Skip to main content

কালো যাদুর প্রকার


 কালো জাদুর একেকটার লেভেল একেক রকম।


কোনটা দুর্বল বা কোনটা মারাত্মক শক্তিশালী। তবে দুর্বল বা শক্তিশালী সেটা অনেকাংশেই নির্ভর করে ভিক্টিম এর উপর।


আপনি যদি প্র্যাক্টিসিং মুসলিম হন,কেবলমাত্র আল্লাহর উপরই নির্ভর করেন তাহলে হয়তো আল্লাহ র রহমতে দ্রুতই কালো জাদুর প্রভাব থেকে মুক্তি পাবেন আমলের মাধ্যমে-দান সদকা করে।


মাঝারি পরিসরের ব্ল্যাক ম্যাজিক গুলো থেকে হয়তো নিজের আমলের মাধ্যমে "সেলফ রুকাইয়া" করে মুক্তি পেতে পারেন তবে অগ্রগতি না হলে কোন ভালো আলেমের বা অভিজ্ঞ রাক্বির সাহায্য নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।


কিন্তু যেগুলো মাত্রাতিরিক্ত পাওয়ারফুল সেগুলো থেকে অনেক সময় মুক্তি পাওয়া কষ্টকর হয় এবং দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে কিন্তু আল্লাহ ইচ্ছা করলে কালো জাদু যতই শক্তিশালী হোক না কেন তা আপনার কোন ক্ষতি ই করতে পারবে না in Sha Allah.কিন্তু আল্লাহ যদি কারোর ক্ষতি চান কিংবা এর দ্বারা কারোর পরিক্ষা নিতে চান তাহলে এর দ্বারা জটিলতা বাড়তে পারে।


যদি কোন কিছুতেই অগ্রগতি না হয় তাহলে অনেক ফ্যাক্টর দেখতে হয় কেন এতো আমল বা আলেমের সাহায্য নিয়েও কোন সমাধান হল না। এক্ষেত্রে ম্যাক্সিমাম সময় ভিক্টিম এর পাস্ট হিস্ট্রি চেক করে দেখা উচিত। ভিকটিমের মা-বাবার সঙ্গে কিংবা পূর্ব পুরুষদের সাথে এর কোন সংযোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা উচিত।


কালোজাদুর ভেতরে সবথেকে মারাত্মক শয়তানের সাথে রক্ত দিয়ে চুক্তি করা।এই  চুক্তি বাতিল করার রুকাইয়া না করা পর্যন্ত বংশ থেকে বংশে এই কালোজাদুর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে।


"মুসনাদে আহমাদে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ "যে ব্যক্তিই (বাড়ী হতে) বের হয় তারই দরজার উপর দু'টি পতাকা থাকে, একটি থাকে ফেরেশতার হাতে এবং অপরটি থাকে শয়তানের হাতে। যদি সে এমন কাজের জন্যে বের হয়ে থাকে যাতে আল্লাহ সন্তুষ্ট, তবে ফেরেশতা তাঁর পতাকা নিয়ে তার সাথী হয়ে যান এবং তার প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত সে ফেরেশতার পতাকার নীচেই থাকে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি আল্লাহর অসন্তুষ্টির কাজে বের হয়, শয়তান তার পতাকা নিয়ে তার সাথী হয়ে যায় এবং তার প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত সে শয়তানের পতাকা তলেই থাকে।"(আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন।)


তেমনি কালোজাদুর রুকাইয়ার ক্ষেত্রেও আপনাকে আল্লাহ র পথে অদৃশ্য বিদ্রোহী শয়তান কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েই রুকাইয়া শুরু করতে হবে।যে আল্লাহর জন্য যুদ্ধ করে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা স্বয়ং তাঁকে পথ দেখান। সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তা যখন আপনার পক্ষে থাকবেন তখন আপনার বিজয় নিশ্চিত in Sha Allah.


সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর যিনি রাতকে দিনের মাঝে এবং দিনকে রাতের মাঝে প্রবেশ করান।

Shorna Abedin

Comments

Popular posts from this blog

থানাটোফোবিয়া ও মৃত্যু জাদু।

 #DeathMagic #illness_Magic বিভিন্ন ধরনের কালো জাদু আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল মৃতের কাফন থেকে তৈরি "মৃত্যু জাদু" এবং "অসুখের জাদু"।এটা মেসোনিক বা ফারাও দের জাদু হিসেবেও পরিচিত। 'থানাটোফোবিয়া' এর মানে আপনার মৃত্যু বা মৃত্যুর ভয় আছে। থানাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজের মৃত্যুকে নিয়ে কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের মৃত্যু বা মৃত্যু প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভয় পেতে পারেন।এটা অনেক সময় 'মৃত্যু র জাদু র লক্ষণ প্রকাশ করে। কিছু তথাকথিত অনভিজ্ঞ রাক্বি ক্যান্সারকে কালোজাদু র সাথে মিশিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করে অহেতুক ভীতি প্রদর্শন করে। মূলত, ক্যান্সার একটি জৈব প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়ে থাকে।এটার সাথে জ্বিন বা জাদুর কোন সম্পর্ক নেই। লক্ষণ: ধড়ফড়, বুকের মধ্যে বিষাদ এবং আঁটসাঁটতা, পিঠের নিচের দিকে এবং কাঁধে ব্যথা, রাতে অনিদ্রা, ভয়ের তীব্র আবেগ এবং অস্বাভাবিক ক্রোধ। ঘন ঘন ঝাঁকুনি ও দীর্ঘশ্বাস, বিচ্ছিন্নতার প্রতি ভালোবাসা, অলসতা, ঘুমের ইচ্ছা এবং কোনো চিকিৎসা কারণ ছাড়াই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা। আইন হাসাদের কারনেও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।জাবের (রাযিয়া...

সুলাইমানী রাজবংশ এবং গোপন কালোজাদু।

  Suleimani Dynasty and the Secret Black Magic. আল জুহারি আল সুলাইমানী সম্পর্কে অনেক গল্প রয়েছে। মরক্কোর প্রসিদ্ধ কিছু রাক্বি যেভাবে এর ব্যাখ্যা করছেন তাতে তা শিরকের পর্যায়ে চলে যায়। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।আসলে,এটা শিশুদের এক বিরল রোগ।কালো যাদুর নামে ভয়ংকর গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে একদল তান্ত্রিক নির্বাচিত কিছু শিশুদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু লোভী মানুষ যখন জাদুকর তান্ত্রিক বা কবিরাজের কাছে যায় তারা তাদেরকে বিশেষ চিহ্ন বিশিষ্ট এক শিশুকে হত্যা করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু শিশুটি যদি আল্লাহ র ইচ্ছায় বেঁচে যায় তখন জ্বিনেরা অজ্ঞানতার কারনে ভাবে যে ঐ শিশুটির জ্বিনদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।যেমন মহান আল্লাহ নবী সুলেমান আলাইহিস সালাম কে দিয়েছিলেন। অনেকের মতে,সিফিলিস বংশগত, কোনো রোগ নয়,এবং ৭টি চিহ্ন আছে যা সিফিলিসের ধরন প্রকাশ করে।সিফিলিটিক ব্যক্তির শরীরে স্পষ্ট দৃশ্যমান চিহ্ন থাকে, যেমন হাতের আড়াআড়িভাবে কাটা রেখা, বা জিহ্বাকে লম্বালম্বিভাবে বিভক্ত করে, বা চোখ দৃশ্যমান চকচকে, ইত্যাদি। অনেকে বিশ্বাস করেন যে এরা আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী হন। জ্বীনদের সাথে ভেনুসিয়ান মান...

Dajjalic Concepts and the Use of Black Magic: A Psychological and Scientific Analysis

  আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: ‘‘আমি তোমাদেরকে দাজ্জালের বিষয়ে একটি কথা বলব যা কোনো নবী তাঁর জাতিকে বলেন নি; তা হলো যে, দাজ্জাল কানা। আর সে তার সাথে জান্নাত ও জাহান্নামের নমুনা নিয়ে আসবে। যাকে সে জান্নাত বলবে সেটিই জাহান্নাম।’’ *মুসলিম, আস-সহীহ ৪/২২৫০ (কিতাবুল ফিতান..., যিকরিদ্দাজ্জাল) দাজ্জাল ও কালো জাদুর Psychological সম্পর্ক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ইসলামী শিক্ষায় দাজ্জালকে মহা প্রতারক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যিনি কিয়ামতের পূর্বে মানুষের ঈমান, বোঝাপড়া ও বিচারশক্তি পরীক্ষা করবেন। দাজ্জালের ক্ষমতা মূলত মানুষের বিশ্বাস, ঈমান এবং মানসিক দুর্বলতার উপর নির্ভর করে। অন্যদিকে, কালো জাদু (black magic) বাস্তব জগতে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এবং তাদের জীবন, শারীরিক ও মানসিক অবস্থায় প্রভাব ফেলতে ব্যবহৃত হয়। এ দুই ধারণার মধ্যে গভীরভাবে psychological মিল বিদ্যমান। ১. কালো জাদুর ব্যবহার ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কালো জাদু বা occult practice প্রায়শই ritually মানুষের belief system প্রভাবিত করে। এর মূল উদ্দেশ্য fear, hope বা devotion-এর মাধ্যমে perception পরিবর্তন করা। বৈজ্ঞানিকভাবে এটি...