মহানবী (স) বলেছেন,
ظُنوا بِالْمُؤْمِنِينَ خَيْراً
'তোমরা কারো প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করো না। কেননা, খারাপ ধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।' (সহীহ বুখারী ৫১৪৩)
মহানবী (স) আরো বলেন,
الحَمْدُ لله الذي رَدَّ كَيْدَ الشيطان إلى الوَسْوَسَةِ
'সমস্ত প্রশংসা ওই আল্লাহর জন্য যিনি শয়তানের যাবতীয় চক্রান্ত ওয়াসওয়াসার ভিতরে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছেন।' (আবু দাউদ ৫১১২)
অর্থাৎ, সন্দেহ সৃষ্টি করে, দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি করে শয়তান মানুষের অন্তরে কেবল গুনাহর কুমন্ত্রণা দিতে পারে, কিন্তু সে গুনাহ করাতে পারে না।
ইবলিসের সরবরাহকৃত গুনাহগুলো রিসিভ করার জন্য আমাদের চারটি অঙ্গকে নফস কাউন্টার হিসেবে ব্যবহার করে।
এরকম অঙ্গ-
১.চোখ
২.জবান
৩.কান
৪.মস্তিষ্ক
সুতরাং যদি আমরা এই চারটি অঙ্গের হেফাজত করতে পারি তাহলে ব্যভিচার ও গীবত কিংবা হারাম খাদ্য গ্রহণ করা থেকে শুরু করে কুফরি পর্যন্ত কোন গুনাহই আমাদের দ্বারা ইবলিস কিংবা নফস করাতে পারবে না, ইন শা আল্লাহ। একারণেই আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُوْلَئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا
যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই, অযথা তার পিছনে পড়ো না। কেননা, কেয়ামতের দিন কান, চোখ ও অন্তর; এসব কয়টির ব্যবহার সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞেস করা হবে। (সূরা ইসরা ৩)
Shorna Abedin

Comments
Post a Comment