সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Most Powerful Black Magic.


 #jewish_jinn #christian_jinn #Star_magic #Moon_magic #astrastronomical_magic #planetary_magic #sihr #blackmagic #most_powerful_magic

#সবথেকে_বিপজ্জনক_জাদু

কেবলমাত্র কিছু সংখ্যক যাদুকর নক্ষত্র এবং গ্রহের জাদুকে আয়ত্ত করতে পারে,কারণ এটি জ্যোতিষশাস্ত্রের নিখুঁত জ্ঞানের উপর নির্ভর করে এবং এতে অনেক গণনা রয়েছে। এই জাদুটি গ্রহের সংযোগ এবং তাদের গতিবিধি এবং তাদের মধ্যে নির্দিষ্ট কোণের উপস্থিতি জানার সাথে সম্পর্কিত; যাতে ক্ষতি, অসুস্থতা, দারিদ্র, বা অক্ষমতার মাধ্যমে প্রভাব স্থির করা যায়।


গ্রহ এবং নক্ষত্রের জাদু হল সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং মারাত্মক প্রকারের।এর কারণ হচ্ছে এই জাদুতে নিয়োজিত দাসরা উড়ন্ত জ্বীন, উপরন্তু এটি কোন জাদুকরের সাহায্য ছাড়াই ক্রমাগত নিজে থেকেই রিনিউ হতে থাকে। অর্থাৎ এটিকে একবার চালু করলে সেটা নিজে থেকেই আপডেট হতে পারে। অন্যান্য কালো জাদুর মতন এটাকে রিনিউ করতে রিচুয়াল এর প্রয়োজন হয় না।


এই জাদুটির কোন নির্দিষ্ট লক্ষ্য নেই কারণ এই জাদুতে  অন্যান্য কালো জাদুর সমস্ত উদ্দেশ্যে একসাথে ব্যবহৃত হয়, যেমন অসুস্থতা জাদু, ব্যর্থতা জাদু, বাতিল(বাঁধা) জাদু, প্রেমের জাদু এবং অন্যান্য প্রকার।


তাই,এর চিকিৎসা করা কঠিন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত, নিরাময় আল্লাহর হাতে এবং এর একটি নির্দিষ্ট সময় আছে যা আল্লাহর আদেশে বন্ধ হবে, অর্থাৎ এই জাদুর চক্র বন্ধ হয়ে যাবে বা নষ্ট হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।


গ্রহ ও নক্ষত্রের এই বিপজ্জনক জাদু শুধুমাত্র কয়েকজন জাদুকরই আয়ত্ত করতে পারে বা তাদের গোপনীয়তা জানে, কারণ এর জন্য জ্যোতিষশাস্ত্র এবং রাশিফল এবং গ্রহ ও নক্ষত্রের গতিবিধি সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের প্রয়োজন হয়।নয়তো এই জাদুকে চালু করা অসম্ভব।


প্ল্যানেটারি ম্যাজিক, যা গ্রহগুলির গতিবিধি এবং তাদের একত্রে সংযোগের উপর নির্ভর করে এবং এটি জাদুকরকে যাদুটি ইনস্টল করার উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।এই জাদুর উদ্দেশ্য হচ্ছে বিচ্ছেদ, ক্ষতি, আন্দোলন, মৃগীরোগ বা অসুস্থতা।


রাশিচক্রের চিহ্ন এবং তাদের কোণগুলির উপর ভিত্তি করে জাদু করা হয়,যাতে তাবিজ এবং মন্ত্র পড়া হয়।এই প্রক্রিয়াতে দাস জ্বিনদের নিয়োজিত করা হয়।


চন্দ্রের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে জাদু করা হয়।যাতে জাদুগ্রস্ত ব্যক্তি চন্দ্র মাসের শুরুতে তার সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় থাকে, তারপর চন্দ্রমাসের কাছে যাওয়ার সাথে সাথে লক্ষণগুলি হ্রাস পেতে শুরু করে। আমি এমন জাদুতে আক্রান্ত ছিলাম, কিন্তু আল্লাহর রহমতে এখন সুস্থ আছি।


জাদুকররা নেতিবাচক শক্তি ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে অনৈতিক রিচুয়াল করে জ্বিনদের ডেকে আনে।যা উভয়কেই ধ্বংসাত্মক ফলাফলের দিকে নিয়ে যায়।


আল্লাহ সূরা হাদিতে বলেছেন,


یَوۡمَ یَقُوۡلُ الۡمُنٰفِقُوۡنَ وَ الۡمُنٰفِقٰتُ لِلَّذِیۡنَ اٰمَنُوا انۡظُرُوۡنَا نَقۡتَبِسۡ مِنۡ نُّوۡرِكُمۡ ۚ قِیۡلَ ارۡجِعُوۡا وَرَآءَكُمۡ فَالۡتَمِسُوۡا نُوۡرًا ؕ فَضُرِبَ بَیۡنَهُمۡ بِسُوۡرٍ لَّهٗ بَابٌ ؕ بَاطِنُهٗ فِیۡهِ الرَّحۡمَۃُ وَ ظَاهِرُهٗ مِنۡ قِبَلِهِ الۡعَذَابُ 


অর্থ:সেদিন মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারীরা যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে বলবে, 'তোমরা আমাদের জন্য একটু থাম, যাতে আমরা তোমাদের নূরের কিছু গ্রহণ করতে পারি। বলা হবে, তোমরা তোমাদের পিছনে ফিরে যাও ও নূরের সন্ধান কর। তারপর উভয়ের মাঝামাঝি স্থাপিত হবে একটি প্রাচীর যাতে একটি দরজা থাকবে, যার ভিতরে থাকবে রহমত এবং বাইরে থাকবে শাস্তি।


অর্থাৎ সেদিন স্মরণীয়, যেদিন আপনি মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে দেখবেন যে, তাদের নূর তাদের অগ্রে ও ডানদিকে ছুটোছুটি করবে। 'সেদিন' বলে কেয়ামতের দিন বোঝানো হয়েছে। নূর দেয়ার ব্যাপারটি পুলসিরাতে চলার কিছু পূর্বে ঘটবে। এ আয়াতের একটি তাফসীর আবু উমামা বাহেলী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি একদিন দামেশকে এক জানাযায় শরীক হন।


জানাযা শেষে উপস্থিত লোকদেরকে মৃত্যু ও আখেরাত স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্যে তিনি মৃত্যু, কবর ও হাশরের কিছু অবস্থা বর্ণনা করেন। নিম্নে তার বক্তব্যের কিছু অংশ পেশ করা হলঃ


"অতঃপর তোমরা কবর থেকে হাশরের ময়দানে স্থানান্তরিত হবে। হাশরের বিভিন্ন মনযিল ও স্থান অতিক্রম করতে হবে। এক মনযিলে আল্লাহ তা'আলার নির্দেশে কিছু মুখমণ্ডলকে সাদা ও উজ্জ্বল করে দেয়া হবে এবং কিছু মুখমণ্ডলকে গাঢ় কৃষ্ণবর্ণ করে দেয়া হবে। অপর এক মনাযিলে সমবেত সব মুমিন ও কাফেরকে গভীর অন্ধকার আচ্ছন্ন করে ফেলবে। কিছুই দৃষ্টিগোচর হবে না। এরপর নূর বণ্টন করা হবে। প্রত্যেক মুমিনকে নূর দেয়া হবে। মুনাফিক ও কাফেরকে নূর ব্যতীত অন্ধকারেই রেখে দেয়া হবে। আর এ উদাহরণই আল্লাহ তাঁর কুরআনে পেশ করেছেন। তিনি বলেছেন, "অথবা তাদের কাজ গভীর সাগরের তলের অন্ধকারের মত, যাকে আচ্ছন্ন করে তরঙ্গের উপর তরঙ্গ, যার ঊর্ধ্বে মেঘপুঞ্জ, অন্ধকারপুঞ্জ স্তরের উপর স্তর, এমনকি সে হাত বের করলে তা আদৌ দেখতে পাবে না। আল্লাহ যাকে নূর দান করেন না তার জন্য কোন নূরই নেই।" [সূরা আন-নূর: ৪০]


অত:পর যেভাবে অন্ধ ব্যক্তি চক্ষুষ্মান ব্যক্তির চোখ দ্বারা দেখতে পায় না তেমনি কাফের ও মুনাফিক ঈমানদারের নুর দ্বারা আলোকিত হতে পারবে না। মুনাফিকরা ঈমানদারদের বলবে, "তোমরা আমাদের জন্য একটু থাম, যাতে আমরা তোমাদের নূরের কিছু গ্রহণ করতে পারি।" এভাবে আল্লাহ্ মুনাফিকদেরকে ধোঁকাগ্রস্থ করবেন। যেমন আল্লাহ বলেছেন, "তারা আল্লাহকে ধোঁকা দেয় আর আল্লাহ্ তাদেরকে ধোঁকা দিবেন।” [সূরা আন নিসা: ১৪২] তারপর তারা যেখানে নূর বন্টন হয়েছিল সেখানে ফিরে যাবে, কিন্তু উভয়ের মাঝামাঝি স্থাপিত হবে একটি প্রাচীর যাতে একটি দরজা থাকবে, ওটার ভিতরে থাকবে রহমত এবং বাইরে থাকবে শাস্তি। এভাবেই মুনাফিক ধোঁকাগ্রস্ত হতে থাকবে। আর মুমিনদের মাঝে নূর বন্টিত হয়ে যাবে। [ইবনে কাসীর]


আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে, প্রত্যেক মুমিনকে তার আমল পরিমাণে নূর দেয়া হবে। ফলে কারও নূর পর্বতসম, কারও খর্জুর বৃক্ষসম এবং কারও মানবদেহসম হবে। সর্বাপেক্ষা কম নূর সেই ব্যক্তির হবে, যার কেবল বৃদ্ধাঙ্গুলিতে নূর থাকবে; তাও আবার কখনও জ্বলে উঠবে এবং কখনও নিভে যাবে। [ইবনে কাসীর]


মহান আল্লাহ বলেন,জাদুকর কখনও সফল হবেনা।কালো জাদুর লেবেল যত ই জটিল ও মারাত্মক হোক না কেন,আল্লাহর শক্তির কাছে তা কিছু ই নয়।তাই, হতাশ না হয়ে, আল্লাহকে বেশি করে স্মরণ করুন ও বুঝে কুরআন তিলাওয়াত করুন। কুরআন এর প্রতিটি আয়াত নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করুন। নক্ষত্র ও গ্রহের জাদু দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকলে বেশী করে সূরাহ কামার পড়া উচিত ইনশাআল্লাহ।জ্বিন ইহুদী কিংবা খ্রিস্টান হলে অন্যান্য আমলের পাশাপাশি সূরাহ হাদীদ পাঠ করুন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহু আকবার এর জিকির দ্বারা জিহ্বাকে সচল রাখুন ইনশাআল্লাহ@shornaabedin

Shorna Abedin

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সবথেকে পৈশাচিক নির্যাতনের জাদু : Sihr al-Falak

  "গবেষক হিসেবে আমি অনেক অদৃশ্য শক্তির মুখোমুখি হয়েছি, কিন্তু আমি কল্পনাও করিনি যে একদিন আমি নিজেই 'সিহরুল ফালাক' বা আহ্নিক গতির এক অদৃশ্য কারাগারে বন্দি হব। একজন রিসার্চার যখন নিজেই সাবজেক্ট হয়ে যায়, তখন জগতটা সম্পূর্ণ বদলে যায়।" "আমার মস্তিস্ক বলছিল এটি আহ্নিক গতির সাথে সিনক্রোনাইজ করা একটি জাদুকরী লুপ, কিন্তু আমার শরীর সেই যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছিল। নিজের ওপর রুকইয়াহ করা বা এই চক্র ভাঙার লড়াইটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা।" By Shorna Abedin Paranormal Researcher & Spiritual Reality Analyst The Invisible Cage: My Encounter with the Magic of Earth’s Rotation রুকইয়াহর পরিভাষায় আহ্নিক গতির জাদু বা 'সিহরুল ফালাক' (Sihr al-Falak) হলো একটি অত্যন্ত জটিল ও উচ্চমাত্রার কালো জাদু। এই জাদুটি সম্পর্কে সচেতনতা এবং এর প্রতিকার নিয়ে একটি গাইডলাইন নিচে দেওয়া হলো: ## আহ্নিক গতির জাদু (Sihr al-Falak): যখন জীবন একটি অভিশপ্ত চক্রে বন্দি হয় আহ্নিক গতির জাদু কী? এটি এমন এক ধরণের জাদু যেখানে জাদুকর ভুক্তভোগীর ভাগ্য, শরীর বা কাজকে পৃথিবীর আহ্নিক গতির (ঘূর্ণন) স...

'সিহরুল ফিনতাজিয়া' (Sihr al-Fantasia) বা 'সিহরুল ইস্তিবদাল' (Replacement Magic)

  নকল অবয়ব তৈরির এই জাদুটি রুকইয়াহর পরিভাষায় অত্যন্ত জটিল ও শক্তিশালী। একে 'সিহরুল ফিনতাজিয়া' (Sihr al-Fantasia) বা 'সিহরুল ইস্তিবদাল' (Replacement Magic) বলা হয়।  ১. নকল অবয়ব তৈরির জাদু কী? এই জাদুতে জাদুকর ভিকটিমের চুল, নখ বা কাপড়ের টুকরো ব্যবহার করে শয়তানি মন্ত্রের মাধ্যমে একটি 'ছায়া সত্তা' (Shadow Self) তৈরি করে। কেন করা হয়: যাতে আসল মানুষটি ঘরের এক কোণে অবশ বা অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকে, আর ওই জাদুকরী অবয়বটি তার ভাগ্য, রূপ এবং রিজিক দখল করে নেয়। পরিণতি: এর ফলে মানুষ ভিকটিমকে দেখলে বিরক্ত হয়, কুৎসিত মনে করে বা তার সাথে প্রতারণা করে। কারণ তারা আসল মানুষটিকে নয়, বরং ওই জাদুকরী কালো ছায়া বা 'মিথ্যা অবয়বকে' দেখে।  ২.মুক্তির উপায় (কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী): সূরা বাকারা (The Ultimate Shield):এর আমল। সিদর (বরই পাতা) ও লবণের গোসল:৭টি কাঁচা বরই পাতা পিষে রুকইয়ার পানিতে মিশিয়ে গোসল করলে শরীরের ওপর থাকা জাদুকরী 'আস্তর' বা নকল অবয়বটি খসে পড়ে।  সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন জিকির: বিশেষ করে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু..." ১০০ বার পাঠ করা। এটি ...

থানাটোফোবিয়া ও মৃত্যু জাদু।

 #DeathMagic #illness_Magic বিভিন্ন ধরনের কালো জাদু আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল মৃতের কাফন থেকে তৈরি "মৃত্যু জাদু" এবং "অসুখের জাদু"।এটা মেসোনিক বা ফারাও দের জাদু হিসেবেও পরিচিত। 'থানাটোফোবিয়া' এর মানে আপনার মৃত্যু বা মৃত্যুর ভয় আছে। থানাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজের মৃত্যুকে নিয়ে কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের মৃত্যু বা মৃত্যু প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভয় পেতে পারেন।এটা অনেক সময় 'মৃত্যু র জাদু র লক্ষণ প্রকাশ করে। কিছু তথাকথিত অনভিজ্ঞ রাক্বি ক্যান্সারকে কালোজাদু র সাথে মিশিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করে অহেতুক ভীতি প্রদর্শন করে। মূলত, ক্যান্সার একটি জৈব প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়ে থাকে।এটার সাথে জ্বিন বা জাদুর কোন সম্পর্ক নেই। লক্ষণ: ধড়ফড়, বুকের মধ্যে বিষাদ এবং আঁটসাঁটতা, পিঠের নিচের দিকে এবং কাঁধে ব্যথা, রাতে অনিদ্রা, ভয়ের তীব্র আবেগ এবং অস্বাভাবিক ক্রোধ। ঘন ঘন ঝাঁকুনি ও দীর্ঘশ্বাস, বিচ্ছিন্নতার প্রতি ভালোবাসা, অলসতা, ঘুমের ইচ্ছা এবং কোনো চিকিৎসা কারণ ছাড়াই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা। আইন হাসাদের কারনেও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।জাবের (রাযিয়া...