সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ব্লাকম্যাজিক ও জ্যোতিষ শাস্ত্র


 #Jewish jinn #sihr #marriage 


ব্লাকম্যাজিককে বৈদিক #জ্যোতিষে "অভিচার" বলা হয় যা জন্মের তালিকা দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করে এবং পীড়িত গ্রহের সময়কাল দেখে সমর্থন করে।সবচেয়ে সাধারণ সমন্বয় হল চাঁদ এবং শনি একসাথে বিশেষ করে 6 তম বা 8 তম ঘরে। চন্দ্র মন এবং শনি বিষন্নতা, ষষ্ঠ বা অষ্টম ঘরে এটি মানুষকে মানসিক বা আবেগগতভাবে দুর্বল করে তোলে এবং কালো যাদু সহজেই একজন ব্যক্তিকে আক্রমণ করতে পারে।


শাস্ত্র মতে,এটি ছাড়াও সূর্য ও চন্দ্রের সাথে রাহু বা কেতু দ্বারা গঠিত যে কোনও গ্রহন এবং সেই নির্দিষ্ট গ্রহের অবস্থান মানুষকে কালো যাদুতে প্রবন করে তোলে।


প্রকৃতপক্ষে,যাদুবিদ্যার সাথে জ্যোতিষশাস্ত্রের কোন সম্পর্ক নেই, যদিও যাদুকররা কখনও কখনও তাদের উদ্দেশ্যকে শক্তিশালী করার আশায় এর প্রতীকবাদ ব্যবহার করে। জ্যোতিষশাস্ত্র প্রাকৃতিক এবং নিরপেক্ষ, কেবল সময়ের গুণাবলী ব্যাখ্যা করার একটি পদ্ধতি। 


যেমন #আবহাওয়াবিদ্যা হল আবহাওয়ার গুণাবলী ব্যাখ্যা করার একটি মাধ্যম।


কালো যাদুর উপযুক্ত সময় বেছে নেওয়ার জন্য যাদুকর জ্যোতিষশাস্ত্র ব্যবহার করতে পারে, এমনকি জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রতীকবাদকে আচারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে এবং জ্যোতিষশাস্ত্র তার উদ্দেশ্যমূলক ফলাফলের জন্য সময় দেখাতে পারে। যাইহোক, জ্যোতিষশাস্ত্রের কোন ব্যবহারই নিশ্চিত করতে পারে না যে চূড়ান্ত ফলাফলে কি ঘটবে।


এটা এভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে,যেমন-আমরা যদি একটি মোমবাতিতে আগুন ধরাতে চাই, আমাদের একটি লাইটারের দরকার হয়। একজন যাদুকর কোন ব্যক্তির #জন্মতারিখ নিয়ে সেই ব্যক্তির সম্পর্কে এমন কিছু আবিষ্কার করে যা তাকে ধারণা দেয় যে ঐ ব্যক্তির উপর কোন লেবেলের কালো যাদু প্রয়োগে ব্যক্তিটিকে দূর্বল করা যাবে। যেভাবে বাঘ ওঁৎ পেতে হরিণ শাবক শিকার করার প্রস্তুতি নেয়।


যাদু ও ভাগ্যগণনা কুফর ও শির্কের পর্যায়ভুক্ত হারাম। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন,


وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ [البقرة: .]


"তারা এমন জিনিস (জাদু) শিক্ষা করে, যা তাদের অপকারই করে, কোনো উপকার করে না”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১০২]


তিনি আরো বলেন,


وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَى  ] :طه[


"জাদুকর যেভাবেই আসুক না কেন সে সফল হবে না”। [সূরা ত্বোয়াহা, আয়াত: ৬৯]


"সুলায়মান কুফুরী করেন নি। কিন্তু কুফুরী করেছে শয়তানেরা। তারা মানুষকে শিক্ষা দেয় যাদু এবং বাবেলে হারূত-মারূত নামের দু'জন ফেরেশতার ওপর যা অবতীর্ণ করা হয়েছিল তা। ঐ ফিরিশতাদ্বয় কাউকে একথা না বলে কিছু শিক্ষা দেয় না যে, আমরা এক মহাপরীক্ষার জন্য। সুতরাং তুমি (যাদু শিখে) কুফুরী করো না"। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১০২]


ইসলামে বিধানমতে, যাদুকরকে হত্যা করার কথা বলা হয়েছে। যাদুকরের উপর্জন অপবিত্র ও হারাম।গণক ও ভবিষ্যদ্বক্তা উভয়েই আল্লাহ তা'আলাকে অস্বীকারকারী কাফিরদের দলভুক্ত। কারণ, তারা উভয়েই গায়েবের কথা জানার দাবী করে। অথচ আল্লাহ ছাড়া কেউ #গায়েব জানে না।


রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন ফজর সালাত শেষে লোকদের দিকে ফিরে বসেন এবং বলেন, 'তোমাদের রব কী বলেছেন তা কি তোমরা জান? তারা বলল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, 'আমার কিছু বান্দা আমার ওপর বিশ্বাসী হয়ে এবং কিছু বান্দা অবিশ্বাসী হয়ে ভোরে উপনীত হয়েছে। যারা বলে, আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহে বৃষ্টি হয়েছে তারা আমার প্রতি বিশ্বাসী ও গ্রহ- নক্ষত্রে অবিশ্বাসী। আর যারা বলে, অমুক অমুক গ্রহের প্রভাবে বৃষ্টি হয়েছে তারা আমার প্রতি অবিশ্বাসী ও গ্রহ-নক্ষত্রে বিশ্বাসী।"গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাবে বৃষ্টি হওয়ার কথা বিশ্বাস

করা যেমন কুফুরী, তেমনি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত রাশিফলের আশ্রয় নেওয়াও কুফুরী।অনেকে আবার যাদুর ক্রিয়া দূর করার জন্য যাদুকরের শরণাপন্ন হয়। এটাও হারাম। বরং তাদের উচিত ছিল আল্লাহর শরণাপন্ন হওয়া এবং আল কুরআন যেমন সূরা নাস, ফালাক ইত্যাদি সূরা দিয়ে সুন্নাহ অনুযায়ী আরোগ্য লাভের চেষ্টা করা ইনশাআল্লাহ।


📌যদি কেউ ইহুদী জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকেন কিংবা বিয়ে বন্ধের যাদুতে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন, তার উচিত অন্যান্য আমলের পাশাপাশি সূরাহ কামার তিলাওয়াত করা এবং অর্থ বুঝে আমল করা ইনশাআল্লাহ@shornaabedin

Shorna Abedin

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সবথেকে পৈশাচিক নির্যাতনের জাদু : Sihr al-Falak

  "গবেষক হিসেবে আমি অনেক অদৃশ্য শক্তির মুখোমুখি হয়েছি, কিন্তু আমি কল্পনাও করিনি যে একদিন আমি নিজেই 'সিহরুল ফালাক' বা আহ্নিক গতির এক অদৃশ্য কারাগারে বন্দি হব। একজন রিসার্চার যখন নিজেই সাবজেক্ট হয়ে যায়, তখন জগতটা সম্পূর্ণ বদলে যায়।" "আমার মস্তিস্ক বলছিল এটি আহ্নিক গতির সাথে সিনক্রোনাইজ করা একটি জাদুকরী লুপ, কিন্তু আমার শরীর সেই যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছিল। নিজের ওপর রুকইয়াহ করা বা এই চক্র ভাঙার লড়াইটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা।" By Shorna Abedin Paranormal Researcher & Spiritual Reality Analyst The Invisible Cage: My Encounter with the Magic of Earth’s Rotation রুকইয়াহর পরিভাষায় আহ্নিক গতির জাদু বা 'সিহরুল ফালাক' (Sihr al-Falak) হলো একটি অত্যন্ত জটিল ও উচ্চমাত্রার কালো জাদু। এই জাদুটি সম্পর্কে সচেতনতা এবং এর প্রতিকার নিয়ে একটি গাইডলাইন নিচে দেওয়া হলো: ## আহ্নিক গতির জাদু (Sihr al-Falak): যখন জীবন একটি অভিশপ্ত চক্রে বন্দি হয় আহ্নিক গতির জাদু কী? এটি এমন এক ধরণের জাদু যেখানে জাদুকর ভুক্তভোগীর ভাগ্য, শরীর বা কাজকে পৃথিবীর আহ্নিক গতির (ঘূর্ণন) স...

'সিহরুল ফিনতাজিয়া' (Sihr al-Fantasia) বা 'সিহরুল ইস্তিবদাল' (Replacement Magic)

  নকল অবয়ব তৈরির এই জাদুটি রুকইয়াহর পরিভাষায় অত্যন্ত জটিল ও শক্তিশালী। একে 'সিহরুল ফিনতাজিয়া' (Sihr al-Fantasia) বা 'সিহরুল ইস্তিবদাল' (Replacement Magic) বলা হয়।  ১. নকল অবয়ব তৈরির জাদু কী? এই জাদুতে জাদুকর ভিকটিমের চুল, নখ বা কাপড়ের টুকরো ব্যবহার করে শয়তানি মন্ত্রের মাধ্যমে একটি 'ছায়া সত্তা' (Shadow Self) তৈরি করে। কেন করা হয়: যাতে আসল মানুষটি ঘরের এক কোণে অবশ বা অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকে, আর ওই জাদুকরী অবয়বটি তার ভাগ্য, রূপ এবং রিজিক দখল করে নেয়। পরিণতি: এর ফলে মানুষ ভিকটিমকে দেখলে বিরক্ত হয়, কুৎসিত মনে করে বা তার সাথে প্রতারণা করে। কারণ তারা আসল মানুষটিকে নয়, বরং ওই জাদুকরী কালো ছায়া বা 'মিথ্যা অবয়বকে' দেখে।  ২.মুক্তির উপায় (কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী): সূরা বাকারা (The Ultimate Shield):এর আমল। সিদর (বরই পাতা) ও লবণের গোসল:৭টি কাঁচা বরই পাতা পিষে রুকইয়ার পানিতে মিশিয়ে গোসল করলে শরীরের ওপর থাকা জাদুকরী 'আস্তর' বা নকল অবয়বটি খসে পড়ে।  সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন জিকির: বিশেষ করে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু..." ১০০ বার পাঠ করা। এটি ...

থানাটোফোবিয়া ও মৃত্যু জাদু।

 #DeathMagic #illness_Magic বিভিন্ন ধরনের কালো জাদু আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল মৃতের কাফন থেকে তৈরি "মৃত্যু জাদু" এবং "অসুখের জাদু"।এটা মেসোনিক বা ফারাও দের জাদু হিসেবেও পরিচিত। 'থানাটোফোবিয়া' এর মানে আপনার মৃত্যু বা মৃত্যুর ভয় আছে। থানাটোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজের মৃত্যুকে নিয়ে কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের মৃত্যু বা মৃত্যু প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভয় পেতে পারেন।এটা অনেক সময় 'মৃত্যু র জাদু র লক্ষণ প্রকাশ করে। কিছু তথাকথিত অনভিজ্ঞ রাক্বি ক্যান্সারকে কালোজাদু র সাথে মিশিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করে অহেতুক ভীতি প্রদর্শন করে। মূলত, ক্যান্সার একটি জৈব প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়ে থাকে।এটার সাথে জ্বিন বা জাদুর কোন সম্পর্ক নেই। লক্ষণ: ধড়ফড়, বুকের মধ্যে বিষাদ এবং আঁটসাঁটতা, পিঠের নিচের দিকে এবং কাঁধে ব্যথা, রাতে অনিদ্রা, ভয়ের তীব্র আবেগ এবং অস্বাভাবিক ক্রোধ। ঘন ঘন ঝাঁকুনি ও দীর্ঘশ্বাস, বিচ্ছিন্নতার প্রতি ভালোবাসা, অলসতা, ঘুমের ইচ্ছা এবং কোনো চিকিৎসা কারণ ছাড়াই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা। আইন হাসাদের কারনেও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।জাবের (রাযিয়া...