Skip to main content

Insomnia and Black Magic.



#nightmare_disorder #insomnia #dream #blackmagic_stress #blackmagic_illness 

দুঃস্বপ্ন প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু উভয়ের জন্যই সাধারণ। প্রায় 85% স্বাভাবিক সুস্থ ব্যক্তিদের বছরে অন্তত একবার হয়, এবং 75% শিশুরাও দুঃস্বপ্ন দেখে থাকে। কিন্তু যখন দুঃস্বপ্ন এত ঘন ঘন ঘটে যে এগুলো ঘুমের মধ্যে হস্তক্ষেপ করে এবং দিনের বেলা কাজ করা কঠিন করে তোলে, তখন তারা দুঃস্বপ্নের ব্যাধি নামক একটি অবস্থার নির্দেশক হতে পারে।


ইব্রাহীম ইবনু হামযা (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, ভাল স্বপ্ন নবুয়তের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।আবুল ইয়ামান (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, সু-সংবাদবাহী বিষয়াদি ছাড়া নবুয়তের আর কিছু অবশিষ্ট নেই।। সাহাবাগণ জিজ্ঞাসা করলেন, সুসংবাদবাহী বিষয়াদি কি? তিনি বললেন, ভাল স্বপ্ন।


আল কুরআনে স্বপ্নকে বোঝাতে বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করে যেমন রুয়া (দৃষ্টি), হুলম (স্বপ্ন), মানাম (ঘুম) এবং বুশরা (সংবাদ)। মুসলমানরা কিছু স্বপ্নকে এক ধরনের আধ্যাত্মিক উপলব্ধি বলে মনে করেন।


আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, যখন তোমাদের কেউ এমন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে, তাহলে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাই সে যেন এর উপর আল্লাহর প্রশংসা করে এবং অন্যের কাছে তা বর্ণনা করে। আর যদি এর বিপরীত অপছন্দনীয় কিছু দেখে, তাহলে তা শয়তানের পক্ষ থেকে। তাই সে যেন এর অনিষ্টতা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায়। আর কারো কাছে যেন তা বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি সাধন করবে না।


মুসাদ্দাদ (রহঃ) ... আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ ভাল স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। আর খারাপ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। তাই যখন কেউ খারাপ স্বপ্ন দেখে তখন যেন তার থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায় এবং তার বাম দিকে থু থু ফেলে। তাহলে সে স্বপ্ন আর তার কোন ক্ষতি করবে না। আবূ আবদুল্লাহ (ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর) কাতাদা (রাঃ) সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।


রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক রাতে আমাকে কা’বা এর কাছে স্বপ্ন দেখানো হল। তখন আমি গৌর বর্ণের সুন্দর এক পুরুষকে দেখলাম। তার মাথায় অতি চমৎকার লম্বা লম্বা চুল ছিল, যেগুলো আচড়িয়ে রেখেছে। চুল থেকে ফোঁটা ফোঁটা পানি ঝরছিল। তিনি দু’ব্যাক্তির ওপর অথবা বলেছেনঃ দু’ব্যাক্তির কাঁধের ওপর ভর করে বায়তূল্লাহর তাওয়াফ করছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এ ব্যাক্তি কে? বলা হলঃ মাসীহ ইবনু মরিয়ম। এরপর অপর এক ব্যাক্তির সাথে আমার সাক্ষাৎ ঘটল। সে ছিল কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট, ডান চোখ কানা, চোখটি যেন (পানির ওপর) ভাসমান আঙুর। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এ ব্যাক্তি কে? সে বলল মাসীহ দাজ্জাল।


📌কালো জাদুর রোগীদের ক্ষেত্রে দুঃস্বপ্ন মারাত্মক আকারের হয়।ফলে তারা এক ধরনের অস্থিরতায় ভুগতে থাকে। ঠিকমতন ঘুম হয় না বা ঘুমিয়ে পড়লে দুঃস্বপ্ন তাড়া করতে থাকে। রাতের দুঃস্বপ্ন দিনের স্বাভাবিক কাজকর্মকে বাঁধা দেয়। সবকাজের ভেতরে একটা ঝিমুনি ভাব চলে আসে বা হঠাৎ যে কোন জায়গায় সে ঘুমিয়ে পড়ে।আর শয়তান সেই সুযোগে মস্তিষ্ক নিয়ে খেলতে শুরু করে দেয়। মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়ে রোগীকে হিপনোটাইজ করতে শুরু করে।রোগী শয়তান এর ফাঁদে পড়ে স্বপ্নবিলাসী হয়ে ওঠে।আর এভাবেই শয়তান জ্বিন রোগীকে পুরোপুরি তার কন্ট্রোলে নিয়ে নেয়।তখন তাকে দিয়ে যা খুশি করাতে পারে। এমতাবস্থায় চিকিৎসককে নিয়েও রোগীর ভেতরে সন্দেহ সৃষ্টি করে যাতে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায় বা আশেপাশের মানুষের সাথে ঝগড়া বাঁধিয়ে দেয় যাতে রোগী সবার কাছে অপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং বিচ্ছিন্নতার সৃষ্টি হয়।এটা অনেকটা সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের মেতন।


তাই রুকিয়ার সময় এই দিকটায় বিশেষ নজর দিতে হয়।যাতে শয়তান কিছুতেই রোগীকে হিপনোটাইজ করতে না পারে।তাই আমি চিকিৎসকদের উপদেশ দেবো যাতে চিকিৎসার শুরুতে ই তারা রোগীদের মনোবল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আল্লাহু আকবার যিকির দ্বারা রোগীর মানসিক চাপ কমানো সম্ভব ইনশাআল্লাহ।সে ধীরে ধীরে সাহসী হয়ে উঠবে শয়তানের বিরুদ্ধে লড়তে ইনশাআল্লাহ।রোগী যত বেশি করে আল্লাহু আকবর যিকির করবে,রোগীর ক্বলবে তত বেশি প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।আর শয়তান মস্তিষ্কের কন্ট্রোল ছেড়ে দেবে ইনশাআল্লাহ।


সূরাহ আল কদরে আল্লাহ বলেনঃ


تَنَزَّلُ الۡمَلٰٓئِكَۃُ وَ الرُّوۡحُ فِیۡهَا بِاِذۡنِ رَبِّهِمۡ ۚ مِنۡ كُلِّ اَمۡرٍ ۙ


অর্থ:সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল) তাদের রবের অনুমতিক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করে। 


আল-কদরের রাত বরকতময় যে কারণে ফেরেশতারা আল্লাহর হুকুমে অবতরণ করেন।জিবরীল আলাইহিস সালাম এর শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার কারণে সমস্ত ফেরেশতা থেকে আলাদা করে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। জিবরীল আলাইহিস সালাম এর  সাথে ফেরেশতারাও সে রাত্ৰিতে অবতরণ করে। [ফাতহুল কাদীর] হাদীসে আছে, “লাইলাতুল-কদরের রাত্রিতে পৃথিবীতে ফেরেশতারা এত বেশী অবতরণ করে যে, তাদের সংখ্যা পাথরকুচির চেয়েও বেশী।” [মুসনাদে আহমাদ: ২/৫১৯, মুসনাদে তায়ালাসী: ২৫৪৫]


রূহ প্রসঙ্গে বলা হয়, এখানে অর্থ ফেরেশতা জিব্রিল। 


এই রাত আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ রহমত তাঁর মুমিন বান্দাদের জন্য।ফজর না আসা পর্যন্ত এতে কোন মন্দ নেই।অর্থাৎ এতে কোন প্রকার অকল্যাণ নেই। মুমিনগণ এই রাতে শয়তানের অনিষ্ট থেকে নিরাপদে থাকে।এই রাত সর্বপ্রকার অনিষ্ট থেকে মুক্ত।


যারা দুঃস্বপ্ন দ্বারা আক্রান্ত কিংবা অনিদ্রায় ভোগেন, তাদের উচিত এই আল কদর সূরাহ বেশি করে তিলাওয়াত করা এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগে সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা ইনশাআল্লাহ। আমি বারবার বলছি,আল কুরআন তিলাওয়াত করুন ও অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন। প্রতিটি আয়াত নিয়ে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন।কালো জাদু কেন,সব সমস্যার সমাধান এই আল কুরআন ইনশাআল্লাহ@shornaabedin

Shorna Abedin

Comments

Popular posts from this blog

থানাটোফোবিয়া ও মৃত্যু জাদু।

 #DeathMagic #illness_Magic বিভিন্ন ধরনের কালো জাদু আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল মৃতের কাফন থেকে তৈরি "মৃত্যু জাদু" এবং "অসুখের জাদু"।এটা মেসোনিক বা ফারাও দের জাদু হিসেবেও পরিচিত। 'থানাটোফোবিয়া' এর মানে আপনার মৃত্যু বা মৃত্যুর ভয় আছে। থানাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজের মৃত্যুকে নিয়ে কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের মৃত্যু বা মৃত্যু প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভয় পেতে পারেন।এটা অনেক সময় 'মৃত্যু র জাদু র লক্ষণ প্রকাশ করে। কিছু তথাকথিত অনভিজ্ঞ রাক্বি ক্যান্সারকে কালোজাদু র সাথে মিশিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করে অহেতুক ভীতি প্রদর্শন করে। মূলত, ক্যান্সার একটি জৈব প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়ে থাকে।এটার সাথে জ্বিন বা জাদুর কোন সম্পর্ক নেই। লক্ষণ: ধড়ফড়, বুকের মধ্যে বিষাদ এবং আঁটসাঁটতা, পিঠের নিচের দিকে এবং কাঁধে ব্যথা, রাতে অনিদ্রা, ভয়ের তীব্র আবেগ এবং অস্বাভাবিক ক্রোধ। ঘন ঘন ঝাঁকুনি ও দীর্ঘশ্বাস, বিচ্ছিন্নতার প্রতি ভালোবাসা, অলসতা, ঘুমের ইচ্ছা এবং কোনো চিকিৎসা কারণ ছাড়াই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা। আইন হাসাদের কারনেও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।জাবের (রাযিয়া...

সুলাইমানী রাজবংশ এবং গোপন কালোজাদু।

  Suleimani Dynasty and the Secret Black Magic. আল জুহারি আল সুলাইমানী সম্পর্কে অনেক গল্প রয়েছে। মরক্কোর প্রসিদ্ধ কিছু রাক্বি যেভাবে এর ব্যাখ্যা করছেন তাতে তা শিরকের পর্যায়ে চলে যায়। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।আসলে,এটা শিশুদের এক বিরল রোগ।কালো যাদুর নামে ভয়ংকর গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে একদল তান্ত্রিক নির্বাচিত কিছু শিশুদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু লোভী মানুষ যখন জাদুকর তান্ত্রিক বা কবিরাজের কাছে যায় তারা তাদেরকে বিশেষ চিহ্ন বিশিষ্ট এক শিশুকে হত্যা করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু শিশুটি যদি আল্লাহ র ইচ্ছায় বেঁচে যায় তখন জ্বিনেরা অজ্ঞানতার কারনে ভাবে যে ঐ শিশুটির জ্বিনদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।যেমন মহান আল্লাহ নবী সুলেমান আলাইহিস সালাম কে দিয়েছিলেন। অনেকের মতে,সিফিলিস বংশগত, কোনো রোগ নয়,এবং ৭টি চিহ্ন আছে যা সিফিলিসের ধরন প্রকাশ করে।সিফিলিটিক ব্যক্তির শরীরে স্পষ্ট দৃশ্যমান চিহ্ন থাকে, যেমন হাতের আড়াআড়িভাবে কাটা রেখা, বা জিহ্বাকে লম্বালম্বিভাবে বিভক্ত করে, বা চোখ দৃশ্যমান চকচকে, ইত্যাদি। অনেকে বিশ্বাস করেন যে এরা আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী হন। জ্বীনদের সাথে ভেনুসিয়ান মান...

Dajjalic Concepts and the Use of Black Magic: A Psychological and Scientific Analysis

  আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: ‘‘আমি তোমাদেরকে দাজ্জালের বিষয়ে একটি কথা বলব যা কোনো নবী তাঁর জাতিকে বলেন নি; তা হলো যে, দাজ্জাল কানা। আর সে তার সাথে জান্নাত ও জাহান্নামের নমুনা নিয়ে আসবে। যাকে সে জান্নাত বলবে সেটিই জাহান্নাম।’’ *মুসলিম, আস-সহীহ ৪/২২৫০ (কিতাবুল ফিতান..., যিকরিদ্দাজ্জাল) দাজ্জাল ও কালো জাদুর Psychological সম্পর্ক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ইসলামী শিক্ষায় দাজ্জালকে মহা প্রতারক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যিনি কিয়ামতের পূর্বে মানুষের ঈমান, বোঝাপড়া ও বিচারশক্তি পরীক্ষা করবেন। দাজ্জালের ক্ষমতা মূলত মানুষের বিশ্বাস, ঈমান এবং মানসিক দুর্বলতার উপর নির্ভর করে। অন্যদিকে, কালো জাদু (black magic) বাস্তব জগতে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এবং তাদের জীবন, শারীরিক ও মানসিক অবস্থায় প্রভাব ফেলতে ব্যবহৃত হয়। এ দুই ধারণার মধ্যে গভীরভাবে psychological মিল বিদ্যমান। ১. কালো জাদুর ব্যবহার ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কালো জাদু বা occult practice প্রায়শই ritually মানুষের belief system প্রভাবিত করে। এর মূল উদ্দেশ্য fear, hope বা devotion-এর মাধ্যমে perception পরিবর্তন করা। বৈজ্ঞানিকভাবে এটি...