানরাজ্য

 #Surah_Kahf_A_Masterpiece_Of_Philosophy  #সূরা_কাহাফ_জ্ঞানীদের_জ্ঞান_রাজ্য #সূরা_কাহাফ_প্রথম_পর্ব  আয়াত ৩৯-৪৬ وَ لَوۡ لَاۤ اِذۡ دَخَلۡتَ جَنَّتَكَ قُلۡتَ مَا شَآءَ اللّٰهُ ۙ لَا قُوَّۃَ اِلَّا بِاللّٰهِ ۚ اِنۡ تَرَنِ اَنَا اَقَلَّ مِنۡكَ مَالًا وَّ وَلَدًا (আয়াত -৩৯) আর যখন তুমি তোমার বাগানে প্রবেশ করলে, তখন কেন তুমি বললে না, ‘মাশাআল্লাহ’! আল্লাহর তৌফিক ছাড়া কোন শক্তি নেই। তুমি যদি দেখ যে, আমি সম্পদে ও সন্তানে তোমার চেয়ে কম, এ আয়াত থেকে সালফে সালেহীনের কেউ কেউ বলেনঃ কোন পছন্দনীয় বস্তু দেখার পর যদি (مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ) বলে দেয়া হয়, তবে কোন বস্তু তার ক্ষতি করে না। [ইবন কাসীর] অর্থাৎ পছন্দনীয় বস্তুটি নিরাপদ থাকে বা তাতে চোখ লাগার মত ক্ষতি হয় না। সহীহ হাদীসেও এ আয়াতের মত একটি হাদীস এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে বললেনঃ “আমি কি তোমাকে জান্নাতের একটি মূল্যবান সম্পদের সন্ধান দেব না? সেটা হলো: “লা হাওলা ওলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।” [বুখারী: ৬৩৮৪, মুসলিম: ২৭০৪] আবার কোন কোন বর্ণনায় বলা হ...

মুহাম্মদ (স) এর উপর যাদু্র প্রভাব

 #মহানবী_স_এর_উপর_জাদু_Black_Magic_On_The_Prophet_Muhammad_Sm হত্যা প্রচেষ্টা ছাড়াও তাঁকে জাদু করে পাগল বানিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করে ষড়যন্ত্রকারীরা। ইহুদীদের মিত্র বনু যুরায়েক গোত্রের লাবীদ বিন আ'ছাম নামক জনৈক মুনাফিক তার মেয়েদের মাধ্যমে এই জাদু করে। প্রথমে সে রাসূল (স)-এর খেদমতে নিযুক্ত এক ছেলের মাধ্যমে কয়েকটি চুলসহ রাসূল (স)-এর ব্যবহৃত চিরুনীটি সংগ্রহ করে। অতঃপর তার কন্যাদের দ্বারা উক্ত চুলে ১১টি জাদুর ফুঁক দিয়ে ১১টি গিরা দেয় ও তার মধ্যে ১১টি সুঁচ ঢুকিয়ে দেয়। অতঃপর চুল ও সুঁচ সমেত চিরুনীটি একটি খেজুরের শুকনা কাঁদির আবরণীর মধ্যে প্রবেশ করিয়ে 'যারওয়ান' কুয়ার তলায় একটি বড় পাথরের নীচে চাপা দিয়ে রাখে। মা আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত,   "নবী (সা.) কে যাদু করা হয়েছে। তখন এমন মনে হতো যে, তিনি কোন একটি কাজ করেছেন অথচ তিনি সে কাজটি আদৌ করেননি। একদা তিনি এ ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলার নিকট করুণ প্রার্থনা করেন। অতঃপর তিনি আমাকে বললেন: তুমি জানো কি? আল্লাহ্ তা'আলা আমার চিকিৎসা বাতলে দিয়েছেন। আমার নিকট দু'জন ফিরিশা আসলেন। তম্মধ্যে এক জন আমার মাথার নিকট আর অপর জন আমার পায়ের নিকট বস...

সিহর বা যাদু

 সিহর (যাদু, জাদুবিদ্যা) কি বাস্তব?এর কোন প্রভাব আছে? সিহর একটি গুরুতর অপরাধ এবং কুফরের একটি প্রকার। যাদুকররা মানুষকে বিভ্রান্ত ও বিভ্রান্ত করার জন্য যা করে তাই সিহর, যাতে যে দেখে সে মনে করে যে এটি বাস্তব কিন্তু বাস্তবে তা নয়। সিহর একটি গুরুতর অপরাধ এবং কুফরের একটি প্রকার। অতীতে এবং বর্তমানে, অতীতের জাতির মধ্যে, জাহিলিয়াতের সময় এবং এই উম্মাতের মধ্যে যে বিষয়গুলো দিয়ে মানুষকে পরীক্ষা করা হয়েছে তার মধ্যে এটি একটি। যত বেশি অজ্ঞতা বাড়বে, বিশ্বাসের জ্ঞান ও সচেতনতা তত কম হবে, কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে তত কম মনোযোগ দেবে - সিহর ও কারসাজির চর্চাকারীরা যত বেশি দেশে বৃদ্ধি পাবে এবং ছড়িয়ে পড়বে, মানুষের ধন-সম্পদ কেড়ে নেবে এবং বিভ্রান্ত করবে। যখন জ্ঞানের প্রাবল্য হয় এবং ঈমান বৃদ্ধি পায়, এবং ইসলামী কর্তৃপক্ষ শক্তিশালী হয়, তখন এই দুষ্ট লোকদের সংখ্যা সঙ্কুচিত হয় এবং তারা এক দেশ থেকে অন্য দেশে চলে যায়, এমন একটি জায়গা খুঁজতে থাকে যেখানে তাদের মিথ্যা গৃহীত হবে এবং তারা তাদের প্রতারণা ও কৌশলে লিপ্ত হতে সক্ষম হবে। সিহরের অনুশীলনকারীরা গোপনে এমন জিনিসের সাথে লেনদেন করে যা দ্বারা  তারা মানু...

Evil eye

 #Evil_Eye_বদনজর আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ وَإِنْ يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ অর্থঃ কাফিররা যখন উপদেশ বাণী (কুরআন) শ্রবণ করে তখন তারা যেন তাদের তীক্ষ্ম দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়িয়ে ফেলতে চায় এবং বলেঃ সে তো এক পাগল। (সূরা কলামঃ ৫১) হাফেজ ইবনে কাসীর (রাহেমাহুল্লাহ) ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন যে, )ليزلِقُونَكَ( "তোমার প্রতি বদনজর দিবে।" অর্থাৎ তারা তোমাকে হিংসার প্রতিফলন ঘটিয়ে রুগী বানিয়ে দিবে যদি আল্লাহর তোমার প্রতি হেফাযত না থাকে। আয়াতটি প্রমাণ বহন করে যে, বদনজরের কুপ্রভাবের বাস্তবতা রয়েছে, আল্লাহর হুকুমে। যেমন এ ব্যাপারে হাদীসও রয়েছে। (তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ৪/৪১০) হাদীসসমূহ থেকে প্রমাণঃ ১। আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেনঃ عن ابي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم العين حق বদ নজর সত্য। (বুখারীঃ ১০/২১৩) অর্থাৎ এর বাস্তবতা রয়েছে, এর কুপ্রভাব লেগে থাকে। ২। আয়েশা সিদ্দীকা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বর্ণ...

মূসা (আর) এর লাঠী

 আরবিতে প্রবাদ আছে: 'লি-কুল্লে ফেরআউনা মুসা' অর্থাৎ প্রত্যেক জালেম অত্যাচারী ফেরাউনকে শায়েস্তা করার জন্য একজন মুসা থাকে। সূরা ত্বা-হা:৬৬  মুসা বললেন, বরং তোমরাই নিক্ষেপ কর। অতঃপর তাদের জাদু-প্রভাবে হঠাৎ মুসার মনে হল তাদের দড়ি ও লাঠিগুলো ছুটোছুটি করছে। (১) (১) এ থেকে জানা যায় যে, ফিরআউনী জাদুকরদের জাদু ছিল এক প্রকার নযরবন্দী, যা মেসমেরিজমের মাধ্যমেও সম্পন্ন হয়ে যায়। লাঠি ও দড়িগুলো দর্শকদের দৃষ্টিতেই নযরবন্দীর কারণে সাপরূপে দৃষ্টিগোচর হয়েছে; প্রকৃতপক্ষে এগুলো সাপ হয়নি। অধিকাংশ জাদু এরূপই হয়ে থাকে। [ইবন কাসীর] [1] মূসা (আঃ) তাদেরকে প্রথমে নিজেদের খেলা দেখাতে বললেন, যাতে এটা তাদের নিকট পরিষ্কার হয়ে ওঠে যে, জাদুকরের এতবড় একটি দল যাদেরকে ফিরআউন একত্রিত করে নিয়ে এসেছে তাদেরকে এবং অনুরূপ তাদের জাদুর নৈপুণ্যে ও ভেল্কিবাজিতে তিনি ভীত নন। দ্বিতীয়তঃ ওদের জাদুর ভেল্কি যখন আল্লাহর মু'জিযার সামনে চোখের পলকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, তখন এর একটি সুন্দর প্রতিক্রিয়া হবে এবং জাদুকররা ভাবতে বাধ্য হবে যে, এটা জাদু নয়; বরং সত্যই তিনি আল্লাহর সাহায্যপ্রাপ্ত। নচেৎ ক্ষণিকের মধ্যে তাঁর একটি লাঠি আমাদের সম...

জ্বিনের সাথে কথোপকথন

 #জ্বীনের_সাথে_কথোপকথন চিকিৎসার সময়ে চিকিৎসক জ্বীনের সাথে কথা বলার সময় জ্বিনকে ৫টি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন এবং তার সাথে কখনও দীর্ঘ কথোপকথনে জড়াবেন না।  *দীর্ঘ কথোপকথনে জড়াবেন না* , এর কারণ তখন জ্বিন সুযোগ পেয়ে যাবে - যখন চিকিৎসক কোরআন তেলাওয়াত করছিল তখন জ্বিন তা সহ্য করতে পারছিল না এবং আপনি যখন তার সাথে কথা বলছেন,জ্বিন অবকাশ পেয়ে যাচ্ছে নিজেকে সামলে নেয়ার।তাকে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলি জিজ্ঞাসা করুন, যদি সে উত্তর দেয়, ঠিক আছে এবং যদি সে না দেয়, আপনি কুরআন আবৃত্তি চালিয়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত সে কথা বলবেই! ১.নাম কি ২.ধর্ম কি- তাকে আল্লাহকে ভয় করার উপদেশ দিন এবং তাকে ইসলামের দাওয়াত দিন। • যাদুর স্থান কোথায় • সে একা নাকী তার সাথে আরো অনেকে আছে? • কীভাবে যাদু করা হয়েছিল "কে জাদু করেছে" এই প্রশ্নটি কখনও জ্বিনকে করবেন না।এতে আপনি শুধু ই বিভ্রান্তই হবেন। আপনার এই ভুলের কারণে রোগীকে মারাত্মক পর্যায় যেতে হতে পারে। জ্বীনকে চলে যেতে বলুন,যদি না যায়, আপনি তেলাওয়াত চালিয়ে যাবেন।হয় সে চলে যাবে বা মারা যাবে। বিচার দিবসে আপনার কোন দোষ থাকবে না - আল্লাহ বলেনঃ وَ لَمَنِ انْتَص...

তাবিজ এবং প্রতারণা

 #কবিরাজী_এবং_প্রতারণা এই অঞ্চলের মুসলিমদের মাঝে "যাদু টোনা" এর  ইসলামী রূপ দেওয়া হয়েছে (আল্লাহ মাফ করুক), "কবিরাজি"। অর্থাৎ এই অঞ্চলের সাধারণ মুসলিমদের ধারণা, বিভিন্ন পীর-ফকির-বাবা-ওঝা-কবিরাজ ইত্যাদি লোকেরা অনেক বড় সাধক, অনেক বড় আল্লাহওয়ালা (আল্লাহ মাফ করুক), তাদের আমলের কারনে তারা গায়েব জানেন ও সব সমস্যার সমাধান তারা করে দিতে পারেন,(আল্লাহ মাফ করো)ইসলামের নামে প্রকৃতপক্ষে ইসলামবিরোধী কাজ চলছে, আল্লাহর নামে প্রকৃতপক্ষে শয়তানের কাজ চলছে। মানুষগুলো বুঝতেও পারছে না যে ঐসব সাধকের কাছে গিয়ে সমস্যা সমাধানের বিনিময়ে শয়তানের কাছে তারা তাদের ঈমান বিক্রি করে দিয়ে আসছে।  আপনি যদি আব্রাহামিক রিলিজিয়নে বিশ্বাসী হয়ে থাকেন, অর্থাৎ মুসলিম অথবা খৃস্টান অথবা ইহুদীধর্মে বিশ্বাসী হয়ে থাকেন (অথবা অন্য কোনো একেশ্বরবাদে) তাহলে আপনাকে যাদু- টোনায় বিশ্বাসী হতেই হবে। কারণ, আব্রাহামিক রিলিজিয়নে শয়তান বলে একটা সত্ত্বার অস্তিত্ব আছে, আর এই যাদু- টোনার উৎস হল সেই শয়তান। আর যদি আপনি স্রষ্টায় অবিশ্বাসী হয়ে থাকেন, তাহলে এসব কথা আপনার কাছে অর্থহীন। "যাদু টোনা" বা black magic হল সেটাই, যে...

কালো যাদুর প্রকার

 কালো জাদুর একেকটার লেভেল একেক রকম। কোনটা দুর্বল বা কোনটা মারাত্মক শক্তিশালী। তবে দুর্বল বা শক্তিশালী সেটা অনেকাংশেই নির্ভর করে ভিক্টিম এর উপর। আপনি যদি প্র্যাক্টিসিং মুসলিম হন,কেবলমাত্র আল্লাহর উপরই নির্ভর করেন তাহলে হয়তো আল্লাহ র রহমতে দ্রুতই কালো জাদুর প্রভাব থেকে মুক্তি পাবেন আমলের মাধ্যমে-দান সদকা করে। মাঝারি পরিসরের ব্ল্যাক ম্যাজিক গুলো থেকে হয়তো নিজের আমলের মাধ্যমে "সেলফ রুকাইয়া" করে মুক্তি পেতে পারেন তবে অগ্রগতি না হলে কোন ভালো আলেমের বা অভিজ্ঞ রাক্বির সাহায্য নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন। কিন্তু যেগুলো মাত্রাতিরিক্ত পাওয়ারফুল সেগুলো থেকে অনেক সময় মুক্তি পাওয়া কষ্টকর হয় এবং দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে কিন্তু আল্লাহ ইচ্ছা করলে কালো জাদু যতই শক্তিশালী হোক না কেন তা আপনার কোন ক্ষতি ই করতে পারবে না in Sha Allah.কিন্তু আল্লাহ যদি কারোর ক্ষতি চান কিংবা এর দ্বারা কারোর পরিক্ষা নিতে চান তাহলে এর দ্বারা জটিলতা বাড়তে পারে। যদি কোন কিছুতেই অগ্রগতি না হয় তাহলে অনেক ফ্যাক্টর দেখতে হয় কেন এতো আমল বা আলেমের সাহায্য নিয়েও কোন সমাধান হল না। এক্ষেত্রে ম্যাক্সিমাম সময় ভিক্টিম এর পাস্ট হিস্ট্...

The ring of Solomon.

 সুলায়মান (আ) এর আংটি চুরি ও রাজত্ব হরণ: وَاتَّبَعُوا مَا تَتْلُو الشَّيَاطِينُ عَلَى مُلْكِ سُلَيْمَانَ  ইহুদীরা (তওরাত অনুসরণের পরিবর্তে) সুলায়মানের রাজত্বকালে শয়তান যা আবৃত্তি করতো তার অনুসরণ করতো। অথচ সুলায়মান (আ) কখনো যাদু করেননি এবং সত্য প্রত্যাখ্যান করেননি। কিন্তু শয়তান মানুষকে জাদু শিক্ষা দিতো এবং যারা এটা করতো তারা কাফের হয়ে গিয়েছিল।  ইহুদীরা বলতো,সুলায়মান (আ)-এর সিংহাসনের নীচে তারা সুলেমান এর সকল জাদুর রহস্য দাফন করেছিল তাঁর রাজত্ব ছিনিয়ে নেওয়ার প্রাক্কালে। কিন্তু সুলেমান (আ) জাদুকর ছিলেন না, তিনি ছিলেন আল্লাহ র একনিষ্ঠ বান্দা। তাঁর সিংহাসনের নীচে কোন জাদুও কেউ লুকিয়ে রাখেনি। তাছাড়া তাঁর রাজত্ব ছিনিয়ে নেবার মত কোন অঘটন ঘটেনি এবং এমন কোন খবরও আল্লাহ বা তাঁর রাসূল (স) আমাদেরকে দেননি। এগুলি নবীগণের মর্যাদার বরখেলাফ এবং স্রেফ ইস্রাঈলী কল্পকাহিনী মাত্র। সুলায়মান (আঃ)-এর অতুলনীয় সাম্রাজ্যে ঈর্ষান্বিত শয়তানেরা সর্বত্র রটিয়ে দেয় যে, জিন-ইনসান ও পশু-পক্ষী সবার উপরে সুলায়মানের একাধিপত্যের মূল কারণ হ'ল তাঁর পঠিত কিছু কালেমা, যার কিছু কিছু আমরা জানি। যারা এগুলি শিখবে ও তার ...

Black Magic and Islam.

#BlackMagic ইসলামে কালো জাদুকে হারাম করা হয়েছে।এটি ইমানকে ধ্বংস করে দেয়।কেউ যদি জেনে-বুঝে কারও ওপর ক্ষতিকর এই জাদু করে,সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে। ইসলামের ফৌজদারি দণ্ডবিধিতে জাদুটোনার শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।যাদুবিদ্যা বা জাদুবিদ্যা (সিহর) প্রায়শই প্রতারণার সাথে সমতুল্য হয় যার উদ্দেশ্য,কারণ এবং প্রভাবের যৌক্তিক সংযোগের সাথে মিথ্যাকে মিশ্রিত করা।জাদু কালো বা সাদা,সব জাদুই হারাম।জ্বিন-জাদুর চিকিৎসার নামে তাবিজ দেয়া ও ব্যবহার করা আল্লাহ র সাথে শিরক করার শামিল। তাবিজ দেয়ার মাধ্যমে রোগী তো সুস্থ ই হয় না বরং তাবিজ ঝুলানোর মাধ্যমে জ্বিন বেঁধে দেয়া হয়।তাই তাবিজ খুললেই রোগী অসুস্থবোধ করে।আর এভাবেই সে অন্ধবিশ্বাসের স্বীকার হয়। জাদুবিদ্যা সংজ্ঞায়িত করা কঠিন।সিহর সম্পর্কে ইসলামের শাস্ত্রীয় উৎসগুলিতেও উপলব্ধ তথ্যগুলিও বিশদ বিবরণে বিস্তৃত নয়।তাই অসাধু চক্র এই দূর্বলতাকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষদের সাথে প্রতারণা করে যাচ্ছে।তারা তথাকথিত রাক্বি,কবিরাজ কিংবা তান্ত্রিক পেশায় নিয়োজিত থেকে সাধারণ মানুষকে,আর্থিকভাবে,শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় এই যে, কিছু রাক...

সকাল সন্ধ্যার সহজ কিছু দোয়া

 সকাল_সন্ধ্যার_দুয়া_ও_জিকির:(এই আমল দ্বারা আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বিন জাদুর সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। কখনও এই আমল ত্যাগ করা যাবে না ইনশাআল্লাহ) 🕋 ১/ সূরাহ বাকারার ২৫৫ আয়াত। "যে ব্যক্তি সকালে আয়াতুল কুরসী পড়বে সে বিকাল হওয়া পর্যন্ত জ্বীন ইবলিশ থেকে আল্লাহর আশ্রয়ে থাকবে, আর যে ব্যক্তি বিকালে তা পড়বে সে সকাল হওয়া পর্যন্ত জ্বীন ইবলিশ থেকে আল্লাহর আশ্রয়ে থাকবে।"  হাদীসটি হাকিম সংকলন করেছেন, ১/৫৬ আর শাইখ আলবানী একে সহীহুত তারগীব ওয়াত-তারহীবে সহীহ বলেছেন ১/২৭আর তিনি একে নাসাঈ, তাবারানীর দিকে সম্পর্কযুক্ত করেছেন এবং বলেছেন, তাবারানীর সনদ 'জাইয়্যেদ' বা ভালো। 🕋 ২/ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি সকাল ও বিকালে 'কুল হু আল্লাহু আহাদ' (সূরা ইখলাস), সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস তিনবার করে বলবে, এটাই তার সবকিছুর (নিরাপত্তার) জন্য যথেষ্ট হবে।" আবু দাউদ ৪/৩২২, নং ৫০৮২; তিরমিযী ৫/৫৬৭, নং ৩৫৭৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮ 🕋 ৩/ رضيت بالله ربا، وبالإسلامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِيًّا উচ্চারণ: রদ্বীতু বিল্লা-হ...