Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2025

Suleimani The Last

  সুলায়মানি জাদু ও ইহুদি ষড়যন্ত্র: আত্মার উপর সর্বনাশা ফাঁদ ও কুরআন এর আলোকে মুক্তি: সুলায়মানি জাদু — নামের কারণে অনেকেই ধরে নেন এটি নবী সুলায়মান (আঃ)-এর কোনো ইলম। কিন্তু কুরআন তা স্পষ্টভাবে মিথ্যা বলে দিয়েছে: "আর তারা যা অনুসরণ করেছিল শয়তানদের, সুলায়মানের রাজত্বে। সুলায়মান কুফর করেননি বরং কুফর করেছে শয়তানরা—তারা মানুষকে জাদু শিখিয়েছে..." — সূরা আল-বাকারা ২:১০২ এই জাদুর মূল উৎস: ইহুদি কাব্বালার ‘জোহার’ (Zohar) সিফার হা রাজিয়েল (Sefer haRaziel) – ফেরেশতা ও হরফের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ মিস্টিক হিব্রু হরফ: ن (নুন), ص (সাদ), ط (তা), ك (কাফ) ইত্যাদি শয়তান ও আগুনী জিনদের চুক্তি 🕸️ এই জাদুর মূল কৌশলসমূহ  ১. আত্মা ও শরীর বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র এই জাদুর মূল উদ্দেশ্য: আত্মাকে শরীর থেকে ধীরে ধীরে আলাদা করা, যেন সে আল্লাহর আলো বুঝতে না পারে।  কিভাবে করা হয়? একটি পাথরের মধ্যে রূহ আটকে ফেলে, তার উপর "ن" হরফ আঁকে। তাবিজে বা তামায় সূর্য, ত্রিভুজ বা হেক্সাগ্রামের মাঝে হরফ লিখে আত্মার সিল বানানো হয়। এই সিল ব্যবহার করে আত্মাকে মিথ্যা কসমে বাঁধা হয়। জিন শোনে — “এই আত্মা এখন আমা...

গণক এর ছলনা

  গণক কিভাবে হাত দেখার ছলে যাদু করে? ১. শারীরিক সংস্পর্শের মাধ্যমে জিনের প্রবেশপথ খোলা: হাত স্পর্শ করার মাধ্যমে তারা এক প্রকার “ঐন্দ্রজালিক ছোঁয়া” প্রয়োগ করে, যা শরীরের “মারকাজ” বা হিজামার পয়েন্ট ও নাড়ির (pulse) মাধ্যমে কাজ করে। এ সময় তাদের সাথে থাকা জিন স্পর্শের মাধ্যমে শরীরে ঢুকতে পারে। ২. লুকানো কুফরি বাক্য বা চুক্তি পাঠ: গণকরা অনেক সময় হাত দেখতে দেখতে নিরবে এমন কিছু কুফরি মন্ত্র বা ইবলিসীয় চুক্তির শব্দ উচ্চারণ করে যা সামান্যত বোঝা যায় না। এগুলোর মাধ্যমে তারা গোপনে সেই ব্যক্তির রূহ বা কদর লিখা মুছে দেয় বা আটকে রাখে। ৩. নখ, ঘাম বা চুল সংগ্রহ: হাত ধরার সময় গোপনে ঘাম, ত্বকের কিছু খোঁচা, বা নখ সংগ্রহ করে যেটা পরবর্তীতে সিহর বা তিলস্মে ব্যবহৃত হয়। ৪. চোখে চোখ রেখে তান্ত্রিক চুম্বক প্রয়োগ: তারা অনেক সময় চোখের দিকে তাকিয়ে হিপনোটিক ছায়া ফেলে দেয় (নযর/عين)। এতে দুর্বল আত্মা বা ঈমান সম্পন্ন ব্যক্তি তাড়াতাড়ি প্রভাবিত হয়। তারা হিপনোটিক মাধ্যমে রূহানি দরজা খুলে নেয়। ৫. ভবিষ্যদ্বাণীর নামে আত্মাবন্ধন: তারা বলে— “তোমার জীবনে বড় বিপদ আসবে”, “কেউ তোমার ক্ষতি করতে চায়”, “তোমার বিয়ে হবে না”...

The Invisible Magic

 এটি এমন এক ভয়ংকর জাদু, যা শরীর নয়, বরং হৃদয় ও রূহের গভীরে সূক্ষ্ম অথচ বিধ্বংসী আঘাত হানে। এটি সরাসরি দেহে আক্রমণ করে না, বরং আত্মাকে এমনভাবে ক্ষতবিক্ষত করে তোলে, যেন বুকের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে একটি অদৃশ্য পাহাড়। এই জাদু কি হত্যা করতে পারে?  হ্যাঁ, আল্লাহ ইজাযত দিলে এই জাদু মৃত্যুও ঘটাতে পারে। আল্লাহ বলেন: > "وَمَا هُم بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ" “তারা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কাউকে ক্ষতি করতে পারে না।” 📖 সূরা আল-বাকারা ২:১০২ কিভাবে এই জাদু কাজ করে? ১. روح الطعن – আত্মিক সূঁচের আঘাত: হৃদয়ের গভীরে অদৃশ্য তীর বা সূঁচ প্রবেশ করিয়ে আত্মার রক্তক্ষরণ ঘটানো হয়। মানুষ নিঃশব্দে দুর্বল হয়ে পড়ে, একসময় আচমকা মৃত্যু এসে যায়। ২. জিন নিযুক্ত করা হয় হৃদয়ের ওপর: জাদুকররা খোদ্দাম (خُدَّام) নামে জিনকে নিয়োগ করে শরীরের বিশেষ অঙ্গে। এরা ধীরে ধীরে অঙ্গ দুর্বল করে তোলে — হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা হঠাৎ মৃত্যুর পথ তৈরি করে। ৩. আত্মহত্যার প্রতি ঠেলে দেওয়া: “জীবন অর্থহীন”, “সবকিছু অন্ধকার”—এমন অনুভূতি তৈরি করে আত্মাকে ভেঙে ফেলে। এমনকি মানুষ নিজেই নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যায়। ...

Sihr Al Uqdī Al Jasadī

  এটি একধরনের “আত্মা-শরীর-বন্ধনভিত্তিক কালো জাদু”। আরবিতে একে বলা হয়: > السحر العقدي الجسدي Sihr al-ʿUqdī al-Jasadī অর্থাৎ: “চুক্তিভিত্তিক দেহ-জাদু”। এই জাদুতে মানুষকে তার নিজের শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ব্যবহার করে জাদুবন্দি করা হয়।  কীভাবে এই জাদু করা হয়? কালো জাদুর কিছু বইয়ে (যেমন: Shams al-Ma‘arif, كتاب الغاسق, বা কিছু আফ্রিকান-আরব তান্ত্রিক ম্যানুয়ালে) বর্ণিত আছে যে— জাদুকররা প্রায়ই নিচের উপায়ে এই চুক্তি করে: ✅ ধাপ ১: আক্রান্ত ব্যক্তির চুল, নখ, রক্ত, কাপড় বা ছবি সংগ্রহ করে। ✅ ধাপ ২: তারা একটি ধাতব বাক্স/হাড়ের কাঠামো তৈরি করে যেখানে প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়: অঙ্গ উদ্দেশ্য মাথার খুলি চিন্তা, সিদ্ধান্ত, ওহী-প্রবণতা ব্লক করা ডান হাত আমল, সৎ কাজ, ইবাদতের শক্তি দমন বাম পা চলার পথ ও তাকদীর আটকে রাখা হৃদয়ের খাঁচা আত্মার কেন্দ্র দখল করা, দুআ বন্ধ করা ✅ ধাপ ৩: সবকিছু একটি বাক্সে রেখে তাতে তালা লাগানো হয়, এবং নদীতে/জমিনে/কবরের পাশে/গুহায় লুকিয়ে রাখা হয়।  উপসর্গ  কুরআন বা দোআ পড়লে মাথা ভারী লাগা বা কষ্ট হওয়া নিজের চিন্তা নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা মাঝে মাঝে শরীর...