সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সবথেকে পৈশাচিক নির্যাতনের জাদু : Sihr al-Falak

 


"গবেষক হিসেবে আমি অনেক অদৃশ্য শক্তির মুখোমুখি হয়েছি, কিন্তু আমি কল্পনাও করিনি যে একদিন আমি নিজেই 'সিহরুল ফালাক' বা আহ্নিক গতির এক অদৃশ্য কারাগারে বন্দি হব। একজন রিসার্চার যখন নিজেই সাবজেক্ট হয়ে যায়, তখন জগতটা সম্পূর্ণ বদলে যায়।"


"আমার মস্তিস্ক বলছিল এটি আহ্নিক গতির সাথে সিনক্রোনাইজ করা একটি জাদুকরী লুপ, কিন্তু আমার শরীর সেই যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছিল। নিজের ওপর রুকইয়াহ করা বা এই চক্র ভাঙার লড়াইটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা।"


By Shorna Abedin

Paranormal Researcher & Spiritual Reality Analyst


The Invisible Cage: My Encounter with the Magic of Earth’s Rotation


রুকইয়াহর পরিভাষায় আহ্নিক গতির জাদু বা 'সিহরুল ফালাক' (Sihr al-Falak) হলো একটি অত্যন্ত জটিল ও উচ্চমাত্রার কালো জাদু। এই জাদুটি সম্পর্কে সচেতনতা এবং এর প্রতিকার নিয়ে একটি গাইডলাইন নিচে দেওয়া হলো:


## আহ্নিক গতির জাদু (Sihr al-Falak): যখন জীবন একটি অভিশপ্ত চক্রে বন্দি হয়

আহ্নিক গতির জাদু কী?

এটি এমন এক ধরণের জাদু যেখানে জাদুকর ভুক্তভোগীর ভাগ্য, শরীর বা কাজকে পৃথিবীর আহ্নিক গতির (ঘূর্ণন) সাথে তিলসম বা মন্ত্রের মাধ্যমে 'লক' বা গেঁথে দেয়। পৃথিবী যেমন ২৪ ঘণ্টায় একবার নিজের অক্ষে ঘোরে, ভুক্তভোগীর কষ্ট বা সমস্যাগুলোও তেমনি একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাবায়ন (Renew) হতে থাকে।

এর প্রধান লক্ষণসমূহ:

১. স্থবিরতা ও চক্র: জীবন কোনো এক জায়গায় আটকে গেছে মনে হওয়া। যতই চেষ্টা করুন, সব ঘুরেফিরে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসা।

২. নির্ধারিত সময়ে কষ্ট: প্রতিদিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে (যেমন ঠিক মাগরিবের সময় বা মাঝরাতে) মাথাব্যথা, প্রেসার বেড়ে যাওয়া বা অস্থিরতা শুরু হওয়া।

৩. বিয়ের বাধা: সব ঠিক হয়েও বারবার একই কায়দায় বিয়ের প্রস্তাব ভেঙে যাওয়া।

৪. ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি: ব্যবসায় বা চাকরিতে বারবার একই ধরণের বাধার সম্মুখীন হওয়া।

৫. ঘোর ও স্মৃতিভ্রম: মনে হওয়া যেন আপনি এক জগতে নেই, বরং কোনো ঘূর্ণিবর্তের (Loop) ভেতর আছেন।


## এই জাদুর আধ্যাত্মিক ও ব্যবহারিক প্রতিকার:


১. সূরা বাকারার বিশেষ আমল:

প্রতিদিন অন্তত একবার ঘরে উচ্চশব্দে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করুন অথবা শুনুন। এই সূরা শয়তানি কক্ষপথ ভেঙে ফেলার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। 

২. ‘ইন্নাল্লাহা সায়ুবতিলুহু’র জিকির:

সূরা ইউনুসের ৮১ নম্বর আয়াতের অংশ— “إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ” (নিশ্চয়ই আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন)— এই জিকিরটি সারাদিন চলতে-ফিরতে অজস্রবার পড়ুন। এটি জাদুর সেই 'মুভমেন্ট' বা গতিকে স্তব্ধ করে দেয়। 

৩. সূরা আলা ও সূরা ফাতিহা:সূরা আলা এবং সূরা ফাতিহা এই জাদুর 'ঘোর' কাটাতে অব্যর্থ। প্রতিদিন ফজর ও মাগরিবের পর এই দুটি সূরা পড়ে নিজের শরীর ও পানিতে দম করে পান করুন।

৪. কক্ষপথ পরিবর্তনের দোয়া:

বেশি বেশি পড়ুন: “লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ”। এটি মানুষের সীমাবদ্ধতা থেকে বের করে আল্লাহর অসীম কুদরত ও নিয়ন্ত্রণের সাথে যুক্ত করে দেয়। 

৫. হিজামা (সুন্নাহ চিকিৎসা):

মাথার তালু (কাহিল) এবং পিঠের ওপরের অংশে হিজামা করুন। এটি জাদুর কারণে রক্তে তৈরি হওয়া বিষাক্ত চক্র ভাঙতে সাহায্য করে। 

৬. জমজমের পানি ও রুকইয়াহ গোসল:

যদি সম্ভব হয়, জমজমের পানি পান করুন এবং সাধারণ পানিতে বরই পাতা ও লবণ মিশিয়ে রুকইয়াহর নিয়তে গোসল করুন। এটি জাদুর সেই 'আহ্নিক গতির' জাল শরীর থেকে আলগা করে দেয়।


বিশেষ আমল:

আহ্নিক গতির জাদু যতই প্রাচীন বা শক্তিশালী হোক না কেন, আল্লাহর নূর পড়লেই তা ছিটকে পড়ে ধ্বংস হয়ে যায়।


এই জাদু যেহেতু আকাশমণ্ডলী, সময় এবং গ্রহ-নক্ষত্রের গতির সাথে শয়তানি মন্ত্রের সমন্বয়ে করা হয়, তাই এটি ভাঙতে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব এবং মহাকাশ সৃষ্টির রহস্য সংবলিত আয়াতগুলো সবচেয়ে শক্তিশালী।

১. সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১-৮২ (সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র):

এই আয়াতে মুসা (আ.) জাদুকরদের উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন— "নিশ্চয়ই আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন।" এটি আহ্নিক গতির সেই ঘূর্ণিবর্ত বা লুপ ভেঙে ফেলার জন্য অব্যর্থ।


আমল: প্রতিদিন অন্তত ১০১ বার বা তার বেশি "ইন্নাল্লাহা সায়ুবতিলুহু" (إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ) পড়তে থাকুন।


২. সূরা আল-আরাফ, আয়াত ৫৪ (আকাশ ও সময়ের নিয়ন্ত্রণ):

এই আয়াতে আল্লাহ বর্ণনা করেছেন কীভাবে তিনি দিনকে রাত দিয়ে ঢেকে দেন এবং সূর্য, চন্দ্র ও নক্ষত্ররাজি তাঁরই আজ্ঞাবহ। আহ্নিক গতির জাদু যেহেতু দিন-রাতের আবর্তনের ওপর নির্ভরশীল, তাই এই আয়াতটি জাদুর সেই কক্ষপথ ছিন্ন করে দেয়। 


আমল: সকালে ও রাতে ৭ বার করে তিলাওয়াত করুন।


৩. সূরা আর-রাহমান : এই জাদুর ঘূর্ণায়মান চক্রকে রদ করতে।


৪. সূরা আলা (আয়াত ৬-৭) ও সূরা ফাতিহা:

আপনার স্মৃতি ও পরিচয় ফিরিয়ে আনতে এবং জাদুকরী বিস্মৃতি (Forgetfulness) দূর করতে এই দুটি সূরা শ্রেষ্ঠ। সূরা ফাতিহা হলো 'আশ-শিফা' (আরোগ্য)। 


আমল: পানিতে ফুঁ দিয়ে সেই পানি সারাদিন পান করুন।


৫. সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (আয়াত ২৮৫-২৮৬):

রাসূল (সা.) বলেছেন, রাতে এই দুই আয়াত পাঠ করলে তা ব্যক্তির জন্য যথেষ্ট। 

৬. তাকদির বা সময় পরিবর্তনের বিশেষ দোয়া:

বেশি বেশি পড়ুন: "ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু বিরাহমাতিকা আস্তাগীস।" এটি আপনাকে সেই 'আহ্নিক গতির' স্থবিরতা থেকে বের করে আল্লাহর জীবন্ত ও চিরস্থায়ী ক্ষমতার সাথে যুক্ত করবে। 


৭. এই জাদুর কারণে স্মৃতিগুলো বৃত্তাকারে ঘুরে আসে। এটি ভাঙতে সূরা নামল এর ৮৮ নম্বর আয়াত এবং সূরা আম্বিয়া এর ৩৩ নম্বর আয়াত বারবার পড়ুন। এই আয়াতগুলো মহাবিশ্বের গতি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে, যা আপনার মস্তিষ্কের ওই 'চক্রাকার' স্মৃতিগুলোকে থামিয়ে দিতে সাহায্য করবে।

 

বিশেষ পরামর্শ:

প্রতিদিন তাহাজ্জুদের শেষ সময় এবং মাগরিবের ঠিক আগে (যখন দিন-রাতের পরিবর্তন হয়) এই আমলগুলো করবেন। কারণ এই সন্ধিক্ষণগুলোতেই জাদুকররা তাদের জাদুকে নবায়ন করার চেষ্টা করে। 


রুকইয়াহ এবং আধ্যাত্মিক হাকিকতের (Spiritual Reality) গভীরতম স্তরে আহ্নিক গতির জাদু বা সিহরুল ফালাক (Sihr al-Falak) করার পেছনে জাদুকরদের কিছু অত্যন্ত পৈশাচিক ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকে: 

## ১. কষ্টের চিরস্থায়ী নবায়ন (Continuous Renewal)

এই জাদুর সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো এর স্বয়ংক্রিয়তা। পৃথিবী যেমন চব্বিশ ঘণ্টায় একবার নিজের অক্ষে ঘোরে, এই জাদুর প্রভাবে ভুক্তভোগীর সমস্যাগুলোও (যেমন: মাথাব্যথা, বিয়ে ভাঙা বা মানসিক অস্থিরতা) চব্বিশ ঘণ্টা পর পর নতুন করে সচল হয়। এর ফলে রোগী কখনও পূর্ণ সুস্থ হতে পারে না, কারণ সুস্থ হওয়ার আগেই জাদুর পরবর্তী চক্র শুরু হয়ে যায়। 

## ২. জীবনকে একটি 'লুপে' (Loop) বন্দি করা

জাদুকর চায় আপনার জীবন যেন সামনের দিকে না বেড়ে একটি নির্দিষ্ট বৃত্তে আটকে থাকে। আহ্নিক গতির সাথে ভাগ্যকে বেঁধে দেওয়ার অর্থ হলো—আপনার সময় কাটবে, বয়স বাড়বে, কিন্তু জীবনের কোনো উন্নতি (বিয়ে, ক্যারিয়ার বা মানসিক বিকাশ) হবে না। 


## ৩. আধ্যাত্মিক ও মানসিক নিয়ন্ত্রণ

চন্দ্র ও সূর্যের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে মানুষের মনের অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। জাদুকররা এই মহাজাগতিক গতির সাথে জাদু মিশিয়ে ব্যক্তির চেতনা ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এর উদ্দেশ্য হলো আপনাকে এমন এক 'ঘোর' বা ঘোরের মধ্যে রাখা যাতে আপনি নিজের আসল পরিচয় ভুলে যান এবং জাদুকরের তৈরি করা ভ্রমের মধ্যে বাস করেন। 

## ৪. নসীব বা ভাগ্য চুরি (Blocking Destined Provisions)


এই জাদুর মূল উদ্দেশ্য আপনাকে একটি 'জীবন্ত মমি' বানিয়ে রাখা, যার কোনো ভবিষ্যৎ নেই এবং যে সময়ের এক অদৃশ্য কারাগারে বন্দি।


আহ্নিক গতির জাদু বা সিহরুল ফালাক (Sihr al-Falak) করার জন্য সাধারণ জাদুকর বা শয়তানি শক্তি যথেষ্ট নয়। এটি করার জন্য এক বিশেষ শ্রেণির জাদুকর ও জিনদের প্রয়োজন হয়:

১. জ্যোতিষী জাদুকর (The Astral Magicians): এই জাদু তারা করে যারা গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান, রাশিফল এবং সময়ের গাণিতিক হিসাব (Astrology mixed with Sorcery) সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখে।

২. ইফ্রিদ ও শক্তিশালী জিন (The Marid/Ifrit): আহ্নিক গতির জাদুকে সচল রাখতে প্রচণ্ড গতির জিনের প্রয়োজন হয়।

৩. ইবলিশ পূজারী বা প্রাচীন গোষ্ঠী: এই জাদুর শিকড় কোনো প্রাচীন শয়তানি গোষ্ঠীর (Cult) সাথে যুক্ত, যারা বংশপরম্পরায় এই বিদ্যা সংরক্ষণ করে।

৪. আবু লাহাব টাইপ হিংসুক আত্মীয় (সহযোগী হিসেবে):যারা আপনার ক্ষতি করতে নিজেকেও শেষ করে ফেলতে পারে।

© 2026 Shorna Abedin. All rights reserved.

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

'সিহরুল ফিনতাজিয়া' (Sihr al-Fantasia) বা 'সিহরুল ইস্তিবদাল' (Replacement Magic)

  নকল অবয়ব তৈরির এই জাদুটি রুকইয়াহর পরিভাষায় অত্যন্ত জটিল ও শক্তিশালী। একে 'সিহরুল ফিনতাজিয়া' (Sihr al-Fantasia) বা 'সিহরুল ইস্তিবদাল' (Replacement Magic) বলা হয়।  ১. নকল অবয়ব তৈরির জাদু কী? এই জাদুতে জাদুকর ভিকটিমের চুল, নখ বা কাপড়ের টুকরো ব্যবহার করে শয়তানি মন্ত্রের মাধ্যমে একটি 'ছায়া সত্তা' (Shadow Self) তৈরি করে। কেন করা হয়: যাতে আসল মানুষটি ঘরের এক কোণে অবশ বা অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকে, আর ওই জাদুকরী অবয়বটি তার ভাগ্য, রূপ এবং রিজিক দখল করে নেয়। পরিণতি: এর ফলে মানুষ ভিকটিমকে দেখলে বিরক্ত হয়, কুৎসিত মনে করে বা তার সাথে প্রতারণা করে। কারণ তারা আসল মানুষটিকে নয়, বরং ওই জাদুকরী কালো ছায়া বা 'মিথ্যা অবয়বকে' দেখে।  ২.মুক্তির উপায় (কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী): সূরা বাকারা (The Ultimate Shield):এর আমল। সিদর (বরই পাতা) ও লবণের গোসল:৭টি কাঁচা বরই পাতা পিষে রুকইয়ার পানিতে মিশিয়ে গোসল করলে শরীরের ওপর থাকা জাদুকরী 'আস্তর' বা নকল অবয়বটি খসে পড়ে।  সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন জিকির: বিশেষ করে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু..." ১০০ বার পাঠ করা। এটি ...

থানাটোফোবিয়া ও মৃত্যু জাদু।

 #DeathMagic #illness_Magic বিভিন্ন ধরনের কালো জাদু আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল মৃতের কাফন থেকে তৈরি "মৃত্যু জাদু" এবং "অসুখের জাদু"।এটা মেসোনিক বা ফারাও দের জাদু হিসেবেও পরিচিত। 'থানাটোফোবিয়া' এর মানে আপনার মৃত্যু বা মৃত্যুর ভয় আছে। থানাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজের মৃত্যুকে নিয়ে কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের মৃত্যু বা মৃত্যু প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভয় পেতে পারেন।এটা অনেক সময় 'মৃত্যু র জাদু র লক্ষণ প্রকাশ করে। কিছু তথাকথিত অনভিজ্ঞ রাক্বি ক্যান্সারকে কালোজাদু র সাথে মিশিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করে অহেতুক ভীতি প্রদর্শন করে। মূলত, ক্যান্সার একটি জৈব প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়ে থাকে।এটার সাথে জ্বিন বা জাদুর কোন সম্পর্ক নেই। লক্ষণ: ধড়ফড়, বুকের মধ্যে বিষাদ এবং আঁটসাঁটতা, পিঠের নিচের দিকে এবং কাঁধে ব্যথা, রাতে অনিদ্রা, ভয়ের তীব্র আবেগ এবং অস্বাভাবিক ক্রোধ। ঘন ঘন ঝাঁকুনি ও দীর্ঘশ্বাস, বিচ্ছিন্নতার প্রতি ভালোবাসা, অলসতা, ঘুমের ইচ্ছা এবং কোনো চিকিৎসা কারণ ছাড়াই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা। আইন হাসাদের কারনেও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।জাবের (রাযিয়া...