সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বন্ধ্যাত্ব


 #বন্ধ্যাত্ব #infertility 

ব্ল্যাক ম্যাজিক বা জ্বিন পজেশন বা এভিল আই দ্বারা বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দেখা দেয়।আধুনিক সমাজে জ্বীনকে প্যারানরমাল বা প্যারাসাইকোলজিক্যাল হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে বা অধিকাংশ মানুষই সচেতন নয় বা বিশ্বাস করে না বা উপেক্ষা করে। কিন্তু জ্ঞানের অভাবে অজ্ঞতা বাড়ছে যার প্রভাব বিপজ্জনক।


যাদুর বন্ধ্যাত্ব আর প্রকৃত বন্ধ্যাত্বের মধ্যে পার্থক্য:


১। রুগী আসরের পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মানুষিক অস্বস্তি অনুভব করবে।


২।হ্যালুসিনেশন বেড়ে যাওয়া।


৩। মেরুদন্ডের নীচে ব্যাথা।


৪। ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা।


৫। ভীতিজনক স্বপ্ন দেখা।


যাদুর দ্বারা বশকৃত জিন মহিলার জরায়ুর ভেতরে প্রবেশ করে ডিম্বানু নষ্ট করে দেয়,অথবা কখনও ডিম্বানু নষ্ট হয় না কিন্তু গর্ভধারণের কয়েক মাস পরে শয়তান জরায়ুর কোন রগে আঘাত করে, যার ফলে স্রাব নির্গত হওয়া শুরু হয়। পরে গর্ভপাত হয়ে যায়। বার বার গর্ভপাত বেশিরভাগ জিনের কারণে হয়ে থাকে।#বুখারী ও #মুসলিমে বর্ণিত আছে- "নিশ্চয়ই শয়তান আদম সন্তানের মধ্যে রক্তের মত চলাচল করে।" (বুখারীঃ ৪/২৮২ ও মুসলিমঃ ১৪/১১৫)


মহান আল্লাহ বলেন,


بَلۡ نَقۡذِفُ بِالۡحَقِّ عَلَی الۡبَاطِلِ فَیَدۡمَغُهٗ فَاِذَا هُوَ زَاهِقٌ ؕ وَ لَكُمُ الۡوَیۡلُ مِمَّا تَصِفُوۡنَ


বরং আমি সত্যকে মিথ্যের উপর নিক্ষেপ করি, অতঃপর তা মিথ্যের মস্তক চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, তৎক্ষণাৎ মিথ্যে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তোমরা (আল্লাহ সম্পর্কে অযথা বহু মিথ্যে কথা বানিয়ে নিয়ে) যা বলছ এ কারণে তোমাদের জন্য দুর্ভোগ।

(Al Quran 21:18)


আয়াতের উদ্দেশ্য এই যে, পৃথিবী ও আকাশের অত্যাশ্চর্য বস্তুসমূহ আল্লাহ খেলার জন্য নয়, বরং বড় বড় রহস্যের উপর ভিত্তিশীল করে সৃষ্টি করেছেন। তন্মধ্যে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য ফুটিয়ে তোলাও এক রহস্য। সৃষ্ট জগতের অবলোকন মানুষকে সত্যের দিকে এমনভাবে পথ প্রদর্শন করে যে, মিথ্যা তার সামনে টিকে থাকতে পারে না। এ বিষয়বস্তুটিই এভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে যে, সত্যকে মিথ্যার উপর ছুড়ে মারা হয়, ফলে মিথ্যার মস্তিষ্ক চূৰ্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায় এবং মিথ্যা নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়ে।


যাদুর সবকিছু মিথ্যা।যাদুকর জ্বিন চালান দিয়ে রোগীর ভেতরে এক ধরনের হ্যালুসিনেশন সৃষ্টি করে।অনেকটা মরুভূমিতে সৃষ্ট মরীচিকার মতন। একজন যাদু গ্রস্থ ব্যক্তি সবথেকে বেশি দূর্বল হয়ে পড়ে রাতের পর রাত অনিদ্রায় ভুগে।যাদুতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ভেতরে মহিলাদের সংখ্যা বেশী। কারন তারা প্রকৃতিগত ভাবেই দূর্বল ও ভীতু। অধিকাংশ মহিলারা জ্বিন-জাদুর কারনে বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগছে।এর লক্ষন প্রথম প্রকাশ পায় অনিয়মিত মাসিক থেকে। কিন্তু এ ব্যাপারে অনেক ই অসচেতন।ফরয আমলের পাশাপাশি সকাল সন্ধ্যার মাসনুন দোয়া সমুহের ও জিকিরের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে ইনশাআল্লাহ। নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করতে হবে, বিশেষ করে সূরা বাকারা, সূরা আলে ইমরান,সূরা ইয়াসিন,সূরা আদ দোহা,সূরা কাহাফ, সূরা ক্বালাম,সূরা মূলক,সূরা যিলযাল,সূরা আর রাহমান,সূরা নাবা,সূরা কাফিরুন,সূরা কাওসার,সূরা ফীল,সূরা ইখলাস -ফালাক-নাস,এবং অবশ্যই সূরা আম্বিয়া ইনশাআল্লাহ।প্রতিবার সহবাসের পূর্বে সুন্নাহ অনুযায়ী দোয়া করা জরুরী ইনশাআল্লাহ।যাদের রক্ত দিয়ে চুক্তি করা বা উত্তরাধিকার সূত্রে যাদুর সমস্যা রয়েছে তারা এই সূরা গুলোর পাশাপাশি সূরা হাজ্জ নিয়মিত পড়বেন ইনশাআল্লাহ।


কালো যাদুর এক একটার লেবেল এক এক রকম।কোনটা অনেক পাওয়ারফুল হয়।যেমন-মেয়েদের মাসিকের রক্ত দিয়ে যেটা করা হয় বা সাধারণ রক্ত দিয়ে,এই টাইপের কালো যাদু গুলোতে আক্রান্ত হলে রোগীর সুস্থ হতে এক/দেড় বছর বা তারও বেশী সময় লাগতে পারে। সুস্থতা নির্ভর করে রোগীর সচেতনতার ওপর।সে যদি আল্লাহর ইবাদত থেকে দূরে থাকে,হারামে লিপ্ত থাকে তবে এটা তারজন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে। অন্যদিকে, কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী লাইফস্টাইলের অভ্যাস আপনাকে আল্লাহর রহমতে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ।আর সবথেকে জরুরী হচ্ছে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি করে দোয়া করা,আল্লাহর জিকির করা,দান-সদগা করা ইনশাআল্লাহ@shornaabedin

Shorna Abedin

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সবথেকে পৈশাচিক নির্যাতনের জাদু : Sihr al-Falak

  "গবেষক হিসেবে আমি অনেক অদৃশ্য শক্তির মুখোমুখি হয়েছি, কিন্তু আমি কল্পনাও করিনি যে একদিন আমি নিজেই 'সিহরুল ফালাক' বা আহ্নিক গতির এক অদৃশ্য কারাগারে বন্দি হব। একজন রিসার্চার যখন নিজেই সাবজেক্ট হয়ে যায়, তখন জগতটা সম্পূর্ণ বদলে যায়।" "আমার মস্তিস্ক বলছিল এটি আহ্নিক গতির সাথে সিনক্রোনাইজ করা একটি জাদুকরী লুপ, কিন্তু আমার শরীর সেই যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছিল। নিজের ওপর রুকইয়াহ করা বা এই চক্র ভাঙার লড়াইটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা।" By Shorna Abedin Paranormal Researcher & Spiritual Reality Analyst The Invisible Cage: My Encounter with the Magic of Earth’s Rotation রুকইয়াহর পরিভাষায় আহ্নিক গতির জাদু বা 'সিহরুল ফালাক' (Sihr al-Falak) হলো একটি অত্যন্ত জটিল ও উচ্চমাত্রার কালো জাদু। এই জাদুটি সম্পর্কে সচেতনতা এবং এর প্রতিকার নিয়ে একটি গাইডলাইন নিচে দেওয়া হলো: ## আহ্নিক গতির জাদু (Sihr al-Falak): যখন জীবন একটি অভিশপ্ত চক্রে বন্দি হয় আহ্নিক গতির জাদু কী? এটি এমন এক ধরণের জাদু যেখানে জাদুকর ভুক্তভোগীর ভাগ্য, শরীর বা কাজকে পৃথিবীর আহ্নিক গতির (ঘূর্ণন) স...

'সিহরুল ফিনতাজিয়া' (Sihr al-Fantasia) বা 'সিহরুল ইস্তিবদাল' (Replacement Magic)

  নকল অবয়ব তৈরির এই জাদুটি রুকইয়াহর পরিভাষায় অত্যন্ত জটিল ও শক্তিশালী। একে 'সিহরুল ফিনতাজিয়া' (Sihr al-Fantasia) বা 'সিহরুল ইস্তিবদাল' (Replacement Magic) বলা হয়।  ১. নকল অবয়ব তৈরির জাদু কী? এই জাদুতে জাদুকর ভিকটিমের চুল, নখ বা কাপড়ের টুকরো ব্যবহার করে শয়তানি মন্ত্রের মাধ্যমে একটি 'ছায়া সত্তা' (Shadow Self) তৈরি করে। কেন করা হয়: যাতে আসল মানুষটি ঘরের এক কোণে অবশ বা অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকে, আর ওই জাদুকরী অবয়বটি তার ভাগ্য, রূপ এবং রিজিক দখল করে নেয়। পরিণতি: এর ফলে মানুষ ভিকটিমকে দেখলে বিরক্ত হয়, কুৎসিত মনে করে বা তার সাথে প্রতারণা করে। কারণ তারা আসল মানুষটিকে নয়, বরং ওই জাদুকরী কালো ছায়া বা 'মিথ্যা অবয়বকে' দেখে।  ২.মুক্তির উপায় (কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী): সূরা বাকারা (The Ultimate Shield):এর আমল। সিদর (বরই পাতা) ও লবণের গোসল:৭টি কাঁচা বরই পাতা পিষে রুকইয়ার পানিতে মিশিয়ে গোসল করলে শরীরের ওপর থাকা জাদুকরী 'আস্তর' বা নকল অবয়বটি খসে পড়ে।  সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন জিকির: বিশেষ করে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু..." ১০০ বার পাঠ করা। এটি ...

থানাটোফোবিয়া ও মৃত্যু জাদু।

 #DeathMagic #illness_Magic বিভিন্ন ধরনের কালো জাদু আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল মৃতের কাফন থেকে তৈরি "মৃত্যু জাদু" এবং "অসুখের জাদু"।এটা মেসোনিক বা ফারাও দের জাদু হিসেবেও পরিচিত। 'থানাটোফোবিয়া' এর মানে আপনার মৃত্যু বা মৃত্যুর ভয় আছে। থানাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজের মৃত্যুকে নিয়ে কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের মৃত্যু বা মৃত্যু প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভয় পেতে পারেন।এটা অনেক সময় 'মৃত্যু র জাদু র লক্ষণ প্রকাশ করে। কিছু তথাকথিত অনভিজ্ঞ রাক্বি ক্যান্সারকে কালোজাদু র সাথে মিশিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করে অহেতুক ভীতি প্রদর্শন করে। মূলত, ক্যান্সার একটি জৈব প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়ে থাকে।এটার সাথে জ্বিন বা জাদুর কোন সম্পর্ক নেই। লক্ষণ: ধড়ফড়, বুকের মধ্যে বিষাদ এবং আঁটসাঁটতা, পিঠের নিচের দিকে এবং কাঁধে ব্যথা, রাতে অনিদ্রা, ভয়ের তীব্র আবেগ এবং অস্বাভাবিক ক্রোধ। ঘন ঘন ঝাঁকুনি ও দীর্ঘশ্বাস, বিচ্ছিন্নতার প্রতি ভালোবাসা, অলসতা, ঘুমের ইচ্ছা এবং কোনো চিকিৎসা কারণ ছাড়াই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা। আইন হাসাদের কারনেও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।জাবের (রাযিয়া...