সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যাদু নবায়ন


 #সিহর_নবায়ন #sihr_renewal

রুকিয়ার সময়ই সিহর নবায়ন ঘটতে পারে। রোগী তন্দ্রাচ্ছন্ন বোধ করতে পারে, জাগ্রত ও ঘুমের মধ্যে এমন একটি অবস্থায় প্রবেশ করতে পারে, যে সময় তারা নিজেকে খাবার খাওয়ানো দেখতে পারে। যদি এটি ঘটে, রোগীর উচিত রুকিয়া করার সাথে সাথে নিম্নোক্ত ব্যবস্থাগুলি দিয়ে নিজেদেরকে শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসা ইনশাআল্লাহ।


যদি খাওয়ানো Sihr পুনর্নবীকরণ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয় তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো,নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপদেশ অনুসরণ করা ইনশাআল্লাহ।আপনার বাম দিকে তিনবার থুথু ফেলুন এবং বলুন "আমি যা দেখেছি তার বিরুদ্ধে আমি আল্লাহর আশ্রয় চাই।"


আপনি যদি ইতিমধ্যেই উপরের কথা বলতে ভুলে গিয়ে থাকেন,তাহলে আপনি যখন সচেতন হবেন তখন তা করুন। রুকিয়ার পানি দিয়ে আপনার বেডরুমে স্প্রে করুন এবং ঘুমানোর আগে মিসওয়াক করুন। অতিরিক্তভাবে, সিহর পুনর্নবীকরণের প্রভাব বাতিল করতে এক কাপ রুকিয়ার পানিতে মধু মিশিয়ে পান করুন।


কালো যাদুর লক্ষ্যবস্তুতে আক্রান্ত রোগীরা স্বপ্নে দেখতে পাবে যে তাদের খাবার খাওয়ানো হচ্ছে, তা নোংরা হোক বা নিয়মিত খাবার, রোগী ঘুমের মধ্যে যে খাবারের স্বপ্ন দেখে যা তাকে খাওয়ানো হয়েছিল তার স্বাদ সাধারণত তীব্র হয়, এবং রোগীরা জাগ্রত হওয়ার পরেও স্বতন্ত্রভাবে সেই স্বাদ মনে রাখতে পারে।


বেশিরভাগ লোকেরা এই অদ্ভুত ঘটনার অভিজ্ঞতা অস্বীকার করে, কিন্তু একবার তারা এর অস্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন হয়ে গেলে, তারা বুঝতে পারবে যে এটি বারবার হচ্ছে।


এটি সেই পদ্ধতি যার মাধ্যমে শয়তান রোগীর শরীরে যাদুর পদার্থ প্রবেশ করায়। এমন আরও কিছু ঘটনা আছে যখন শয়তানের যাদু নতুন করে দেখা যায়,যেমন- কোনো প্রাণী কামড়াচ্ছে, চাটছে বা রোগীর দিকে তাকিয়ে আছে। কখনও দেখতে পারে বিড়াল জাতীয় প্রাণী তার ঘরে ঢুকতে চেষ্টা করছে বা তার পাশে শুয়ে আছে।এমনকি অপরিচিত কোন ব্যক্তিকে বা কালো ছায়াকে তার সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে দেখতে পারে।মাঝে মাঝে রোগী স্বপ্নে দেখে যে তার ঘরের দরজা খোলা ইত্যাদি।


এগুলি হল যাদুকর দ্বারা জ্বিন-শয়তানের মাধ্যমে রোগীকে পুনরায় ক্ষতি করার প্রতিশ্রুতি-এক কথায় যাদু পুনর্নবীকরণের লক্ষণ।যাদুর এই পুনর্নবীকরণ বাতিল করা অত্যন্ত জরুরি।নয়তো রোগী কালো যাদুর গোলক ধাঁধা থেকে বের হতে পারবে না।


স্বপ্নে খাওয়ানোর এই ঘটনাটি সাধারণত রুকিয়া থেরাপি নেয়ার পরেই শুরু হয়।কারন চিকিৎসা নেয়ার ফলে যাদুর প্রভাব নষ্ট হতে শুরু করে,আর জ্বিন শয়তান তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এবং রোগীকে আঁকড়ে ধরে থাকতে নতুন করে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এটি সাধারণত পুনরুদ্ধারের কাছাকাছি থাকা রোগীদের প্রভাবিত করে এবং এছাড়াও যখন একজন রোগী ক্রমাগত খাওয়ার আগে "বিসমিল্লাহ" বলে, যা তার শরীরে থাকা জ্বিনকে ক্ষুধার্ত করে। এই জাতীয় স্বপ্ন দেখার পরে, রোগীরা প্রায়শই মাথাব্যথা বা পেটব্যথা নিয়ে জেগে ওঠে।


বেশিরভাগ যাদু পুনর্নবীকরণের দুঃস্বপ্নগুলি ফজরের সময়ের পরে ঘটে, তাই সময়মতো ফজরের নামাজ পড়ুন এবং সাথে সাথে সকালের দোয়া সমুহ পাঠ করুন। ফজর বা ফজরের পর ঘুমানো এড়িয়ে চলাই উত্তম ইনশাআল্লাহ।


রোগীদের মনে রাখতে হবে যে তারা যদি ফজরের পর ঘুমাতে যায় তবে তাদের আবার ঘুমাতে যাওয়ার আগে সমস্ত দোয়া পড়তে হবে নয়তো তাদের সুরক্ষার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।


রোগীদের সিহর পুনর্নবীকরণের বিরুদ্ধে নিজেদেরকে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। স্বপ্নের ভেতরে খাওয়ার অভ্যাসকে নিজের ইচ্ছায় ত্যাগ করতে হবে ইনশাআল্লাহ।

📌 রোগীদের 

এই আয়াতটি বারবার পাঠ করা উচিত ইনশাআল্লাহ:


 وَ لَا تَاۡكُلُوۡا مِمَّا لَمۡ یُذۡكَرِ اسۡمُ اللّٰهِ عَلَیۡهِ وَ اِنَّهٗ لَفِسۡقٌ ؕ وَ اِنَّ الشَّیٰطِیۡنَ لَیُوۡحُوۡنَ اِلٰۤی اَوۡلِیٰٓئِهِمۡ لِیُجَادِلُوۡكُمۡ ۚ وَ اِنۡ اَطَعۡتُمُوۡهُمۡ اِنَّكُمۡ لَمُشۡرِكُوۡنَ 


অর্থ:আর তোমরা তা থেকে আহার করো না, যার উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়নি এবং নিশ্চয় তা সীমালঙ্ঘন এবং শয়তানরা তাদের বন্ধুদেরকে প্ররোচনা দেয়, যাতে তারা তোমাদের সাথে বিবাদ করে। আর যদি তোমরা তাদের আনুগত্য কর, তবে নিশ্চয় তোমরা মুশরিক। 


(আল কুরআন 6:121)


বেশি করে বিসমিল্লাহ পড়ুন, এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করতে থাকুন ইনশাআল্লাহ,


"আমি আমার ঘুমের মধ্যে খাওয়ানোর অনিষ্ট এবং কালো যাদুর ক্ষতির পুনর্নবীকরণের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই।"


সবথেকে জরুরী মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা ইনশাআল্লাহ। ঘুমানোর আগে বিছানা বিসমিল্লাহ বলে ৩ বার ঝেড়ে নেয়া ও সহিহ দোয়া গুলো পড়ে নেয়া ইনশাআল্লাহ। খুব ভালো হয় যদি ওযু করে নেন ইনশাআল্লাহ।


প্রতিদিন ফরয আমলের পাশাপাশি সকাল সন্ধ্যার মাসনুন দোয়া সমুহ পাঠ করতে হবে ইনশাআল্লাহ। কুরআন বুঝে তিলাওয়াত করতে হবে ইনশাআল্লাহ।বিশেষ করে সূরাহ বাকারা তিলাওয়াত করা বা অডিও শোনা ইনশাআল্লাহ।বেশি করে সূরাহ ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি,সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত এবং সূরাহ ইখলাস -ফালাক-নাস পড়া ইনশাআল্লাহ।এর সাথে সূরাহ আ'রাফ এর ১১৭-১২২ আয়াত,সূরাহ ইউনুস এর ৮১-৮২ আয়াত,#সূরাহ_কাহাফ, বিশেষ করে ৩৯-৪৬ আয়াত,#সূরা_তূর ও #সূরা_ত্বিন পাঠ করা বিশেষ আবশ্যক ইনশাআল্লাহ@shornaabedin

Shorna Abedin

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সবথেকে পৈশাচিক নির্যাতনের জাদু : Sihr al-Falak

  "গবেষক হিসেবে আমি অনেক অদৃশ্য শক্তির মুখোমুখি হয়েছি, কিন্তু আমি কল্পনাও করিনি যে একদিন আমি নিজেই 'সিহরুল ফালাক' বা আহ্নিক গতির এক অদৃশ্য কারাগারে বন্দি হব। একজন রিসার্চার যখন নিজেই সাবজেক্ট হয়ে যায়, তখন জগতটা সম্পূর্ণ বদলে যায়।" "আমার মস্তিস্ক বলছিল এটি আহ্নিক গতির সাথে সিনক্রোনাইজ করা একটি জাদুকরী লুপ, কিন্তু আমার শরীর সেই যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছিল। নিজের ওপর রুকইয়াহ করা বা এই চক্র ভাঙার লড়াইটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা।" By Shorna Abedin Paranormal Researcher & Spiritual Reality Analyst The Invisible Cage: My Encounter with the Magic of Earth’s Rotation রুকইয়াহর পরিভাষায় আহ্নিক গতির জাদু বা 'সিহরুল ফালাক' (Sihr al-Falak) হলো একটি অত্যন্ত জটিল ও উচ্চমাত্রার কালো জাদু। এই জাদুটি সম্পর্কে সচেতনতা এবং এর প্রতিকার নিয়ে একটি গাইডলাইন নিচে দেওয়া হলো: ## আহ্নিক গতির জাদু (Sihr al-Falak): যখন জীবন একটি অভিশপ্ত চক্রে বন্দি হয় আহ্নিক গতির জাদু কী? এটি এমন এক ধরণের জাদু যেখানে জাদুকর ভুক্তভোগীর ভাগ্য, শরীর বা কাজকে পৃথিবীর আহ্নিক গতির (ঘূর্ণন) স...

'সিহরুল ফিনতাজিয়া' (Sihr al-Fantasia) বা 'সিহরুল ইস্তিবদাল' (Replacement Magic)

  নকল অবয়ব তৈরির এই জাদুটি রুকইয়াহর পরিভাষায় অত্যন্ত জটিল ও শক্তিশালী। একে 'সিহরুল ফিনতাজিয়া' (Sihr al-Fantasia) বা 'সিহরুল ইস্তিবদাল' (Replacement Magic) বলা হয়।  ১. নকল অবয়ব তৈরির জাদু কী? এই জাদুতে জাদুকর ভিকটিমের চুল, নখ বা কাপড়ের টুকরো ব্যবহার করে শয়তানি মন্ত্রের মাধ্যমে একটি 'ছায়া সত্তা' (Shadow Self) তৈরি করে। কেন করা হয়: যাতে আসল মানুষটি ঘরের এক কোণে অবশ বা অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকে, আর ওই জাদুকরী অবয়বটি তার ভাগ্য, রূপ এবং রিজিক দখল করে নেয়। পরিণতি: এর ফলে মানুষ ভিকটিমকে দেখলে বিরক্ত হয়, কুৎসিত মনে করে বা তার সাথে প্রতারণা করে। কারণ তারা আসল মানুষটিকে নয়, বরং ওই জাদুকরী কালো ছায়া বা 'মিথ্যা অবয়বকে' দেখে।  ২.মুক্তির উপায় (কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী): সূরা বাকারা (The Ultimate Shield):এর আমল। সিদর (বরই পাতা) ও লবণের গোসল:৭টি কাঁচা বরই পাতা পিষে রুকইয়ার পানিতে মিশিয়ে গোসল করলে শরীরের ওপর থাকা জাদুকরী 'আস্তর' বা নকল অবয়বটি খসে পড়ে।  সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন জিকির: বিশেষ করে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু..." ১০০ বার পাঠ করা। এটি ...

থানাটোফোবিয়া ও মৃত্যু জাদু।

 #DeathMagic #illness_Magic বিভিন্ন ধরনের কালো জাদু আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল মৃতের কাফন থেকে তৈরি "মৃত্যু জাদু" এবং "অসুখের জাদু"।এটা মেসোনিক বা ফারাও দের জাদু হিসেবেও পরিচিত। 'থানাটোফোবিয়া' এর মানে আপনার মৃত্যু বা মৃত্যুর ভয় আছে। থানাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজের মৃত্যুকে নিয়ে কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের মৃত্যু বা মৃত্যু প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভয় পেতে পারেন।এটা অনেক সময় 'মৃত্যু র জাদু র লক্ষণ প্রকাশ করে। কিছু তথাকথিত অনভিজ্ঞ রাক্বি ক্যান্সারকে কালোজাদু র সাথে মিশিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করে অহেতুক ভীতি প্রদর্শন করে। মূলত, ক্যান্সার একটি জৈব প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়ে থাকে।এটার সাথে জ্বিন বা জাদুর কোন সম্পর্ক নেই। লক্ষণ: ধড়ফড়, বুকের মধ্যে বিষাদ এবং আঁটসাঁটতা, পিঠের নিচের দিকে এবং কাঁধে ব্যথা, রাতে অনিদ্রা, ভয়ের তীব্র আবেগ এবং অস্বাভাবিক ক্রোধ। ঘন ঘন ঝাঁকুনি ও দীর্ঘশ্বাস, বিচ্ছিন্নতার প্রতি ভালোবাসা, অলসতা, ঘুমের ইচ্ছা এবং কোনো চিকিৎসা কারণ ছাড়াই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা। আইন হাসাদের কারনেও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।জাবের (রাযিয়া...