Skip to main content

Posts

ভয়ংকর পানির যাদুর রুকিয়াহ।

 #পানির_যাদুর_রুকিয়াহ #Water_black_Magic  পানিতে নিক্ষিপ্ত যাদু অতি ভয়াবহ প্রভাব ফেলে।এর দ্বারা আক্রান্ত হলে রোগী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে পারে। সঠিকভাবে চিকিৎসা গ্রহণ না করলে রোগী একসময় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারিয়ে পাগলে পরিণত হয়। আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন। যারা এই যাদুতে আক্রান্ত তারা সাধারণ রুকিয়ার পাশাপাশি সূরা আম্বিয়া ও সূরা হাজ্জ তিলাওয়াত করতে থাকুন বা অডিও শুনতে থাকুন। বিশেষ করে সূরা আল আম্বিয়ার ৮৭ নং আয়াত(দোয়া ইউনুস) বারবার পড়তে থাকুন ইনশাআল্লাহ। নিচে এই আয়াতের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করা হয়েছে। কালো যাদুতে আক্রান্ত প্রতিটি ব্যক্তির মানসিক অবস্থাকে নবী ইউনুস আলাইহিস সালাম এর ঘটনার সাথে তুলনা করা যেতে পারে।তিনি যেমনি মাছের পেটের অন্ধকারে ছিলেন,কালো যাদুতে আক্রান্ত রোগীরাও একই ভাবে একটা অন্ধকার পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। মহান আল্লাহ অনুগ্রহ না করলে এই পর্দা থেকে বের হওয়া অসম্ভব। আল্লাহর যিকির করুন ও দোয়া করতে থাকুন ইনশাআল্লাহ। মহান আল্লাহ সূরাহ আল আম্বিয়াতে বলেন, وَ ذَاالنُّوۡنِ اِذۡ ذَّهَبَ مُغَاضِبًا فَظَنَّ اَنۡ لَّنۡ نَّقۡدِرَ عَلَیۡهِ فَنَادٰ...

কোন বিশেষ মানুষেরা জ্বিনদের দেখতে সক্ষম?

এটা প্রতিষ্ঠিত যে, সর্বশক্তিমান আল্লাহ জ্বীনদেরকে মানুষ বা প্রাণীর রূপ ধারণ করার ক্ষমতা দিয়েছেন, আর এই রুপে যে কোনো মানুষ তাদের দেখতে পাবে। ইমাম আল-শাফিঈ তাদের সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করেছেন যারা জ্বিনদের আসল আকারে দেখেছেন বলে দাবি করেছেন।সর্বশক্তিমান আল্লাহর বাণীর ভিত্তিতে: یٰبَنِیۡۤ اٰدَمَ لَا یَفۡتِنَنَّكُمُ الشَّیۡطٰنُ كَمَاۤ اَخۡرَجَ اَبَوَیۡكُمۡ مِّنَ الۡجَنَّۃِ یَنۡزِعُ عَنۡهُمَا لِبَاسَهُمَا لِیُرِیَهُمَا سَوۡاٰتِهِمَا ؕ اِنَّهٗ یَرٰىكُمۡ هُوَ وَ قَبِیۡلُهٗ مِنۡ حَیۡثُ لَا تَرَوۡنَهُمۡ ؕ اِنَّا جَعَلۡنَا الشَّیٰطِیۡنَ اَوۡلِیَآءَ لِلَّذِیۡنَ لَا یُؤۡمِنُوۡنَ  হে আদম সন্তান! শাইতান যেন তোমাদেরকে সেরূপ প্রলুব্ধ করতে না পারে যেরূপ তোমাদের মাতা-পিতাকে (প্রলুব্ধ করে) জান্নাত হতে বহিস্কার করেছিল এবং তাদেরকে তাদের লজ্জাস্থান দেখানোর জন্য বিবস্ত্র করেছিল। সে (শাইতান) নিজে এবং তার দল তোমাদেরকে দেখতে পায়, অথচ তোমরা তাদেরকে দেখতে পাওনা। নিঃসন্দেহে আমি অবিশ্বাসীদের জন্য শাইতানকে বন্ধু ও অভিভাবক বানিয়ে দিয়েছি।  [আল-আরাফ: ২৭]। ডক্টর আব্দুল করিম ওবেদাত তার থিসিসে এই বিষয়ে বিস্তারিত আ...

বদরের যুদ্ধ : জাহিলিয়া’ যুগের বাতিল ঘোষণা।

 মৃদু কান্নার শব্দও যার শ্রবণ থেকে গোপন থাকে না, যার মহত্বের কাছে ক্ষমতাধর নরপতিরা হীন হয়ে গেছে।আমি সেই সর্বশক্তিমান আল্লাহর নামে শুরু করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, তিনি পূর্বের ও পরের সবার ইলাহ। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাঁকে তিনি সকল সৃষ্টিকুল থেকে বেঁছে নিয়েছেন, বদর প্রান্তরে ফেরেশতা দিয়ে সাহায্য করেছেন। আল্লাহ তাঁর উপর সালাত পেশ করুন, অনুরূপ তার পরিবার-পরিজন, সকল সাহাবী এবং কিয়ামত পর্যন্ত সুন্দরভাবে তাদের অনুসারীদের সবার উপর। আর তিনি তাদের উপর যথাযথ সালামও প্রদান করুন।8 ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বদরের দিন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, হে আল্লাহ্! আমি আপনার প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার পূরণ করার জন্য প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্! আপনি যদি চান (কাফিররা জয়লাভ করুক) তাহলে আপনার ‘ইবাদাত আর হবে না। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর হাত ধরে বললেন, যথেষ্ট হয়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত পড়তে পড়তে বের হলেনঃ ‘‘শীঘ্রই দুশমনরা পরাজিত হবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে’’...

বস্ত্র পরিহিতা বিবস্ত্রা : পর্দার বিধান।

 কুতুয়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মহিলাদের নিকট একাকী যাওয়া থেকে বিরত থাক। জনৈক আনসার জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! দেবরদের ব্যাপারে কি নির্দেশ? তিনি উত্তর দিলেন, দেবর তো মৃত্যুতুল্য। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) মহান আল্লাহ সূরা নূরের ৩০ নাম্বার আয়াতে নারীদের আগে পুরুষদের পর্দার হুকুম দিয়েছেন। قُلۡ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ یَغُضُّوۡا مِنۡ اَبۡصَارِهِمۡ وَ یَحۡفَظُوۡا فُرُوۡجَهُمۡ ؕ ذٰلِكَ اَزۡكٰی لَهُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰهَ خَبِیۡرٌۢ بِمَا یَصۡنَعُوۡنَ মুমিন পুরুষদেরকে বল, তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করবে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্র। নিশ্চয় তারা যা করে সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবহিত। আল কুরআন,সূরা আন নূর:৩০. অন্য একটি হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “নিজের স্ত্রী ও ক্রীতদাসী ছাড়া বাকি সবার থেকে নিজের সতরের হেফাজত করো।” এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করে, আর যখন আমরা একাকী থাকি? জবাব দেনঃ “এ অবস্থায় আল্লাহ থেকে লজ্জা করা উচিত, তিনিই এর হকদার।” [আবু দাউদঃ ৪০১৭, তিরমিযী...

বহু পুরাতন কালো যাদুর দুর্গকে ধ্বংস করুন।

Ancient Black Magic.  যারা দীর্ঘদিন ধরে একাধিক কালো জাদুতে আক্রান্ত হয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন,হাল ছেড়ে দিয়েছেন, তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলছি যে সূরা আল হিজর অর্থ সহকারে বুঝে পড়ুন‌ ও সে অনুযায়ী আমল করুন,ইনশাআল্লাহ। আমাদের মনে রাখতে হবে যে মুমিনের সবথেকে বড় অস্ত্র হচ্ছে দোয়া আর কাফির দের দুর্বলতা হচ্ছে তাদের মূর্খতা। প্রতিটি কালোজাদু সম্পন্ন হয় শয়তান জ্বিনের অংশগ্রহণে আর এই শয়তান জ্বিনের একটাই লক্ষ্য আপনাকে জাহান্নামে তার সঙ্গী বানানো।তাই আল্লাহর কাছে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা পেতে দোয়া করতে থাকুন।বিনে হিসেবে জান্নাত লাভ ই  যেন আপনার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হয়।কোন রাক্বি ই আপনাকে সাহায্য করতে পারবে না যতক্ষণ না আপনি নিজে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন রোগ মুক্তির জন্য। নামাযের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে থাকুন।ভুল পথে না হেঁটে আল কুরআনের আয়াত নিয়ে নিজে গবেষণা করুন।সেই অনুযায়ী আমল করুন।দান সদকা করুন। সর্বশক্তিমান আল্লাহ ব্যতীত কারোর কোন ক্ষমতা নেই আপনার ক্ষতি করার বা আপনার উপকার করার।  সূরা আল হিজরের তিনটি আয়াতের ব্যাখ্যা করছি। وَ لَقَدْ آتَيْنَكَ سَبْعًا م...

সুলাইমানী রাজবংশ এবং গোপন কালোজাদু।

  Suleimani Dynasty and the Secret Black Magic. আল জুহারি আল সুলাইমানী সম্পর্কে অনেক গল্প রয়েছে। মরক্কোর প্রসিদ্ধ কিছু রাক্বি যেভাবে এর ব্যাখ্যা করছেন তাতে তা শিরকের পর্যায়ে চলে যায়। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।আসলে,এটা শিশুদের এক বিরল রোগ।কালো যাদুর নামে ভয়ংকর গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে একদল তান্ত্রিক নির্বাচিত কিছু শিশুদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু লোভী মানুষ যখন জাদুকর তান্ত্রিক বা কবিরাজের কাছে যায় তারা তাদেরকে বিশেষ চিহ্ন বিশিষ্ট এক শিশুকে হত্যা করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু শিশুটি যদি আল্লাহ র ইচ্ছায় বেঁচে যায় তখন জ্বিনেরা অজ্ঞানতার কারনে ভাবে যে ঐ শিশুটির জ্বিনদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।যেমন মহান আল্লাহ নবী সুলেমান আলাইহিস সালাম কে দিয়েছিলেন। অনেকের মতে,সিফিলিস বংশগত, কোনো রোগ নয়,এবং ৭টি চিহ্ন আছে যা সিফিলিসের ধরন প্রকাশ করে।সিফিলিটিক ব্যক্তির শরীরে স্পষ্ট দৃশ্যমান চিহ্ন থাকে, যেমন হাতের আড়াআড়িভাবে কাটা রেখা, বা জিহ্বাকে লম্বালম্বিভাবে বিভক্ত করে, বা চোখ দৃশ্যমান চকচকে, ইত্যাদি। অনেকে বিশ্বাস করেন যে এরা আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী হন। জ্বীনদের সাথে ভেনুসিয়ান মান...

সমাহিত জাদুর প্রভাব ভয়ংকর।

burying magic in graves. যাদু একটি বড় অপরাধ এবং এক প্রকার কুফরি।অজ্ঞতা ও জ্ঞানের অভাবের কারণে,বিশ্বাস ও কর্তৃত্বের অভাবের প্রবণতা অনুসারে,অর্থের লোভ ও প্রতারণাসহ অন্যান্য কারণে যাদু বিদ্যাচর্চাকারীর সংখ্যা সারা বিশ্বে বৃদ্ধি পাচ্ছে।এর মারাত্মক প্রভাব দিন দিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে। ইসলাম সম্পর্কে প্রকৃত জ্ঞান না থাকলে আপনি কখনও উপলব্ধি করতে পারবেন না যে এই কালো যাদু র প্রভাব কত মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।যখন জ্ঞান আবির্ভূত হয়, ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং ইসলামী কর্তৃত্ব শক্তিশালী হয়, তখন এই জাদুকরের সংখ্যা হ্রাস পায় এবং তারা আত্মগোপনে চলে যায়। অপরপক্ষে ইসলাম এর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত না হলে শয়তান সমাজে বেপর্দা,যেনা ব্যাভিচার এবং মিউজিককে বৈধ করে তোলে।ফলে সেই সমাজে কালো যাদুর প্রভাব ভয়ংকর ভাবে বিস্তার লাভ করে। একজন মুসলিম যখন নামাজ পড়ে না, বছরের পর বছর কুরআন পাঠ করে না তখন ধরে নিতে হবে তার ক্বলবকে শয়তান মোহগ্রস্ত করে ফেলেছে। আজ আমরা দাফন করা যাদু সম্পর্কে জানবো ইনশাআল্লাহ।যাদুকর কবরস্থানে যাদুর জিনিস সমাহিত করে যাতে সে যে শয়তানকে ব্যবহার করছে সে তার প্রতি আরও বাধ্য হয়। যাদুকর যত বেশি বড় পাপ কর...

রমাদান মাস এবং ব্লাক ম্যাজিক।

 Ramadan kareem and Black Magic. আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলতেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমাদান আসলে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানগুলোকে শিকলবন্দী করে দেয়া হয়। সূত্র: সহীহ আল-বুখারি 1899 এর ফলে অনেকেই মনে করেন যে এই মাসে ব্লাক ম্যাজিক চর্চা বন্ধ থাকে। কিন্তু এর বিপরীত ঘটে। মানুষ যখন জন্মগ্রহণ করে,তখন মানুষের নিজস্ব যমজ (কারিন) থাকে। আমরা যদি আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পালনে সচেষ্ট হই তবে ক্বারিন সর্বদা আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু মানুষ যদি গুনাহ করতেই থাকে, তার নফস তাকেই নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করে দেবে।তাই রমজানেও ব্লাক ম্যাজিকসহ অন্য অনেক খারাপ কাজ হয়ে থাকে। কালো জাদু ইসলামে মহাপাপ। এটাকে পবিত্র রমাদান মাসের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না।ব্লাক ম্যাজিকের রিচুয়াল সারা বছর ধরে চলে। যদিও বলা হয় যে রমাদান মাসে শয়তানকে ধরা হয়, শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। কিন্তু যেহেতু প্রত্যেক জ্বীনই শয়তান নয় সেজন্য সে ধরা পড়ে না। এদের ভেতরের অনেক জ্বিন আছে যারা ধর্মীয় মূল্যবোধ বা নৈতিকতা গ্রহণ করে ...

Traps of Muslim Jinn & Deception of The Munafiq Raqi.

 জাদু, জাদুবিদ্যা, ভবিষ্যদ্বাণী এবং অন্যায় ও আক্রমণাত্মকভাবে মানুষের ক্ষতি সাধনের মতো নিষিদ্ধ বিষয়ে জিনদের সাহায্য নেওয়া জায়েজ নয়। এছাড়াও তাদের সাহায্য চাওয়া মোটেও জায়েয হবে না যদি এর বিনিময়ে কেউ শরীয়তের হুকুম পরিত্যাগ করে বা এর নিষেধাজ্ঞার কিছু কাজ করে, যেমন তাদের ইবাদত করা,বা তাদের খুশী করার উদ্দেশ্যে আল্লাহর সাথে শিরক করা। একদল কাফের জ্বিনদের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকতে অন্য জ্বিনদের সাহায্য চাওয়ার ক্ষেত্রে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাদের কেউ কেউ এটাকে নিষিদ্ধ করেছেন এই কারণে যে,তাদের ক্ষতি ও প্রভাব থেকে নিরাপদ থাকা অসম্ভব।জ্বিনরা কেবলমাত্র মানুষকে প্রতারিত করতেই মানুষের কাছে আসে। পণ্ডিত মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিমকে জিনদের কাছ থেকে সাহায্য চাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেছিলেন: এটি জিনদের কাছ থেকে একটি অনুরোধ, এবং এটি অনুপস্থিতদের জিজ্ঞাসা করার শ্রেণীতে পড়ে, যা মৃতকে জিজ্ঞাসা করার অনুরূপ এবং এতে দুর্গন্ধ রয়েছে। শাইখ ইবনে বায বলেছেন: জিনদের আশ্রয় নেওয়ার ক্ষেত্রে না করেছেন কারণ এটি তাদের উপাসনা করার এবং তাদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের একটি মাধ্যম। আবার কোন আলে...

বংশ পর্যবেক্ষণের জাদুর সেবক থেকে বাঁচুন।

 উম্ম আল-সিবিয়ান কাদেরকে বা কাকে বলা হয় তা সম্পর্কে আল কুরআনে বা সহিহ হাদিসে কোন সহিহ দলিল নেই।এর দ্বারা সৃষ্ট রোগের কোন নির্দিষ্ট চিকিৎসার কথা আমরা জানি না, তবে এটি একটি রোগ,এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:  "হে আল্লাহর বান্দাহগণ! তোমরা চিকিৎসা কর। আল্লাহ তা’আলা এমন কোন রোগ সৃষ্টি করেননি যার ঔষধ বা নিরাময়ের ব্যবস্থা রাখেননি (রোগও দিয়েছেন রোগ সারাবার ব্যবস্থাও করেছেন)। কিন্তু একটি রোগের কোন নিরাময় নেই। সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল সে রোগটি কি? তিনি বললেনঃ বার্ধক্য।" এই উম্মুল সিবিয়ান একটি হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে, এবং এটি সহীহ নয়, যা হল: যার একটি সন্তান আছে এবং তার ডান কানে আযান এবং বাম কানে ইকামা পাঠ করবে, উম্মুল সিবিয়ান তার ক্ষতি করবে না। আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আল-মুসনাদে এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন এবং এটি একটি বানোয়াট হাদিস যা আল-আলবানী কর্তৃক আল-সিলসিলাহ আল-দাইফাতে বর্ণিত হয়েছে। ইবনুল জাওযী গারিব আল-হাদিসে, ইবনুল আথির আল-নিহায়া ফি গারিব আল-হাদিস ওয়া আল-আথার, লিসান আল-আরবে ইবনে মানজুর এবং কিছু প্রাচীন যারা ওষুধ সম্পর্কে বলেছিলেন যেমন ইবনুল বায়ত...

সূরা ইউসুফ এবং নাফস।

আল কুরআনে বর্ণিত সূরা ইউসুফ এর গল্পে দেখানো হয়েছে যে কিভাবে এক বালক তার আপন রক্তের ভাইদের দ্বারা প্রতারিত হয়ে অবশেষে আল্লাহর অনুগ্রহে মিশর জাতির শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই সুন্দর গল্পটির ৪টা প্লট রয়েছে।যথা- ১.ঈর্ষা,  ২.ধৈর্য্য,  ৩.ক্ষমা, ৪.মুক্তি। #হিংসা এক মারাত্মক মানুষিক ব্যাধি যা সবকিছু ধ্বংস করে দেয়। পৃথিবীর সমস্ত ক্রাইম এর মূলে রয়েছে হিংসা।আর এই হিংসা নামক ব্যাধি র উৎপত্তিস্থল আপনার আপন গৃহ বা ক্বলব ই। নফস (نَفْس) একটি আরবি শব্দ যা আল কুরআনে এসেছে। যার আক্ষরিক অর্থ হল "সত্ত্বা" এবং একে "মন", "অহংবোধ" বা "নিঃশ্বাস" হিসেবে অনুবাদ করা হয়। নবী জোসেফ বা ইউসুফ আলাইহিস সালাম এর জীবনের পাঠগুলি এই ধারণাটিকে চিত্রিত করে যে জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতি গুলোতেও মহান আল্লাহ র ইচ্ছায় ভাল কিছু লুকিয়ে থাকে। প্রকৃত পক্ষে মুমিন ব্যক্তি কখনও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তাঁর অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কষ্টগুলোও আল্লাহর অনুগ্রহে নিয়ামত দ্বারা পূর্ণ হয়ে ওঠে । অতএব,আল্লাহর উপর এবং শুধুমাত্র আল্লাহর উপর ই আস্থা রাখুন - নিরবচ্ছিন্ন শান্তি ও প্রশান্তি ময় জীবন এই পৃথিবীতে...