যখন তাদের কারও কাছে মৃত্যু আসে, তখন সে বলেঃ হে আমার পালণকর্তা! আমাকে পুনরায় (দুনিয়াতে) প্রেরণ করুন। যাতে আমি সৎকর্ম করতে পারি, যা আমি করিনি। কখনই নয়, এ তো তার একটি কথার কথা মাত্র। তাদের সামনে বারজাখ (পর্দা) আছে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত। {সূরা আল-মু'মিনুন, আয়াত ৯৯-১০০}
الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَوَاتٍ طِبَاقًا مَا تَرَى فِي خَلْقِ الرَّحْمَنِ مِن تَفَوتِ فَارْجِعِ الْبَصَرَ هَلْ تَرَى مِن فُطُورٍ
(সূরা মূলক:২)
রুহ একটি এমন অদৃশ্যমান বস্তু, তার সাথে যে দেহের সম্পর্ক বহাল থাকে, তাকে জীবিত বলা হয়। আর যে দেহ হতে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়, তাকে মৃত্যুর শিকার হতে হয়। জীবনের পর রয়েছে মৃত্যু। আল্লাহ তাআলা ক্ষণস্থায়ী এই জীবনের ব্যবস্থা এই জন্য করেছেন, যাতে তিনি পরীক্ষা করতে পারেন যে, এই জীবনের সদ্ব্যবহার কে করে? যে এ জীবনকে ঈমান ও আনুগত্যের কাজে ব্যবহার করবে, তার জন্য রয়েছে উত্তম প্রতিদান এবং যে এর অন্যথা করবে, তার জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি।
কালো জাদু দ্বারা আক্রান্ত হয়ে কেউ মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে,আবার বদনজরের কারণেও অসুস্থ হয়ে পড়ে।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
العين تدخل الرجل القبر و تدخل الجمل القدر
অর্থঃ বদ নজর মানুষকে কবর পর্যন্ত পৌছে দেয় এবং উটকে পাতিলে। (সহীহ আল জামেঃ শাইখ আলবানী (রহঃ) সহীহ বলেছেনঃ ১২৪৯)
অর্থাৎ মানুষের নজর লাগায় সে মৃত্যুবরণ করে, যার ফলে তাকে কবরে দাফন করা হয়। আর উটকে যখন বদ নজর লাগে তখন তা মৃত্যু পর্যায়ে পৌছে যায় তখন সেটা যবাই করে পাতিলে পাকানো হয়।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ
نعم فلو كان شئ سابق القضاء
السبقته العين
অর্থঃ হ্যাঁ! কোন বস্তু যদি তাকদীরকে অতিক্রম করত তবে বদ নজর তা অতিক্রম করত। (তিরমিযীঃ ২০৫৯, আহমদঃ ৬/৪৩৮) ৫।
📌যদি বদনজরের কারণে/কালোজাদুর প্রভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে,তার উচিত সূরাহ বাকারা,সুরা ইখলাস,ফালাক-নাস এর সাথে বেশি করে সুরা আল কাওসার,সূরা মূলক ও সূরা আস-সাজদা তিলাওয়াত করা/অডিও শোনা ইনশাআল্লাহ। এবং অধিক পরিমাণে আল্লাহ র যিকির করা।
اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
এই যিকিরের ফযিলত অনেক বেশি ইনশাআল্লাহ@shornaabedin

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন