Skip to main content

Black Magic and Islam.



#BlackMagic


ইসলামে কালো জাদুকে হারাম করা হয়েছে।এটি ইমানকে ধ্বংস করে দেয়।কেউ যদি জেনে-বুঝে কারও ওপর ক্ষতিকর এই জাদু করে,সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে। ইসলামের ফৌজদারি দণ্ডবিধিতে জাদুটোনার শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।যাদুবিদ্যা বা জাদুবিদ্যা (সিহর) প্রায়শই প্রতারণার সাথে সমতুল্য হয় যার উদ্দেশ্য,কারণ এবং প্রভাবের যৌক্তিক সংযোগের সাথে মিথ্যাকে মিশ্রিত করা।জাদু কালো বা সাদা,সব জাদুই হারাম।জ্বিন-জাদুর চিকিৎসার নামে তাবিজ দেয়া ও ব্যবহার করা আল্লাহ র সাথে শিরক করার শামিল। তাবিজ দেয়ার মাধ্যমে রোগী তো সুস্থ ই হয় না বরং তাবিজ ঝুলানোর মাধ্যমে জ্বিন বেঁধে দেয়া হয়।তাই তাবিজ খুললেই রোগী অসুস্থবোধ করে।আর এভাবেই সে অন্ধবিশ্বাসের স্বীকার হয়।


জাদুবিদ্যা সংজ্ঞায়িত করা কঠিন।সিহর সম্পর্কে ইসলামের শাস্ত্রীয় উৎসগুলিতেও উপলব্ধ তথ্যগুলিও বিশদ বিবরণে বিস্তৃত নয়।তাই অসাধু চক্র এই দূর্বলতাকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষদের সাথে প্রতারণা করে যাচ্ছে।তারা তথাকথিত রাক্বি,কবিরাজ কিংবা তান্ত্রিক পেশায় নিয়োজিত থেকে সাধারণ মানুষকে,আর্থিকভাবে,শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় এই যে, কিছু রাক্বি কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী চিকিৎসার নাম করে বছরের পর বছর রোগীকে হিপনোটাইজ করে তাকে আর্থিকভাবে ও মানসিকভাবে এতোটাই বিপর্যস্ত করে তোলে যে রোগী আত্মঘাতী হয়ে পড়ে।দেড় বছর ধরে অসুস্থ থাকায় এবং এই বিষয়ে লেখাপড়া করে এর ভয়াবহতা সম্পর্কে উপলব্ধি হয়।


সমসাময়িক সমাজে, দুর্ভাগ্যবশত কালো জাদুর চর্চা ক্রমশ সাধারণ হয়ে উঠেছে। প্রাচীন বিশ্বাস এবং অনুশীলনের মধ্যে নিহিত, এটি ইসলাম দ্বারা তীব্রভাবে নিন্দা করা সত্ত্বেও আধুনিক জীবনে একটি বিশেষ স্থান পেয়েছে। ইউরোপীয় কালচারের সাথে মিল করে হলোইন ডে পালন করা সহ,হাত দেখা-ভাগ্য গণনা,খবর কাগজে প্রতিদিনের রাশিচক্রের আপডেট নেয়া, বিভিন্ন পাথরের আংটি ব্যবহার করা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার।অথচ এগুলো শিরকের অন্তর্ভুক্ত। নিজেদের অজান্তেই জ্বিন শয়তান কে খুশি করে রিচুয়াল করা হচ্ছে। অথচ ইসলামে এগুলো হারাম।ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে, কালো জাদু একটি গুরুতর পাপের প্রতিনিধিত্ব করে, কারণ এটি একেশ্বরবাদের মৌলিক নীতি এবং নৈতিক আচরণের বিরোধিতা করে। এই রচনাটির লক্ষ্য কালো জাদু, এর প্রভাব, এবং সমাজে এর ব্যাপকতা মোকাবেলার উপায় সম্পর্কে ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গি অন্বেষণ করা।


ইসলাম সব ধরনের জাদু নিষিদ্ধ করে, তা কালো বা সাদা, কারণ তারা উভয়ই অতিপ্রাকৃত শক্তি এবং জাদুবিদ্যার উপর নির্ভর করে। কুরআনে বলা হয়েছে,


এবং সুলায়মানের রাজত্বকালে শয়ত্বানরা যা পাঠ করত, তারা তা অনুসরণ করত, মূলতঃ সুলায়মান কুফরী করেনি বরং শয়ত্বানরাই কুফুরী করেছিল, তারা মানুষকে যাদু শিক্ষা দিত এবং যা বাবিলের দু'জন ফেরেশতা হারূত ও মারূতের উপর পৌঁছানো হয়েছিল এবং ফেরেশতাদ্বয় কাউকেও (তা) শিখাতো না যে পর্যন্ত না বলত, আমরা পরীক্ষা স্বরূপ, কাজেই তুমি কুফরী কর না, এতদসত্ত্বেও তারা উভয়ের নিকট হতে এমন জিনিস শিক্ষা করতো, যদ্বারা তারা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করতো, মূলতঃ তারা তাদের এ কাজ দ্বারা আল্লাহর বিনা হুকুমে কারও ক্ষতি করতে পারত না, বস্তুতঃ এরা এমন বিদ্যা শিখত, যদ্বারা তাদের ক্ষতি সাধিত হত আর এদের কোন উপকার হত না এবং অবশ্যই তারা জানত যে, যে ব্যক্তি ঐ কাজ অবলম্বন করবে পরকালে তার কোনই অংশ থাকবে না, আর যার পরিবর্তে তারা স্বীয় আত্মাগুলোকে বিক্রয় করেছে, তা কতই না জঘন্য, যদি তারা জানত!


 (আল কুরআন ২:১০২)


এই আয়াতটি ব্যাখ্যা করে যে জাদু হল শয়তানের একটি প্রলোভন, যার লক্ষ্য মানুষকে ধার্মিকতার পথ থেকে বিপথে নিয়ে যাওয়া। উপরন্তু, কুরআন যাদুবিদ্যার জ্ঞান অন্বেষণের বিরুদ্ধে সতর্ক করে, কারণ এটি আল্লাহ র অবাধ্যতা এবং আধ্যাত্মিক দুর্নীতিকে আমন্ত্রণ জানায়।


নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে, কালো জাদু ন্যায়বিচার, সমবেদনা এবং মানব মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধার নীতি লঙ্ঘন করে। অতিপ্রাকৃত উপায়ে অন্যদের নিয়ন্ত্রণ বা ক্ষতি করার চেষ্টা করে, কালো জাদুর অনুশীলনকারীরা তাদের শিকারের অধিকার এবং স্বায়ত্তশাসন লঙ্ঘন করে। ইসলাম অন্যদের সাথে সদয় এবং ন্যায্যতার সাথে আচরণ করার গুরুত্বের উপর জোর দেয় এবং কালো জাদু এই নীতিগুলি থেকে একটি স্পষ্ট বিচ্যুতির প্রতিনিধিত্ব করে।


সমাজে কালো জাদুর ক্রমবর্ধমান প্রসারকে মোকাবেলা করার জন্য, শিক্ষা, ধর্মীয় নির্দেশিকা এবং সম্প্রদায়ের সমর্থনকে অন্তর্ভুক্ত করে এমন একটি বহুমুখী পদ্ধতি গ্রহণ করা অপরিহার্য। প্রথম এবং সর্বাগ্রে, কালো জাদুর বিপদ এবং ইসলামে এর নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামী পন্ডিত এবং ধর্মীয় নেতাদের সক্রিয়ভাবে এই অনুশীলনের নিন্দা করা উচিত এবং কীভাবে এর প্রলোভনগুলিকে প্রতিহত করা যায় সে সম্পর্কে নির্দেশনা প্রদান করা উচিত।


কালো জাদুতে আক্রান্ত রোগীদের কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়া এবং তাকে মানসিক ভাবে সাপোর্ট দেয়া অপরিহার্য। পাশাপাশি মেডিকেল সাইন্সের সহায়তা নেয়াও আবশ্যক। ভুল চিকিৎসার কারণে রোগীর অনেক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।এমন কোন রাক্বির সরণাপন্ন হওয়া উচিত নয় যে তাকে আরো বিপদের দিকে নিয়ে যাবে, তাই রাক্বি নির্বাচনে সচেতন হতে হবে।কাউন্সেলিং পরিষেবা এবং আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনা ব্যক্তিদের কালো জাদু দ্বারা লক্ষ্যবস্তু হওয়ার সাথে সম্পর্কিত মানসিক আঘাত কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।তাই রোগীকে সাহস দেয়ার উদ্দেশ্যে বেশী করে কাউন্সেলিং করা উচিত।তাকে আল্লাহর মহানুভবতার এবং সার্বভৌম ক্ষমতার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান দিতে হবে। বেশী করে কুরআন বুঝে পাঠ করা ও আমল করার ব্যাপারে জোর দিতে হবে। পাশাপাশি আল্লাহর জিকিরের দ্বারা মনোবল বৃদ্ধি করতে হবে।


সৌদি আরবে, ইসলামিক আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত অন্যান্য দেশের মতো, কালো জাদুর অনুশীলনকে প্রকৃতপক্ষে আইন দ্বারা শাস্তিযোগ্য একটি গুরুতর অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ইসলামে কালো জাদুর নিষেধাজ্ঞার মূলে রয়েছে কুরআনের আয়াত এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা, যা দ্ব্যর্থহীনভাবে এই ধরনের প্রথাকে নিন্দা করে।


আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ


وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ


অর্থঃ "আর আমার অবতরণ করা কুরআনের আয়াতে মু'মিনদের জন্যে আরোগ্য এবং রহমত রয়েছে।" (সূরা ইসরাঃ ৮২)


আরোগ্য বলতে আভ্যন্তরীণ আরোগ্যকে বুঝানো হয়েছে, অর্থাৎ সংশয়, শিরক, কুফর ইত্যাদি রোগের আরোগ্য। কেউ বলেনঃ দৈহিক ও আত্মিক উভয় রোগের আরোগ্য।

এক হাদীস দ্বারাও প্রমাণিত হয়, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার কাছে আগমন করলেন; সে সময় তার কাছে এক রমণী বসা ছিলেন, যে তার ঝাড়-ফুকের মাধ্যমে চিকিৎসা করছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ "তাকে আল্লাহর কিতাব দ্বারা চিকিৎসা কর ।(সহীহ)


এই হাদীস থেকে বুঝা যায় যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কুরআনের কোন বিশেষ অংশের মাধ্যমে চিকিৎসার নির্দেশ না দিয়ে সাধারণ ভাবে কুরআনের কথা উল্লেখ করেছেন। তাদ্বারা বুঝা গেল যে, সমস্ত কুরআন আরোগ্য অর্জনের উপায়। বাস্তবতার আলোকে প্রমাণিত যে, কুরআন শুধুমাত্র, যাদু, বদনজর ও হিংসারই চিকিৎসা নয়; বরং দৈহিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গেরও চিকিৎসা রয়েছে এতে।


কালো জাদুর ক্ষতিকর প্রভাব সুস্থ-সবল মানুষকে এমনকি একটি পরিবারকেও ধ্বংস করে দিতে পারে। এর প্রভাবে অনেক রকম ক্ষতি হয়। অসুখ-বিসুখ লেগে থাকা, ওষুধে কাজ না হওয়া, ঔদ্ধত্যপূর্ণ কিংবা অস্বাভাবিক আচরণ করা, চাকরি-ব্যবসা না হওয়া বা বেকার থাকা, শত্রু বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে কালো জাদুর প্রভাবে।


আল্লাহ তাআলা মানুষকে পরীক্ষা করার জন্যই কালো জাদুর অস্থিত্ব বিলীন করে দেননি, যেমনটি বিলীন করেননি শয়তানের সওয়ার হওয়ার শক্তি, বদনজর কিংবা নফসের শয়তানীসহ ইত্যাদি ক্ষতিকর দিকগুলো। আলেমদের মতে, নিশ্চয়ই এতে কোনো হেকমত লুকিয়ে আছে।মহান আল্লাহ ই সবথেকে বেশী ভালো জানেন।


প্রত্যেক মুসলিমের উচিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং অন্যান্য ফরজ ইবাদতের পাশাপাশি সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন দোয়াগুলো পড়া,ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস পড়ে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ অনুযায়ী ৩বার শরীর মাসেহ করা।এছাড়াও ঘরে প্রবেশ ও বের হওয়ার দোয়া, টয়লেটে প্রবেশ ও বের হওয়ার দোয়া, খাওয়া-দাওয়ার আগে ও পরের দোয়া, ঘুমানোর আগের দোয়াসমুহ সহ দৈনন্দিনের দোয়া সমুহ সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা উচিত। এসব কারণে ইনশাআল্লাহ জাদুর প্রভাব পড়বে না, কিংবা খারাপ জ্বিনও সওয়ার হতে ইনশাআল্লাহ পারবে না। সুরা বাকারা-সূরা আলে ইমরান যে ঘরে নিয়মিত পড়া হয় সে ঘরে শয়তান প্রবেশ করতে পারে না। সর্বোপরি নিয়মিত কুরআন বুঝে পড়া ও সে অনুযায়ী আমল করা। আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন।


সকল প্রশংসা সেই মহান আল্লাহর যিনি রাতকে দিনের মাঝে এবং দিনকে রাতের মাঝে প্রবেশ করান।

Shorna Abedin  

#shornaabedin

Comments

Popular posts from this blog

থানাটোফোবিয়া ও মৃত্যু জাদু।

 #DeathMagic #illness_Magic বিভিন্ন ধরনের কালো জাদু আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল মৃতের কাফন থেকে তৈরি "মৃত্যু জাদু" এবং "অসুখের জাদু"।এটা মেসোনিক বা ফারাও দের জাদু হিসেবেও পরিচিত। 'থানাটোফোবিয়া' এর মানে আপনার মৃত্যু বা মৃত্যুর ভয় আছে। থানাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজের মৃত্যুকে নিয়ে কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের মৃত্যু বা মৃত্যু প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভয় পেতে পারেন।এটা অনেক সময় 'মৃত্যু র জাদু র লক্ষণ প্রকাশ করে। কিছু তথাকথিত অনভিজ্ঞ রাক্বি ক্যান্সারকে কালোজাদু র সাথে মিশিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করে অহেতুক ভীতি প্রদর্শন করে। মূলত, ক্যান্সার একটি জৈব প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়ে থাকে।এটার সাথে জ্বিন বা জাদুর কোন সম্পর্ক নেই। লক্ষণ: ধড়ফড়, বুকের মধ্যে বিষাদ এবং আঁটসাঁটতা, পিঠের নিচের দিকে এবং কাঁধে ব্যথা, রাতে অনিদ্রা, ভয়ের তীব্র আবেগ এবং অস্বাভাবিক ক্রোধ। ঘন ঘন ঝাঁকুনি ও দীর্ঘশ্বাস, বিচ্ছিন্নতার প্রতি ভালোবাসা, অলসতা, ঘুমের ইচ্ছা এবং কোনো চিকিৎসা কারণ ছাড়াই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা। আইন হাসাদের কারনেও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।জাবের (রাযিয়া...

সুলাইমানী রাজবংশ এবং গোপন কালোজাদু।

  Suleimani Dynasty and the Secret Black Magic. আল জুহারি আল সুলাইমানী সম্পর্কে অনেক গল্প রয়েছে। মরক্কোর প্রসিদ্ধ কিছু রাক্বি যেভাবে এর ব্যাখ্যা করছেন তাতে তা শিরকের পর্যায়ে চলে যায়। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।আসলে,এটা শিশুদের এক বিরল রোগ।কালো যাদুর নামে ভয়ংকর গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে একদল তান্ত্রিক নির্বাচিত কিছু শিশুদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু লোভী মানুষ যখন জাদুকর তান্ত্রিক বা কবিরাজের কাছে যায় তারা তাদেরকে বিশেষ চিহ্ন বিশিষ্ট এক শিশুকে হত্যা করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু শিশুটি যদি আল্লাহ র ইচ্ছায় বেঁচে যায় তখন জ্বিনেরা অজ্ঞানতার কারনে ভাবে যে ঐ শিশুটির জ্বিনদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।যেমন মহান আল্লাহ নবী সুলেমান আলাইহিস সালাম কে দিয়েছিলেন। অনেকের মতে,সিফিলিস বংশগত, কোনো রোগ নয়,এবং ৭টি চিহ্ন আছে যা সিফিলিসের ধরন প্রকাশ করে।সিফিলিটিক ব্যক্তির শরীরে স্পষ্ট দৃশ্যমান চিহ্ন থাকে, যেমন হাতের আড়াআড়িভাবে কাটা রেখা, বা জিহ্বাকে লম্বালম্বিভাবে বিভক্ত করে, বা চোখ দৃশ্যমান চকচকে, ইত্যাদি। অনেকে বিশ্বাস করেন যে এরা আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী হন। জ্বীনদের সাথে ভেনুসিয়ান মান...

Dajjalic Concepts and the Use of Black Magic: A Psychological and Scientific Analysis

  আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: ‘‘আমি তোমাদেরকে দাজ্জালের বিষয়ে একটি কথা বলব যা কোনো নবী তাঁর জাতিকে বলেন নি; তা হলো যে, দাজ্জাল কানা। আর সে তার সাথে জান্নাত ও জাহান্নামের নমুনা নিয়ে আসবে। যাকে সে জান্নাত বলবে সেটিই জাহান্নাম।’’ *মুসলিম, আস-সহীহ ৪/২২৫০ (কিতাবুল ফিতান..., যিকরিদ্দাজ্জাল) দাজ্জাল ও কালো জাদুর Psychological সম্পর্ক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ইসলামী শিক্ষায় দাজ্জালকে মহা প্রতারক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যিনি কিয়ামতের পূর্বে মানুষের ঈমান, বোঝাপড়া ও বিচারশক্তি পরীক্ষা করবেন। দাজ্জালের ক্ষমতা মূলত মানুষের বিশ্বাস, ঈমান এবং মানসিক দুর্বলতার উপর নির্ভর করে। অন্যদিকে, কালো জাদু (black magic) বাস্তব জগতে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এবং তাদের জীবন, শারীরিক ও মানসিক অবস্থায় প্রভাব ফেলতে ব্যবহৃত হয়। এ দুই ধারণার মধ্যে গভীরভাবে psychological মিল বিদ্যমান। ১. কালো জাদুর ব্যবহার ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কালো জাদু বা occult practice প্রায়শই ritually মানুষের belief system প্রভাবিত করে। এর মূল উদ্দেশ্য fear, hope বা devotion-এর মাধ্যমে perception পরিবর্তন করা। বৈজ্ঞানিকভাবে এটি...